পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo “বাঙ্গরা বাজার থানা সমিতি-ঢাকা’র নির্বাচন সভাপতি মোমেন, সাধারণ সম্পাদক আবির Logo পাটগ্রামে দবির উদ্দিন চিকিৎসা সহায়তা ফাউন্ডেশনের নগদ সহায়তা প্রদান Logo পাটগ্রামে ইহসান ইয়ুথ সার্কেলের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি Logo কায়েতপাড়ায় বসতভিটা রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের মানুষের থানায় গণঅভিযোগ Logo পাটগ্রামে জমি নিয়ে বিরোধে প্রতিপক্ষের হামলা, নারীসহ আহত ৪ Logo পাটগ্রামে রাস্তা ভেঙে চলাচল বন্ধ প্রায় দুই হাজার পরিবারের চলাচলে দুর্ভোগ Logo কুষ্টিয়ায় শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেপ্তার Logo জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস আজ Logo পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ Logo নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে আহসানুজ্জামানের দুর্নীতির অভিযোগ

হল-মার্ক কেলেঙ্কারি: নন-ফান্ডেড অংশের অনুসন্ধানে দুদকের দল

ঢাকা: হল-মার্ক কেলেঙ্কারির নন-ফান্ডেড অংশের দুর্নীতি অনুসন্ধানে বুধবার দুদকের অনুসন্ধান দল গঠন করেছে কমিশন।

গত মাসেই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

উপরিচালক মীর জয়নুল আবেদীন শিবলীর নেতৃত্বে একটি দল অভিযোগটির অনুসন্ধান করবে বলে জানা গেছে।

দলের অন্য সদস্যরা হলেন- সহকারী পরিচালক নাজমুস সাদাত ও সেলিনা আক্তার মনি। এর আগে মীর জয়নুল আবেদীন শিবলীর নেতৃত্বেই আট সদস্যের একটি দল হল-মার্ক কেলেঙ্কারির ফান্ডেড অংশের অনুসন্ধান ও তদন্ত শেষ করে।

দুদকের উচ্চ পর্যায়ের এক কর্মকর্তা বলেন, হল-মার্কের নন-ফান্ডেড অংশের পুরো রিপোর্ট না পাওয়ায় এর অনুসন্ধানে প্রায় দু’বছর দেরি হয়েছে। এখন পুরোদমে অনুসন্ধানের মাধ্যমে দেশের ব্যাংকিং খাতের বড় লুটপাটের ঘটনার অনুসন্ধান শেষ হবে।

দুদকের এক চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ জুন সোনালী ব্যাংক কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ব্যাংকের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য অর্থায়ন বিভাগ থেকে দুদকের বিশেষ অনুসন্ধান ও তদন্ত বিভাগের কাছে প্রায় ছয় হাজার পৃষ্ঠার প্রতিবেদনটি পাঠানো হয়। প্রতিবেদনে ১ হাজার ৫৮১ বিলের বিপরীতে ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।

প্রতিবেদনটি পাওয়ার পর ২২ জুন কমিশনের নিয়মিত সভায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে সোনালী ব্যাংকের পক্ষ থেকে পাঠানো হল-মার্কের নন-ফান্ডেড অংশের তদন্ত প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ তৈরি করে কমিশনের কাছে উপস্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগকে দায়িত্ব দেয়া হয়। গত মাসে সারসংক্ষেপ কমিশনের বৈঠকে উপস্থাপিত হওয়ার পর হল-মার্ক কেলেঙ্কারির নন-ফান্ডেড অংশের অনুসন্ধানের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন।

দুদক সূত্র জানায়, হল-মার্কসহ ছয়টি কোম্পানি সোনালী ব্যাংকের রূপসী বাংলা হোটেল শাখা থেকে ৩ হাজার ৫৬৯ কোটি টাকা আত্মসাৎ করে। এ কেলেঙ্কারি নিয়ে দুদক অনুসন্ধান শুরু করে ২০১২ সালে। এর মধ্যে স্বীকৃত বিলের বিপরীতে সোনালী ব্যাংকের পরিশোধ করা ফান্ডেড ১ হাজার ৫৬৮ কোটি টাকা আত্মসাতের ঘটনা অনুসন্ধান শেষে ২০১২ সালের ৪ অক্টোবর হল-মার্ক গ্র“পের এমডি তানভীর মাহমুদ, তাঁর স্ত্রী ও গ্র“পের চেয়ারম্যান জেসমিন ইসলাম, সোনালী ব্যাংকের সাবেক এমডি হুমায়ুন কবির, সোনালী ব্যাংকের রূপসী বাংলা হোটেল শাখার ডিজিএম এ কে এম আজিজুর রহমানসহ ২৭ জনকে আসামি করে ১১টি মামলা করে দুদক।

হল-মার্কের এমডি তানভীরসহ কয়েকজন আসামি বর্তমানে কারাগারে। এ কে এম আজিজুর রহমান মারা গেছেন। এসব মামলার তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্রও দেয়া হয়। ৩৮৬ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বাকি ৫ কোম্পানির বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে ২৭টি।

কিন্তু ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে হল-মার্ককে মালামাল সরবরাহের নামে নন-ফান্ডেড দেড় হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের অভাবে এত দিন অনুসন্ধান শুরু করা যায়নি। এ কারণে দেশের ব্যাংকিং খাতের সবচেয়ে বড় কেলেঙ্কারির পূর্ণাঙ্গ অনুসন্ধান আজো শেষ করা যায়নি।

হল-মার্ক কেলেঙ্কারিতে সোনালী ব্যাংকের রূপসী বাংলা শাখা থেকে হল-মার্কের নামে বিপুল পরিমাণ অর্থ ছাড়ের পাশাপাশি হল-মার্ক গ্র“পকে পণ্য সরবরাহের নামে কিছু বিলের বিপরীতে ৩৭টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকেও অর্থ তুলে নেয়া হয়। বিলগুলোর বিপরীতে সোনালী ব্যাংকের রূপসী বাংলা হোটেল শাখা থেকে ওই সব বাণিজ্যিক ব্যাংককে স্বীকৃতিপত্র দেয়া হয়েছে। সোনালী ব্যাংকের রূপসী বাংলা শাখা থেকে হল-মার্কের নামে যে পরিমাণ অর্থ ছাড় হয়েছে, সেটা ফান্ডেড। আর এ প্রক্রিয়ায় অন্য ব্যাংক সোনালী ব্যাংকের কাছে যা পাবে, তা নন-ফান্ডেড। সোনালী ব্যাংকের তদন্তে নন-ফান্ডেড অংশের দেড় হাজার কোটি টাকার বিপরীতে মোট ২ হাজার ১৮৬টি বিল জাল-জালিয়াতিপূর্ণ বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। ওই সব বিলের বিপরীতে ৩৭টি ব্যাংকের ১১০টি শাখা থেকে তুলে নেওয়া হয় সেই দেড় হাজার কোটি টাকা। তবে বিলের বিপরীতে অর্থ ছাড় করা হয়নি, যা সোনালী ব্যাংকের জন্য নন-ফান্ডেড।

সোনালী ব্যাংক সূত্র জানায়, দুদক একাধিকার চিঠি দিয়ে ওই প্রতিবেদন চেয়েছিল। সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থেই ১ হাজার ১০০ কোটি টাকার বিপরীতে ১ হাজার ৫৮১টি বিলের প্রতিবেদন দুদকের কাছে পাঠানো হয়েছে।

তারা জানিয়েছে, হল-মার্ক কেলেঙ্কারি-সম্পর্কিত নন-ফান্ডেড অংশের আর কোনো প্রতিবেদন তাদের কাছে নেই।

জানা গেছে, হল-মার্ক কেলেঙ্কারি ধরা পড়ার পর সোনালী ব্যাংক নন-ফান্ডেড অংশের দেড় হাজার কোটি টাকার হিসাব বের করলেও এখন বলছে ১ হাজার ৪০০ কোটি টাকা। এর মধ্য থেকে ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা আত্মসাতের প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে দুদকে।

কারণ হিসেবে ব্যাংকটি বলেছে, তাদের স্থানীয় ও বৈদেশিক শাখা মিলে স্বীকৃত বিলের বিপরীতে বাকি ৩০০ কোটি টাকা পরিশোধ করেছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিশোধ করা ২২৫ বিলের বিপরীতে ৭৫ কোটি টাকাও রয়েছে।

ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্সের (আইসিসি) ইউনিফর্ম কাস্টমস অ্যান্ড প্র্যাকটিস ফর ডকুমেন্টারি ক্রেডিটসের (ইউসিপিডিসি) বিধানে স্বীকৃত বিলের বিপরীতে নন-ফান্ডেড অর্থ ছাড়ের কথা বলা হয়েছে। তবে, ফ্রড (ভুয়া) বিলের ক্ষেত্রে এ বিধান প্রযোজ্য নয়। এ ক্ষেত্রে সোনালী ব্যাংকের আইনজীবীরা জালিয়াতিপূর্ণ বিলগুলোর বিষয়ে আদালতের সিদ্ধান্তের মাধ্যমে নিষ্পত্তির পরামর্শ দিয়েছেন।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

“বাঙ্গরা বাজার থানা সমিতি-ঢাকা’র নির্বাচন সভাপতি মোমেন, সাধারণ সম্পাদক আবির

হল-মার্ক কেলেঙ্কারি: নন-ফান্ডেড অংশের অনুসন্ধানে দুদকের দল

আপডেট টাইম : ০২:৪২:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫

ঢাকা: হল-মার্ক কেলেঙ্কারির নন-ফান্ডেড অংশের দুর্নীতি অনুসন্ধানে বুধবার দুদকের অনুসন্ধান দল গঠন করেছে কমিশন।

গত মাসেই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

উপরিচালক মীর জয়নুল আবেদীন শিবলীর নেতৃত্বে একটি দল অভিযোগটির অনুসন্ধান করবে বলে জানা গেছে।

দলের অন্য সদস্যরা হলেন- সহকারী পরিচালক নাজমুস সাদাত ও সেলিনা আক্তার মনি। এর আগে মীর জয়নুল আবেদীন শিবলীর নেতৃত্বেই আট সদস্যের একটি দল হল-মার্ক কেলেঙ্কারির ফান্ডেড অংশের অনুসন্ধান ও তদন্ত শেষ করে।

দুদকের উচ্চ পর্যায়ের এক কর্মকর্তা বলেন, হল-মার্কের নন-ফান্ডেড অংশের পুরো রিপোর্ট না পাওয়ায় এর অনুসন্ধানে প্রায় দু’বছর দেরি হয়েছে। এখন পুরোদমে অনুসন্ধানের মাধ্যমে দেশের ব্যাংকিং খাতের বড় লুটপাটের ঘটনার অনুসন্ধান শেষ হবে।

দুদকের এক চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ জুন সোনালী ব্যাংক কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ব্যাংকের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য অর্থায়ন বিভাগ থেকে দুদকের বিশেষ অনুসন্ধান ও তদন্ত বিভাগের কাছে প্রায় ছয় হাজার পৃষ্ঠার প্রতিবেদনটি পাঠানো হয়। প্রতিবেদনে ১ হাজার ৫৮১ বিলের বিপরীতে ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।

প্রতিবেদনটি পাওয়ার পর ২২ জুন কমিশনের নিয়মিত সভায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে সোনালী ব্যাংকের পক্ষ থেকে পাঠানো হল-মার্কের নন-ফান্ডেড অংশের তদন্ত প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ তৈরি করে কমিশনের কাছে উপস্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগকে দায়িত্ব দেয়া হয়। গত মাসে সারসংক্ষেপ কমিশনের বৈঠকে উপস্থাপিত হওয়ার পর হল-মার্ক কেলেঙ্কারির নন-ফান্ডেড অংশের অনুসন্ধানের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন।

দুদক সূত্র জানায়, হল-মার্কসহ ছয়টি কোম্পানি সোনালী ব্যাংকের রূপসী বাংলা হোটেল শাখা থেকে ৩ হাজার ৫৬৯ কোটি টাকা আত্মসাৎ করে। এ কেলেঙ্কারি নিয়ে দুদক অনুসন্ধান শুরু করে ২০১২ সালে। এর মধ্যে স্বীকৃত বিলের বিপরীতে সোনালী ব্যাংকের পরিশোধ করা ফান্ডেড ১ হাজার ৫৬৮ কোটি টাকা আত্মসাতের ঘটনা অনুসন্ধান শেষে ২০১২ সালের ৪ অক্টোবর হল-মার্ক গ্র“পের এমডি তানভীর মাহমুদ, তাঁর স্ত্রী ও গ্র“পের চেয়ারম্যান জেসমিন ইসলাম, সোনালী ব্যাংকের সাবেক এমডি হুমায়ুন কবির, সোনালী ব্যাংকের রূপসী বাংলা হোটেল শাখার ডিজিএম এ কে এম আজিজুর রহমানসহ ২৭ জনকে আসামি করে ১১টি মামলা করে দুদক।

হল-মার্কের এমডি তানভীরসহ কয়েকজন আসামি বর্তমানে কারাগারে। এ কে এম আজিজুর রহমান মারা গেছেন। এসব মামলার তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্রও দেয়া হয়। ৩৮৬ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বাকি ৫ কোম্পানির বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে ২৭টি।

কিন্তু ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে হল-মার্ককে মালামাল সরবরাহের নামে নন-ফান্ডেড দেড় হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের অভাবে এত দিন অনুসন্ধান শুরু করা যায়নি। এ কারণে দেশের ব্যাংকিং খাতের সবচেয়ে বড় কেলেঙ্কারির পূর্ণাঙ্গ অনুসন্ধান আজো শেষ করা যায়নি।

হল-মার্ক কেলেঙ্কারিতে সোনালী ব্যাংকের রূপসী বাংলা শাখা থেকে হল-মার্কের নামে বিপুল পরিমাণ অর্থ ছাড়ের পাশাপাশি হল-মার্ক গ্র“পকে পণ্য সরবরাহের নামে কিছু বিলের বিপরীতে ৩৭টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকেও অর্থ তুলে নেয়া হয়। বিলগুলোর বিপরীতে সোনালী ব্যাংকের রূপসী বাংলা হোটেল শাখা থেকে ওই সব বাণিজ্যিক ব্যাংককে স্বীকৃতিপত্র দেয়া হয়েছে। সোনালী ব্যাংকের রূপসী বাংলা শাখা থেকে হল-মার্কের নামে যে পরিমাণ অর্থ ছাড় হয়েছে, সেটা ফান্ডেড। আর এ প্রক্রিয়ায় অন্য ব্যাংক সোনালী ব্যাংকের কাছে যা পাবে, তা নন-ফান্ডেড। সোনালী ব্যাংকের তদন্তে নন-ফান্ডেড অংশের দেড় হাজার কোটি টাকার বিপরীতে মোট ২ হাজার ১৮৬টি বিল জাল-জালিয়াতিপূর্ণ বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। ওই সব বিলের বিপরীতে ৩৭টি ব্যাংকের ১১০টি শাখা থেকে তুলে নেওয়া হয় সেই দেড় হাজার কোটি টাকা। তবে বিলের বিপরীতে অর্থ ছাড় করা হয়নি, যা সোনালী ব্যাংকের জন্য নন-ফান্ডেড।

সোনালী ব্যাংক সূত্র জানায়, দুদক একাধিকার চিঠি দিয়ে ওই প্রতিবেদন চেয়েছিল। সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থেই ১ হাজার ১০০ কোটি টাকার বিপরীতে ১ হাজার ৫৮১টি বিলের প্রতিবেদন দুদকের কাছে পাঠানো হয়েছে।

তারা জানিয়েছে, হল-মার্ক কেলেঙ্কারি-সম্পর্কিত নন-ফান্ডেড অংশের আর কোনো প্রতিবেদন তাদের কাছে নেই।

জানা গেছে, হল-মার্ক কেলেঙ্কারি ধরা পড়ার পর সোনালী ব্যাংক নন-ফান্ডেড অংশের দেড় হাজার কোটি টাকার হিসাব বের করলেও এখন বলছে ১ হাজার ৪০০ কোটি টাকা। এর মধ্য থেকে ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা আত্মসাতের প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে দুদকে।

কারণ হিসেবে ব্যাংকটি বলেছে, তাদের স্থানীয় ও বৈদেশিক শাখা মিলে স্বীকৃত বিলের বিপরীতে বাকি ৩০০ কোটি টাকা পরিশোধ করেছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিশোধ করা ২২৫ বিলের বিপরীতে ৭৫ কোটি টাকাও রয়েছে।

ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্সের (আইসিসি) ইউনিফর্ম কাস্টমস অ্যান্ড প্র্যাকটিস ফর ডকুমেন্টারি ক্রেডিটসের (ইউসিপিডিসি) বিধানে স্বীকৃত বিলের বিপরীতে নন-ফান্ডেড অর্থ ছাড়ের কথা বলা হয়েছে। তবে, ফ্রড (ভুয়া) বিলের ক্ষেত্রে এ বিধান প্রযোজ্য নয়। এ ক্ষেত্রে সোনালী ব্যাংকের আইনজীবীরা জালিয়াতিপূর্ণ বিলগুলোর বিষয়ে আদালতের সিদ্ধান্তের মাধ্যমে নিষ্পত্তির পরামর্শ দিয়েছেন।