পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

চবির শিক্ষক-বাসে হামলার ঘটনায় আটক ১৫

বাংলার খবর২৪.কম: 500x350_3ff4e72f1c25a62723df6d8426a8dd45_image_97751_0চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের দুটি শিক্ষকবাহী বাসে ভাঙচুর ও ককটেল হামলার ঘটনায় কমপক্ষে ১৫ জনকে আটক করা হয়েছে। বুধবার হাটহাজারী উপজেলার নন্দীরহাটের ছড়ারকূল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে পুলিশ।
আটককৃতরা হলেন মো. আখতারুজ্জামান (২২), সাব্বির হাওলাদার (২২), মো. ইউসুফ (২৩), ইমরান আলী (২৫) ও মো. তৌহিদ (২৩)। তাদের মধ্যে দুজনকে ঘটনাস্থল থেকে এবং অপর তিনজনকে পাশের মেস থেকে আটক করা হয়। বাকিদের নাম জানা যায়নি। পুলিশের দাবি, আটক সবাই শিবিরকর্মী।
পাঁচজনের মধ্যে দুজন হামলার সঙ্গে সরাসরি জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলেও দাবি করেছে পুলিশ।
হামলার প্রতিবাদে শিক্ষক সমিতির বিক্ষোভ

এদিকে শিক্ষকবাসে হামলার ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে শিক্ষক সমিতি। এ সময় তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান ধর্মঘট পালন করে।
হামলার ঘটনায় শিবিরকেই দায়ী করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা।
দুপুরে হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে শিক্ষকরা অভিযোগ করেন, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে প্রগতির সঙ্গে মৌলবাদ চলতে পারে না। শিক্ষকবাসে যারা হামলা চালিয়েছে তারা কখনোই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হতে পারে না। এদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে।
শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক বেনু কুমার দে’র সভাপতিত্বে এতে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নেতারা বক্তব্য দেন।
তারা অভিযোগ করেন, পিতৃতুল্য শিক্ষকরা জাতির কর্ণধার। তাদের ওপর হামলার মাধ্যমে ছাত্র নামধারীরা জঘন্যতম অপরাধ করেছে।
কর্মসূচির বিষয়ে অধ্যাপক বেনু কুমার দে বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে অনুরোধ করছি জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার। প্রশাসনের সিদ্ধান্তের পরে শিক্ষক সমিতির আরো কর্মসূচি দেবে। শিক্ষক সমিতির ছাড়াও ক্যাম্পাসে পৃথকভাবে মিছিল সমাবেশ করেছে আওয়ামী লীগ ও বাম সমর্থিত শিক্ষকদের সংগঠন হলুদ দল ও প্রগতিশীল ছাত্রজোট।”
এছাড়াও ঘটনার নিন্দা প্রকাশ ও জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে চবি সংবাদিক সমিতি, বিশ্ববিদ্যালয় অফিসার সমিতি, কর্মচারি সমিতি।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির নিন্দা

এদিকে শিক্ষক বাসে হামলার প্রদিবাদে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি (চবিসাস) নিন্দা জানিয়েছে।
সমিতির সভাপতি হুমায়ূন মাসুদ জানান, শিক্ষকবাসে হামলা একটি ন্যাক্কারজনক ঘটনা। আমরা প্রশাসনের কাছে দাবি জানায় হামলাকারীদের চিহ্নিত করে অতিদ্রুত তাদের কিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানাচ্ছি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সিরাজ উদ দৌল্লাহ জানান, আহত শিক্ষকদের ওপর হামলাকারীদের চিহ্নিত করে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে।

Tag :

বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ

চবির শিক্ষক-বাসে হামলার ঘটনায় আটক ১৫

আপডেট টাইম : ০৫:১৮:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৪

বাংলার খবর২৪.কম: 500x350_3ff4e72f1c25a62723df6d8426a8dd45_image_97751_0চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের দুটি শিক্ষকবাহী বাসে ভাঙচুর ও ককটেল হামলার ঘটনায় কমপক্ষে ১৫ জনকে আটক করা হয়েছে। বুধবার হাটহাজারী উপজেলার নন্দীরহাটের ছড়ারকূল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে পুলিশ।
আটককৃতরা হলেন মো. আখতারুজ্জামান (২২), সাব্বির হাওলাদার (২২), মো. ইউসুফ (২৩), ইমরান আলী (২৫) ও মো. তৌহিদ (২৩)। তাদের মধ্যে দুজনকে ঘটনাস্থল থেকে এবং অপর তিনজনকে পাশের মেস থেকে আটক করা হয়। বাকিদের নাম জানা যায়নি। পুলিশের দাবি, আটক সবাই শিবিরকর্মী।
পাঁচজনের মধ্যে দুজন হামলার সঙ্গে সরাসরি জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলেও দাবি করেছে পুলিশ।
হামলার প্রতিবাদে শিক্ষক সমিতির বিক্ষোভ

এদিকে শিক্ষকবাসে হামলার ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে শিক্ষক সমিতি। এ সময় তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান ধর্মঘট পালন করে।
হামলার ঘটনায় শিবিরকেই দায়ী করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা।
দুপুরে হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে শিক্ষকরা অভিযোগ করেন, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে প্রগতির সঙ্গে মৌলবাদ চলতে পারে না। শিক্ষকবাসে যারা হামলা চালিয়েছে তারা কখনোই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হতে পারে না। এদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে।
শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক বেনু কুমার দে’র সভাপতিত্বে এতে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নেতারা বক্তব্য দেন।
তারা অভিযোগ করেন, পিতৃতুল্য শিক্ষকরা জাতির কর্ণধার। তাদের ওপর হামলার মাধ্যমে ছাত্র নামধারীরা জঘন্যতম অপরাধ করেছে।
কর্মসূচির বিষয়ে অধ্যাপক বেনু কুমার দে বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে অনুরোধ করছি জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার। প্রশাসনের সিদ্ধান্তের পরে শিক্ষক সমিতির আরো কর্মসূচি দেবে। শিক্ষক সমিতির ছাড়াও ক্যাম্পাসে পৃথকভাবে মিছিল সমাবেশ করেছে আওয়ামী লীগ ও বাম সমর্থিত শিক্ষকদের সংগঠন হলুদ দল ও প্রগতিশীল ছাত্রজোট।”
এছাড়াও ঘটনার নিন্দা প্রকাশ ও জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে চবি সংবাদিক সমিতি, বিশ্ববিদ্যালয় অফিসার সমিতি, কর্মচারি সমিতি।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির নিন্দা

এদিকে শিক্ষক বাসে হামলার প্রদিবাদে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি (চবিসাস) নিন্দা জানিয়েছে।
সমিতির সভাপতি হুমায়ূন মাসুদ জানান, শিক্ষকবাসে হামলা একটি ন্যাক্কারজনক ঘটনা। আমরা প্রশাসনের কাছে দাবি জানায় হামলাকারীদের চিহ্নিত করে অতিদ্রুত তাদের কিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানাচ্ছি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সিরাজ উদ দৌল্লাহ জানান, আহত শিক্ষকদের ওপর হামলাকারীদের চিহ্নিত করে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে।