অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বনশ্রীতে মেগা বুকশপ ‘তিলোত্তমা’গ্র্যান্ড ওপেনিং Logo “বাঙ্গরা বাজার থানা সমিতি-ঢাকা’র নির্বাচন সভাপতি মোমেন, সাধারণ সম্পাদক আবির Logo পাটগ্রামে দবির উদ্দিন চিকিৎসা সহায়তা ফাউন্ডেশনের নগদ সহায়তা প্রদান Logo পাটগ্রামে ইহসান ইয়ুথ সার্কেলের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি Logo কায়েতপাড়ায় বসতভিটা রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের মানুষের থানায় গণঅভিযোগ Logo পাটগ্রামে জমি নিয়ে বিরোধে প্রতিপক্ষের হামলা, নারীসহ আহত ৪ Logo পাটগ্রামে রাস্তা ভেঙে চলাচল বন্ধ প্রায় দুই হাজার পরিবারের চলাচলে দুর্ভোগ Logo কুষ্টিয়ায় শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেপ্তার Logo জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস আজ Logo পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ

দ্বিতীয় দফায় অর্ধশত পৌরসভায় নির্বাচন

ডেস্ক: প্রথম দফায় ২৩৪ পৌরসভা নির্বাচন শেষে দ্বিতীয় দফায় আরো অর্ধশত পৌরসভায় নির্বাচন সম্পন্ন করতে চায় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ লক্ষ্যে সম্ভাব্য পৌরসভাগুলোর একটি তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। আগামী সপ্তাহে কমিশনের বৈঠকে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছে ইসির সংশ্লিষ্ট শাখা।

ইসি সূত্র জানায়, সারা দেশের ৩২৩টি পৌরসভার মধ্যে ২৩৪টি পৌরসভার নির্বাচন এরই মধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে। বাকি ৮৯টির মধ্যে ৩৮টি পৌরসভায় দীর্ঘদিন থেকে মামলা সংক্রান্ত জটিলতার কারণে এখনই নির্বাচন করা সম্ভব হবে না। কয়েকটিতে আগেই নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। এ ছাড়া ৪৮টি পৌরসভায় বিভিন্ন সময়ে মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে। কমিশনের নির্দেশে এসব পৌরসভার তালিকা করে নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। কমিশন সভায় অনুমোদন দিলে নির্বাচনের জন্য তফসিলের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বিভিন্ন সময়ে মেয়াদ শেষ হতে যাওয়া নির্বাচনযোগ্য ৪৮টি পৌরসভা হচ্ছে : ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ, ভোলার চরফ্যাশন, চাঁদপুরের সদর ও শাহরাস্তি, রংপুরের হারাগাছা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর, নবীনগর, বাঞ্ছারামপুর ও কসবা, ঝালকাঠি সদর, নোয়াখালীর সদর, সোনাইমুড়ী, কবিরহাট ও সেনবাগ, কুমিল্লার নাঙ্গলকোট, ফরিদপুরের ভাঙ্গা ও মধুখালী, কক্সবাজারের সদর, চকরিয়া, টেকনাফ ও মহেশখালী, ফেনীর সোনাগাজী ও ছাগলনাইয়া, খাগড়াছড়ির রামগড়, নরসিংদীর ঘোড়াশাল ও রায়পুরা, পাবনার আটঘরিয়া, দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট, নীলফামারীর ডোমার, পটুয়াখালীর গলাচিপা ও বাউফল, নড়াইলের লোহাগড়া, টাঙ্গাইলের ঘাটাইল, বাসাইল ও এলেঙ্গা, কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া, গাজীপুরের কালিয়াকৈর ও কালীগঞ্জ, রাঙামাটির বাঘাইছড়ি, জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল, চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি ও বোয়ালখালী, বগুড়ার তালোড়া, দুপচাঁচিয়া, নারায়ণগঞ্জের গোপালদী, কাঞ্চন ও আড়াইহাজার এবং মাদারীপুরের রাজৈর।

ইসির সহকারী সচিব মো. রাজীব আহসান বলেন, কিছু পৌরসভায় মামলা থাকায় সেগুলোতে নির্বাচন করা যাচ্ছে না। তা ছাড়া ৪৮টি পৌরসভায় নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে দুটি পৌরসভায় ভোটার তালিকা হালনাগাদ পুনর্বিন্যাসের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তবে এগুলো একধাপে নাকি কয়েক ধাপে নির্বাচন করা হবে তা কমিশন বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেবে। ফেব্রুয়ারিতে কিছু পৌরসভার মেয়াদ শেষ হচ্ছে বলে জানান তিনি।

স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) আইন, ২০০৯ এ বলা আছে, পৌরসভা গঠনের পর প্রথমসভার তারিখ থেকে পরবর্তী ৫ বছর পর্যন্ত উক্ত পৌরসভার মেয়াদ থাকবে। নির্বাচনের ক্ষেত্রে আইনে উল্লেখ রয়েছে, পৌরসভার মেয়াদ শেষ হওয়ার ক্ষেত্রে, উক্ত মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্ববর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন আয়োজন করতে হবে। নির্বাচনে অংশ নিতে হলে মেয়রদের পদত্যাগ করতে হবে।

গত বছর ১৭ জুন স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে সারা দেশের পৌরসভাগুলোর আলাদা তালিকা ও মেয়াদোত্তীর্ণ পৌরসভার তালিকা নির্বাচন কমিশনে পাঠানো হয়। সর্বশেষ নির্বাচনের তারিখ, প্রথম সভা অনুষ্ঠানের তারিখ ও মেয়াদোর্ত্তীণের তারিখ দিয়ে ৩২৩টি পৌরসভার তালিকা দেয় সরকার। এর মধ্যে ২০১১ সালে জানুয়ারিতে ২৪০টি পৌরসভার ভোট হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।

গত ৩০ ডিসেম্বর প্রথম দফায় ব্যাপক অনিয়ম ও সহিংসতায় মধ্য দিয়ে দেশের ২৩৪ পৌরসভায় ভোট হয়। নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত ৪০টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে ২০টি দল এবারের পৌর নির্বাচনে অংশ নেয়। এতে আওয়ামী লীগের ২৩৪, বিএনপি ২২৩ ও জাতীয় পার্টি ৭৪ প্রার্থীসহ ৯৪৫ জন মেয়র প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। সংরক্ষিত কাউন্সিলর ও সাধারণ কাউন্সিলর পদে প্রায় সাড়ে ১১ হাজার প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নেন।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

বনশ্রীতে মেগা বুকশপ ‘তিলোত্তমা’গ্র্যান্ড ওপেনিং

দ্বিতীয় দফায় অর্ধশত পৌরসভায় নির্বাচন

আপডেট টাইম : ০৫:১২:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ জানুয়ারী ২০১৬

ডেস্ক: প্রথম দফায় ২৩৪ পৌরসভা নির্বাচন শেষে দ্বিতীয় দফায় আরো অর্ধশত পৌরসভায় নির্বাচন সম্পন্ন করতে চায় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ লক্ষ্যে সম্ভাব্য পৌরসভাগুলোর একটি তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। আগামী সপ্তাহে কমিশনের বৈঠকে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছে ইসির সংশ্লিষ্ট শাখা।

ইসি সূত্র জানায়, সারা দেশের ৩২৩টি পৌরসভার মধ্যে ২৩৪টি পৌরসভার নির্বাচন এরই মধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে। বাকি ৮৯টির মধ্যে ৩৮টি পৌরসভায় দীর্ঘদিন থেকে মামলা সংক্রান্ত জটিলতার কারণে এখনই নির্বাচন করা সম্ভব হবে না। কয়েকটিতে আগেই নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। এ ছাড়া ৪৮টি পৌরসভায় বিভিন্ন সময়ে মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে। কমিশনের নির্দেশে এসব পৌরসভার তালিকা করে নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। কমিশন সভায় অনুমোদন দিলে নির্বাচনের জন্য তফসিলের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বিভিন্ন সময়ে মেয়াদ শেষ হতে যাওয়া নির্বাচনযোগ্য ৪৮টি পৌরসভা হচ্ছে : ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ, ভোলার চরফ্যাশন, চাঁদপুরের সদর ও শাহরাস্তি, রংপুরের হারাগাছা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর, নবীনগর, বাঞ্ছারামপুর ও কসবা, ঝালকাঠি সদর, নোয়াখালীর সদর, সোনাইমুড়ী, কবিরহাট ও সেনবাগ, কুমিল্লার নাঙ্গলকোট, ফরিদপুরের ভাঙ্গা ও মধুখালী, কক্সবাজারের সদর, চকরিয়া, টেকনাফ ও মহেশখালী, ফেনীর সোনাগাজী ও ছাগলনাইয়া, খাগড়াছড়ির রামগড়, নরসিংদীর ঘোড়াশাল ও রায়পুরা, পাবনার আটঘরিয়া, দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট, নীলফামারীর ডোমার, পটুয়াখালীর গলাচিপা ও বাউফল, নড়াইলের লোহাগড়া, টাঙ্গাইলের ঘাটাইল, বাসাইল ও এলেঙ্গা, কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া, গাজীপুরের কালিয়াকৈর ও কালীগঞ্জ, রাঙামাটির বাঘাইছড়ি, জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল, চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি ও বোয়ালখালী, বগুড়ার তালোড়া, দুপচাঁচিয়া, নারায়ণগঞ্জের গোপালদী, কাঞ্চন ও আড়াইহাজার এবং মাদারীপুরের রাজৈর।

ইসির সহকারী সচিব মো. রাজীব আহসান বলেন, কিছু পৌরসভায় মামলা থাকায় সেগুলোতে নির্বাচন করা যাচ্ছে না। তা ছাড়া ৪৮টি পৌরসভায় নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে দুটি পৌরসভায় ভোটার তালিকা হালনাগাদ পুনর্বিন্যাসের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তবে এগুলো একধাপে নাকি কয়েক ধাপে নির্বাচন করা হবে তা কমিশন বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেবে। ফেব্রুয়ারিতে কিছু পৌরসভার মেয়াদ শেষ হচ্ছে বলে জানান তিনি।

স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) আইন, ২০০৯ এ বলা আছে, পৌরসভা গঠনের পর প্রথমসভার তারিখ থেকে পরবর্তী ৫ বছর পর্যন্ত উক্ত পৌরসভার মেয়াদ থাকবে। নির্বাচনের ক্ষেত্রে আইনে উল্লেখ রয়েছে, পৌরসভার মেয়াদ শেষ হওয়ার ক্ষেত্রে, উক্ত মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্ববর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন আয়োজন করতে হবে। নির্বাচনে অংশ নিতে হলে মেয়রদের পদত্যাগ করতে হবে।

গত বছর ১৭ জুন স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে সারা দেশের পৌরসভাগুলোর আলাদা তালিকা ও মেয়াদোত্তীর্ণ পৌরসভার তালিকা নির্বাচন কমিশনে পাঠানো হয়। সর্বশেষ নির্বাচনের তারিখ, প্রথম সভা অনুষ্ঠানের তারিখ ও মেয়াদোর্ত্তীণের তারিখ দিয়ে ৩২৩টি পৌরসভার তালিকা দেয় সরকার। এর মধ্যে ২০১১ সালে জানুয়ারিতে ২৪০টি পৌরসভার ভোট হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।

গত ৩০ ডিসেম্বর প্রথম দফায় ব্যাপক অনিয়ম ও সহিংসতায় মধ্য দিয়ে দেশের ২৩৪ পৌরসভায় ভোট হয়। নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত ৪০টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে ২০টি দল এবারের পৌর নির্বাচনে অংশ নেয়। এতে আওয়ামী লীগের ২৩৪, বিএনপি ২২৩ ও জাতীয় পার্টি ৭৪ প্রার্থীসহ ৯৪৫ জন মেয়র প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। সংরক্ষিত কাউন্সিলর ও সাধারণ কাউন্সিলর পদে প্রায় সাড়ে ১১ হাজার প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নেন।