পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

চরফ্যাশনের ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের খোঁজ নিচ্ছে না কেউ

ভোলা: ভোলার চরফ্যাশন বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৩৫টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়ী ও শতাধিক কর্মচারী অসহায় হয়ে পড়েছে। তাদের দিন কাটছে খেয়ে না খেয়ে। ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ৪ দিন অতিবাহিত হলেও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী ও কর্মচারীদের পরিবারের খোঁজ নেয়নি কেউ। সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে কোন সহযোগিতা পায়নি এসব ব্যবসায়ী ও কর্মচারীরা। ক্ষতিগ্রস্ত ৩৫টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিকদের প্রায় ২০ কোটি টাকা ক্ষয়ক্ষতি ও ব্যাংকিং ঋণ মাথায় নিয়ে অজানা আতংকের মধ্য রয়েছেন তারা।

জানা যায়, গত ৬ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে চরফ্যাশন বাজারের কাপড় পট্টি ও সোনালী রোডের ব্যবসায়ীরা প্রতি দিনের ন্যায় ব্যবসা করে রাতে দোকান বন্ধ করে বাড়িতে চলে যায়। কিন্তু রাত পৌনে ২টায় সোনালী রোডের ভূঁইয়া হোটেল থেকে বিদ্যুতের শর্টসার্কিটের মাধ্যমে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। অগ্নিকা-ের সংবাদ পেয়ে চরফ্যাশন, লালমোহন, তজুমদ্দিন ও বোরহানউদ্দিনের ফায়ার সার্ভিসের ৬টি ইউনিটের চেষ্টায় ভোর সাড়ে ৪টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। আর এরইমধ্যে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৩৫টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণরূপে পুড়ে ছাই হয়ে যায়। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো পুড়ে গিয়ে একমাত্র আয়ের উৎস বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর মালিক ও শতাধিক কর্মচারী বেকার হয়ে পড়ে। অগ্নিকা-ের ৪দিন অতিবাহিত হলেও আইনি জটিলতা ও অর্থনৈতিক দৈন্যতার কারণে নতুন করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর গৃহনির্মাণ করা সম্ভব হয়নি। নতুন করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান শুরু করতে না পারার ফলে অর্ধাহারে অনাহারে এসব পরিবারের দিন কাটছে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা জানান, অগ্নিকা- পরবর্তী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থার ব্যক্তিবর্গ ঘটনাস্থলে এসে ব্যবসায়ীদের খোঁজ নিলেও অর্থনৈতিকভাবে কেউ সহযোগিতার হাত বাড়ায়নি।

এদিকে চরফ্যাশন বাজারের ২টি পুকুর ভরাট করে বাণিজ্যিক কেন্দ্র করায় জরুরি মুহূর্তে আগুন নিভাতে পানির স্বল্পতায় পড়তে হয় অগ্নিনির্বাপক কর্মীদের। ফলে দূর থেকে পানি সংগ্রহ করে আনতে বিলম্ব হওয়ায় পুড়ে যায় ব্যবসা কেন্দ্রগুলো।

উল্লেখ্য, গত এক যুগে চরফ্যাশন বাজারে কমপক্ষে ১৫ বার অগ্নিকা-ের ঘটনা ঘটেছে। এতে কোটি কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হলেও উল্লেখ করার মতো কোনো সহযোগিতা পায়নি তারা।

Tag :

বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ

চরফ্যাশনের ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের খোঁজ নিচ্ছে না কেউ

আপডেট টাইম : ০৫:০৩:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৫

ভোলা: ভোলার চরফ্যাশন বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৩৫টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়ী ও শতাধিক কর্মচারী অসহায় হয়ে পড়েছে। তাদের দিন কাটছে খেয়ে না খেয়ে। ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ৪ দিন অতিবাহিত হলেও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী ও কর্মচারীদের পরিবারের খোঁজ নেয়নি কেউ। সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে কোন সহযোগিতা পায়নি এসব ব্যবসায়ী ও কর্মচারীরা। ক্ষতিগ্রস্ত ৩৫টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিকদের প্রায় ২০ কোটি টাকা ক্ষয়ক্ষতি ও ব্যাংকিং ঋণ মাথায় নিয়ে অজানা আতংকের মধ্য রয়েছেন তারা।

জানা যায়, গত ৬ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে চরফ্যাশন বাজারের কাপড় পট্টি ও সোনালী রোডের ব্যবসায়ীরা প্রতি দিনের ন্যায় ব্যবসা করে রাতে দোকান বন্ধ করে বাড়িতে চলে যায়। কিন্তু রাত পৌনে ২টায় সোনালী রোডের ভূঁইয়া হোটেল থেকে বিদ্যুতের শর্টসার্কিটের মাধ্যমে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। অগ্নিকা-ের সংবাদ পেয়ে চরফ্যাশন, লালমোহন, তজুমদ্দিন ও বোরহানউদ্দিনের ফায়ার সার্ভিসের ৬টি ইউনিটের চেষ্টায় ভোর সাড়ে ৪টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। আর এরইমধ্যে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৩৫টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণরূপে পুড়ে ছাই হয়ে যায়। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো পুড়ে গিয়ে একমাত্র আয়ের উৎস বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর মালিক ও শতাধিক কর্মচারী বেকার হয়ে পড়ে। অগ্নিকা-ের ৪দিন অতিবাহিত হলেও আইনি জটিলতা ও অর্থনৈতিক দৈন্যতার কারণে নতুন করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর গৃহনির্মাণ করা সম্ভব হয়নি। নতুন করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান শুরু করতে না পারার ফলে অর্ধাহারে অনাহারে এসব পরিবারের দিন কাটছে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা জানান, অগ্নিকা- পরবর্তী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থার ব্যক্তিবর্গ ঘটনাস্থলে এসে ব্যবসায়ীদের খোঁজ নিলেও অর্থনৈতিকভাবে কেউ সহযোগিতার হাত বাড়ায়নি।

এদিকে চরফ্যাশন বাজারের ২টি পুকুর ভরাট করে বাণিজ্যিক কেন্দ্র করায় জরুরি মুহূর্তে আগুন নিভাতে পানির স্বল্পতায় পড়তে হয় অগ্নিনির্বাপক কর্মীদের। ফলে দূর থেকে পানি সংগ্রহ করে আনতে বিলম্ব হওয়ায় পুড়ে যায় ব্যবসা কেন্দ্রগুলো।

উল্লেখ্য, গত এক যুগে চরফ্যাশন বাজারে কমপক্ষে ১৫ বার অগ্নিকা-ের ঘটনা ঘটেছে। এতে কোটি কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হলেও উল্লেখ করার মতো কোনো সহযোগিতা পায়নি তারা।