অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo পাটগ্রামে দবির উদ্দিন চিকিৎসা সহায়তা ফাউন্ডেশনের নগদ সহায়তা প্রদান Logo পাটগ্রামে ইহসান ইয়ুথ সার্কেলের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি Logo কায়েতপাড়ায় বসতভিটা রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের মানুষের থানায় গণঅভিযোগ Logo পাটগ্রামে জমি নিয়ে বিরোধে প্রতিপক্ষের হামলা, নারীসহ আহত ৪ Logo পাটগ্রামে রাস্তা ভেঙে চলাচল বন্ধ প্রায় দুই হাজার পরিবারের চলাচলে দুর্ভোগ Logo কুষ্টিয়ায় শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেপ্তার Logo জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস আজ Logo পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ Logo নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে আহসানুজ্জামানের দুর্নীতির অভিযোগ Logo গণপূর্তে খালেকুজ্জামান সিন্ডিকেটের ‘রাজত্ব’ দেখার যেনো কেউ নেই

রূপগঞ্জে যুবলীগ-মহিলা লীগের দফায় দফায় সংঘর্ষ অফিস ভাঙচুর, আহত ১৭

রূপগঞ্জে মাদক ব্যবসায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে যুবলীগ ও মহিলা লীগের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। একপর্যায়ে যুবলীগ সমর্থকরা মহিলা লীগের অফিস ভাঙচুর করে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সংঘর্ষে উভয়পক্ষে ১৭ জন আহত হয়েছে। গত সোমবার রাত সাড়ে ১১টার থেকে পৌনে একটা পর্যন্ত দফায় দফায় চলে এ সংঘর্ষ। উপজেলার কায়েতপাড়া ইউনিয়নের চনপাড়া পুনর্বাসন কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানান, চনপাড়া পুনর্বাসন (বস্তি) কেন্দ্রের যুবলীগ নেতা আনোয়ারের সঙ্গে মহিলা লীগের সভাপতি নাজমা বেগমের মাদক কারবার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। গত সোমবার রাত ৮টার দিকে মহিলা লীগ সভাপতি নাজমা বেগমের মেয়ের জামাতা মাদক কারবারি নাঈম মিয়া ফেনসিডিল নিয়ে তার বাড়িতে ফিরছিল। এ সময় আনোয়ারের লোকজন তাকে আটক করে মারধর করে। এ খবর নাজমা বেগম পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সে ও তার লোকজন দেশী অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আনোয়ারের লোকজনের ওপর হামলা করে মেয়ের জামাতা নাঈম মিয়াকে ছিনিয়ে আনে। এর জের ধরে রাত সাড়ে ১১টার দিকে উভয়পক্ষের লোকজন দেশী অস্ত্রশস্ত্রে ফের সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে দু’পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় যুবলীগ নেতা আনোয়ারের সমর্থকরা মহিলা লীগের অফিস ভাঙচুর করে। সংঘর্ষে নাঈম মিয়া, লিটন মিয়া, নাজমা বেগম, আনোয়ার হোসেন, মোক্তার হোসেন, জুয়েল রানা, রাজা মিয়াসহ উভয়পক্ষে ১১ জন আহত হয়েছে। রাত পৌনে একটার দিকে এ ঘটনার জেরে দু’পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় উভয়পক্ষের আরও ৬ জন আহত হয়। পরে পুলিশ পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। এ ব্যাপারে রূপগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মাহমুদুল ইসলাম বলেন, ঘটনা জানার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে। সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

পাটগ্রামে দবির উদ্দিন চিকিৎসা সহায়তা ফাউন্ডেশনের নগদ সহায়তা প্রদান

রূপগঞ্জে যুবলীগ-মহিলা লীগের দফায় দফায় সংঘর্ষ অফিস ভাঙচুর, আহত ১৭

আপডেট টাইম : ০২:২১:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০১৫

রূপগঞ্জে মাদক ব্যবসায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে যুবলীগ ও মহিলা লীগের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। একপর্যায়ে যুবলীগ সমর্থকরা মহিলা লীগের অফিস ভাঙচুর করে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সংঘর্ষে উভয়পক্ষে ১৭ জন আহত হয়েছে। গত সোমবার রাত সাড়ে ১১টার থেকে পৌনে একটা পর্যন্ত দফায় দফায় চলে এ সংঘর্ষ। উপজেলার কায়েতপাড়া ইউনিয়নের চনপাড়া পুনর্বাসন কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানান, চনপাড়া পুনর্বাসন (বস্তি) কেন্দ্রের যুবলীগ নেতা আনোয়ারের সঙ্গে মহিলা লীগের সভাপতি নাজমা বেগমের মাদক কারবার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। গত সোমবার রাত ৮টার দিকে মহিলা লীগ সভাপতি নাজমা বেগমের মেয়ের জামাতা মাদক কারবারি নাঈম মিয়া ফেনসিডিল নিয়ে তার বাড়িতে ফিরছিল। এ সময় আনোয়ারের লোকজন তাকে আটক করে মারধর করে। এ খবর নাজমা বেগম পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সে ও তার লোকজন দেশী অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আনোয়ারের লোকজনের ওপর হামলা করে মেয়ের জামাতা নাঈম মিয়াকে ছিনিয়ে আনে। এর জের ধরে রাত সাড়ে ১১টার দিকে উভয়পক্ষের লোকজন দেশী অস্ত্রশস্ত্রে ফের সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে দু’পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় যুবলীগ নেতা আনোয়ারের সমর্থকরা মহিলা লীগের অফিস ভাঙচুর করে। সংঘর্ষে নাঈম মিয়া, লিটন মিয়া, নাজমা বেগম, আনোয়ার হোসেন, মোক্তার হোসেন, জুয়েল রানা, রাজা মিয়াসহ উভয়পক্ষে ১১ জন আহত হয়েছে। রাত পৌনে একটার দিকে এ ঘটনার জেরে দু’পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় উভয়পক্ষের আরও ৬ জন আহত হয়। পরে পুলিশ পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। এ ব্যাপারে রূপগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মাহমুদুল ইসলাম বলেন, ঘটনা জানার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে। সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।