অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক

লক্ষ্মীপুরে শিশুকে গাছে বেঁধে ব্লেড দিয়ে শরীর কেটে নির্যাতন করেছে সন্ত্রাসীরা

লক্ষ্মীপুর: মাদ্রাসায় পড়ুয়া সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে ব্লেড দিয়ে শরীরের বিভিন্ন অংশ কেটে নির্যাতন করেছে সন্ত্রাসীরা। মঙ্গলবার দুপুরে সদর উপজেলার পার্বতীনগর ইউনিয়ন এলাকায় এঘটনাটি ঘটেছে।

এর আগে গত ২৭ আগস্ট একই এলাকায় একইভাবে নির্যাতন করা হয় ওই মাদ্রাসাছাত্রীর অপর এক সহপাঠীকে। তিনি ওই নির্যাতনের ঘটনায় দায়ের করা মামলার সাক্ষী বলে জানা গেছে। মঙ্গলবারের নির্যাতনে জড়িত থাকার অভিযোগে একজনকে আটকের পর গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয়রা।

স্থানীয়রা জানায়, সদর উপজেলার পার্বতীনগর ইউনিয়নের সোনাপুর এলাকার নুরুল আলম ও কামাল গংয়ের সঙ্গে একই এলাকার শাহ আলম গংয়ের জমি সংক্রান্ত বিরোধ দীর্ঘ দিন ধরে চলে আসছিল। তারই জের ধরে গত ২৭ অক্টোবর মাদ্রাসায় যাওয়ার পথে কামালের মেয়েকে স্থানীয় একটি বাগানে নিয়ে গাছের সঙ্গে হাত-পা বেঁধে ব্লেড দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে কিরণ, ভুলুসহ স্থানীয় বাসার বাহিনীর সন্ত্রাসীরা।

এই প্রধান সাক্ষী ছিল ওই ছাত্রীর সহপাঠী। মঙ্গলবার দুপুরে ওই সহপাঠীর বাড়ি থেকে আহত সহপাঠীকে দেখতে যাওয়ার পথে তার পথরোধ করে কিরণ, ভুলু, তসলিম ও কাজল নামের কয়েকজন সন্ত্রাসী। তারা ওই ছাত্রীকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে পাশের সুপারি বাগানে নিয়ে যায়। সেখানে মুখে ওড়না পেঁচিয়ে এবং মাথায় আঘাত করে নির্যাতন করা হয়।

একপর্যায়ে সন্ত্রাসীরা তার শরীরে ব্লেড দিয়ে কেটে নির্যাতন করে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় ফেলে রেখে চলে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে আহত অবস্থায় বাগানে থেকে উদ্ধার করে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন। এ ছাড়া তসলিম নামের এক সন্ত্রাসীকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে এলাকাবাসী।

লক্ষ্মীপুর সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবদুর রব জানান, এক ছাত্রী নির্যাতনের মামলার প্রধান সাক্ষী ছিল ওই ছাত্রী। তার জের ধরেই সন্ত্রাসীরা তাকে শারীরিক নির্যাতন করেছে। এ বিষয়ে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

Tag :

সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো

লক্ষ্মীপুরে শিশুকে গাছে বেঁধে ব্লেড দিয়ে শরীর কেটে নির্যাতন করেছে সন্ত্রাসীরা

আপডেট টাইম : ০৭:১০:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৫

লক্ষ্মীপুর: মাদ্রাসায় পড়ুয়া সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে ব্লেড দিয়ে শরীরের বিভিন্ন অংশ কেটে নির্যাতন করেছে সন্ত্রাসীরা। মঙ্গলবার দুপুরে সদর উপজেলার পার্বতীনগর ইউনিয়ন এলাকায় এঘটনাটি ঘটেছে।

এর আগে গত ২৭ আগস্ট একই এলাকায় একইভাবে নির্যাতন করা হয় ওই মাদ্রাসাছাত্রীর অপর এক সহপাঠীকে। তিনি ওই নির্যাতনের ঘটনায় দায়ের করা মামলার সাক্ষী বলে জানা গেছে। মঙ্গলবারের নির্যাতনে জড়িত থাকার অভিযোগে একজনকে আটকের পর গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয়রা।

স্থানীয়রা জানায়, সদর উপজেলার পার্বতীনগর ইউনিয়নের সোনাপুর এলাকার নুরুল আলম ও কামাল গংয়ের সঙ্গে একই এলাকার শাহ আলম গংয়ের জমি সংক্রান্ত বিরোধ দীর্ঘ দিন ধরে চলে আসছিল। তারই জের ধরে গত ২৭ অক্টোবর মাদ্রাসায় যাওয়ার পথে কামালের মেয়েকে স্থানীয় একটি বাগানে নিয়ে গাছের সঙ্গে হাত-পা বেঁধে ব্লেড দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে কিরণ, ভুলুসহ স্থানীয় বাসার বাহিনীর সন্ত্রাসীরা।

এই প্রধান সাক্ষী ছিল ওই ছাত্রীর সহপাঠী। মঙ্গলবার দুপুরে ওই সহপাঠীর বাড়ি থেকে আহত সহপাঠীকে দেখতে যাওয়ার পথে তার পথরোধ করে কিরণ, ভুলু, তসলিম ও কাজল নামের কয়েকজন সন্ত্রাসী। তারা ওই ছাত্রীকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে পাশের সুপারি বাগানে নিয়ে যায়। সেখানে মুখে ওড়না পেঁচিয়ে এবং মাথায় আঘাত করে নির্যাতন করা হয়।

একপর্যায়ে সন্ত্রাসীরা তার শরীরে ব্লেড দিয়ে কেটে নির্যাতন করে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় ফেলে রেখে চলে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে আহত অবস্থায় বাগানে থেকে উদ্ধার করে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন। এ ছাড়া তসলিম নামের এক সন্ত্রাসীকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে এলাকাবাসী।

লক্ষ্মীপুর সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবদুর রব জানান, এক ছাত্রী নির্যাতনের মামলার প্রধান সাক্ষী ছিল ওই ছাত্রী। তার জের ধরেই সন্ত্রাসীরা তাকে শারীরিক নির্যাতন করেছে। এ বিষয়ে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।