অপরাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo “বাঙ্গরা বাজার থানা সমিতি-ঢাকা’র নির্বাচন সভাপতি মোমেন, সাধারণ সম্পাদক আবির Logo পাটগ্রামে দবির উদ্দিন চিকিৎসা সহায়তা ফাউন্ডেশনের নগদ সহায়তা প্রদান Logo পাটগ্রামে ইহসান ইয়ুথ সার্কেলের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি Logo কায়েতপাড়ায় বসতভিটা রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের মানুষের থানায় গণঅভিযোগ Logo পাটগ্রামে জমি নিয়ে বিরোধে প্রতিপক্ষের হামলা, নারীসহ আহত ৪ Logo পাটগ্রামে রাস্তা ভেঙে চলাচল বন্ধ প্রায় দুই হাজার পরিবারের চলাচলে দুর্ভোগ Logo কুষ্টিয়ায় শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেপ্তার Logo জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস আজ Logo পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ Logo নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে আহসানুজ্জামানের দুর্নীতির অভিযোগ

‘সিএনজি’ ফিলিং স্টেশন বন্ধ থাকায় দুর্ভোগ

ঢাকা: সাধারণত ঈদের পরদিনই মানুষ আপনজনদের নিয়ে ঘুরতে বের হন। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি রাজধানী ঢাকায় । কিন্তু ঘর থেকে বের হয়েই পড়তে হয়েছে বিপাকে । কারণ, ২৪ ঘণ্টা গ্যাস (সিএনজি) সরবরাহ বন্ধ! ঈদের ছুটির সময় ঢাকার রাস্তায় গণপরিবহনের সংখ্যা এমনিতেই কম থাকে। কোথাও বেড়াতে যেতে চাইলে প্রধান বাহন হয় সিএনজিচালিত অটোরিকশা বা রিকশা।

কিন্তু ঈদের পরদিন শনিবার প্রথম প্রহর থেকে গ্যাস না পাওয়ায় সকাল থেকে রাস্তায় অটো রিকশা দেখা গেছে একেবারেই কম। ছুটির মধ্যে সব রাস্তায় রিকশা চললেও বেশি দূরত্বের যাত্রীদের তাতে সুবিধা হচ্ছে না, চালকরা ভাড়াও চাইছে বেশি। কোথাও দ্বিগুন ভাড়া নিচ্ছে।

সকালে বিভিন্ন গন্তব্যের উদ্দেশে বের হয়ে রাস্তা-ঘাট খাঁ খাঁ অবস্থায় দেখে বিপাকে পড়েছেন অনেকেই। কয়েকজন পথচারি জানালেন,‘ ঈদের সময় অটোরিকশাই চলাচলের প্রধান বাহন। কিন্তু গ্যাস বন্ধ থাকায় সেটাও পাচ্ছি না।’

বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্রের জরুরি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ঈদের দিন শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টা থেকে শনিবার দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত সিএনজি স্টেশনে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রাখার ঘোষণা আগেই এসেছিল। এ কারণে শুক্রবার সন্ধ্যা থেকেই রাজধানীর ফিলিং স্টেশনগুলোতে যানবাহনের লাইন দেখা যায়।

ফলে যারা রাতে গ্যাস নিয়েছেন তাদেরও দিন পার করার নিশ্চয়তা নেই। এ কারণে অনেকেই গাড়ি বের করেননি। জয়নাল নামে একজন অটোরিকশা চালক বলেন, যারা রাতে গ্যাস নিতে পেরেছে তারা সকালে বের হয়েছে। গ্যাস শেষ হয়ে গেলে রাত পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। অনেক ড্রাইভার দুপুরের পরে বের হবে। তারা যতক্ষণ পারবে চালাবে। এজন্য রাস্তায় গাড়ি কম।

মগবাজারের বাসিন্দা আবুল হোসেন বলেন, ঈদের ছুটিতে রাজধানীবাসী অটোরিকশা, লেগুনা আর অল্প সংখ্যক বাসেই চলাচল করতে পারে।কিন্তু শনিবার সকালে বাসা থেকে বেরিয়ে বাহন পেতে ঝামেলা পোহাতে হয়েছে তাকে। গুলশান যেতে হবে। মালিবাগ রেলগেট থেকে লেগুনা করে যাব ভেবেছিলাম; কিন্তু কিছুই পাচ্ছি না। রিকশাও অনেক ভাড়া চাইছে।

মালিবাগ চৌধুরী পাড়ার মেসার্স সিটি ওভারসিজ সিএনজি লিমিটেডের জনৈক কর্মী জানান, এক সপ্তাহ আগে তাদের নোটিস দিয়ে শুক্রবার রাত ১২টা থেকে স্টেশন বন্ধ রাখতে বলা হয়েছিল। সে অনুযায়ী তারা গেট বন্ধ করে বসে আছেন। রাত ১২টায় আবার খুলবেন।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

“বাঙ্গরা বাজার থানা সমিতি-ঢাকা’র নির্বাচন সভাপতি মোমেন, সাধারণ সম্পাদক আবির

‘সিএনজি’ ফিলিং স্টেশন বন্ধ থাকায় দুর্ভোগ

আপডেট টাইম : ১২:০৯:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৫

ঢাকা: সাধারণত ঈদের পরদিনই মানুষ আপনজনদের নিয়ে ঘুরতে বের হন। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি রাজধানী ঢাকায় । কিন্তু ঘর থেকে বের হয়েই পড়তে হয়েছে বিপাকে । কারণ, ২৪ ঘণ্টা গ্যাস (সিএনজি) সরবরাহ বন্ধ! ঈদের ছুটির সময় ঢাকার রাস্তায় গণপরিবহনের সংখ্যা এমনিতেই কম থাকে। কোথাও বেড়াতে যেতে চাইলে প্রধান বাহন হয় সিএনজিচালিত অটোরিকশা বা রিকশা।

কিন্তু ঈদের পরদিন শনিবার প্রথম প্রহর থেকে গ্যাস না পাওয়ায় সকাল থেকে রাস্তায় অটো রিকশা দেখা গেছে একেবারেই কম। ছুটির মধ্যে সব রাস্তায় রিকশা চললেও বেশি দূরত্বের যাত্রীদের তাতে সুবিধা হচ্ছে না, চালকরা ভাড়াও চাইছে বেশি। কোথাও দ্বিগুন ভাড়া নিচ্ছে।

সকালে বিভিন্ন গন্তব্যের উদ্দেশে বের হয়ে রাস্তা-ঘাট খাঁ খাঁ অবস্থায় দেখে বিপাকে পড়েছেন অনেকেই। কয়েকজন পথচারি জানালেন,‘ ঈদের সময় অটোরিকশাই চলাচলের প্রধান বাহন। কিন্তু গ্যাস বন্ধ থাকায় সেটাও পাচ্ছি না।’

বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্রের জরুরি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ঈদের দিন শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টা থেকে শনিবার দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত সিএনজি স্টেশনে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রাখার ঘোষণা আগেই এসেছিল। এ কারণে শুক্রবার সন্ধ্যা থেকেই রাজধানীর ফিলিং স্টেশনগুলোতে যানবাহনের লাইন দেখা যায়।

ফলে যারা রাতে গ্যাস নিয়েছেন তাদেরও দিন পার করার নিশ্চয়তা নেই। এ কারণে অনেকেই গাড়ি বের করেননি। জয়নাল নামে একজন অটোরিকশা চালক বলেন, যারা রাতে গ্যাস নিতে পেরেছে তারা সকালে বের হয়েছে। গ্যাস শেষ হয়ে গেলে রাত পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। অনেক ড্রাইভার দুপুরের পরে বের হবে। তারা যতক্ষণ পারবে চালাবে। এজন্য রাস্তায় গাড়ি কম।

মগবাজারের বাসিন্দা আবুল হোসেন বলেন, ঈদের ছুটিতে রাজধানীবাসী অটোরিকশা, লেগুনা আর অল্প সংখ্যক বাসেই চলাচল করতে পারে।কিন্তু শনিবার সকালে বাসা থেকে বেরিয়ে বাহন পেতে ঝামেলা পোহাতে হয়েছে তাকে। গুলশান যেতে হবে। মালিবাগ রেলগেট থেকে লেগুনা করে যাব ভেবেছিলাম; কিন্তু কিছুই পাচ্ছি না। রিকশাও অনেক ভাড়া চাইছে।

মালিবাগ চৌধুরী পাড়ার মেসার্স সিটি ওভারসিজ সিএনজি লিমিটেডের জনৈক কর্মী জানান, এক সপ্তাহ আগে তাদের নোটিস দিয়ে শুক্রবার রাত ১২টা থেকে স্টেশন বন্ধ রাখতে বলা হয়েছিল। সে অনুযায়ী তারা গেট বন্ধ করে বসে আছেন। রাত ১২টায় আবার খুলবেন।