অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo পাটগ্রামে দবির উদ্দিন চিকিৎসা সহায়তা ফাউন্ডেশনের নগদ সহায়তা প্রদান Logo পাটগ্রামে ইহসান ইয়ুথ সার্কেলের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি Logo কায়েতপাড়ায় বসতভিটা রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের মানুষের থানায় গণঅভিযোগ Logo পাটগ্রামে জমি নিয়ে বিরোধে প্রতিপক্ষের হামলা, নারীসহ আহত ৪ Logo পাটগ্রামে রাস্তা ভেঙে চলাচল বন্ধ প্রায় দুই হাজার পরিবারের চলাচলে দুর্ভোগ Logo কুষ্টিয়ায় শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেপ্তার Logo জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস আজ Logo পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ Logo নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে আহসানুজ্জামানের দুর্নীতির অভিযোগ Logo গণপূর্তে খালেকুজ্জামান সিন্ডিকেটের ‘রাজত্ব’ দেখার যেনো কেউ নেই

স্বামী-স্ত্রী দুজনই সোনা চোরাচালানি!

ডেস্ক : তাপস মালাকার (৩২) একসময় ছিলেন ঢাকার বায়তুল মোকাররম মার্কেটের একটি সোনার দোকানের (জুয়েলার্স) কর্মচারী। সেখানে কাজ করার সময়ই সোনা চোরাচালানের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন তিনি। পাঁচ বছর আগে হঠাৎ সেই চাকরি ছেড়ে পুরান ঢাকার তাঁতিবাজার এলাকায় মুদির দোকান খোলেন তাপস। কিন্তু মুদি ব্যবসার আড়ালে চলে সোনা চোরাচালানের কার্যক্রম। এ কাজে তাঁর স্ত্রী মন্টি মালাকারকেও (২৬) সঙ্গে নেন। পরে তাঁদের সঙ্গে যুক্ত হন তাপসের বন্ধুরাও।

র‍্যাব-১-এর অভিযানে তাপস, তাঁর স্ত্রী মন্টি মালাকার, দুই বন্ধু দুলাল চন্দ্র দাস ও দ্বীনবন্ধু সরকারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে সাভারের তুরাগ ভাঙা ব্রিজ এলাকা থেকে প্রায় আট কেজি সোনা ও একটি মাইক্রোবাসসহ তাপস, মন্টি ও দুলালকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাপসের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরে তাঁতিবাজার এলাকার নিজ বাসা থেকে দ্বীনবন্ধু সরকারকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁর কাছ থেকে আরও চার কেজি সোনা উদ্ধার করা হয়।

আজ শুক্রবার সকালে রাজধানীর উত্তরায় র‍্যাব-১-এর সদর দপ্তরে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান র‍্যাব-১-এর অধিনায়ক লে. কর্নেল তুহিন মো. মাসুদ। তিনি বলেন, ‘গ্রেপ্তার হওয়া আসামিরা গতকাল বৃহস্পতিবার তাঁদের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে মাইক্রোবাসে করে বেনাপোল যাচ্ছিলেন। আসল কাজ ছিল ভারতে সোনা পাচার করবেন। তবে তাঁদের পরিবারের অন্য সদস্যরা জানতেন যে তাঁরা বেড়াতে যাচ্ছেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা স্বীকার করেছেন, দীর্ঘদিন ধরে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্য থেকে আকাশপথে সোনার বার ও অলংকার পাচার করে বাংলাদেশে আনতেন। পরে এসব সোনা গলিয়ে বিভিন্ন আকারে তৈরি করে ভারতে পাচার করতেন।’

এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

পাটগ্রামে দবির উদ্দিন চিকিৎসা সহায়তা ফাউন্ডেশনের নগদ সহায়তা প্রদান

স্বামী-স্ত্রী দুজনই সোনা চোরাচালানি!

আপডেট টাইম : ১২:৪৪:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ অগাস্ট ২০১৬

ডেস্ক : তাপস মালাকার (৩২) একসময় ছিলেন ঢাকার বায়তুল মোকাররম মার্কেটের একটি সোনার দোকানের (জুয়েলার্স) কর্মচারী। সেখানে কাজ করার সময়ই সোনা চোরাচালানের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন তিনি। পাঁচ বছর আগে হঠাৎ সেই চাকরি ছেড়ে পুরান ঢাকার তাঁতিবাজার এলাকায় মুদির দোকান খোলেন তাপস। কিন্তু মুদি ব্যবসার আড়ালে চলে সোনা চোরাচালানের কার্যক্রম। এ কাজে তাঁর স্ত্রী মন্টি মালাকারকেও (২৬) সঙ্গে নেন। পরে তাঁদের সঙ্গে যুক্ত হন তাপসের বন্ধুরাও।

র‍্যাব-১-এর অভিযানে তাপস, তাঁর স্ত্রী মন্টি মালাকার, দুই বন্ধু দুলাল চন্দ্র দাস ও দ্বীনবন্ধু সরকারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে সাভারের তুরাগ ভাঙা ব্রিজ এলাকা থেকে প্রায় আট কেজি সোনা ও একটি মাইক্রোবাসসহ তাপস, মন্টি ও দুলালকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাপসের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরে তাঁতিবাজার এলাকার নিজ বাসা থেকে দ্বীনবন্ধু সরকারকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁর কাছ থেকে আরও চার কেজি সোনা উদ্ধার করা হয়।

আজ শুক্রবার সকালে রাজধানীর উত্তরায় র‍্যাব-১-এর সদর দপ্তরে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান র‍্যাব-১-এর অধিনায়ক লে. কর্নেল তুহিন মো. মাসুদ। তিনি বলেন, ‘গ্রেপ্তার হওয়া আসামিরা গতকাল বৃহস্পতিবার তাঁদের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে মাইক্রোবাসে করে বেনাপোল যাচ্ছিলেন। আসল কাজ ছিল ভারতে সোনা পাচার করবেন। তবে তাঁদের পরিবারের অন্য সদস্যরা জানতেন যে তাঁরা বেড়াতে যাচ্ছেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা স্বীকার করেছেন, দীর্ঘদিন ধরে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্য থেকে আকাশপথে সোনার বার ও অলংকার পাচার করে বাংলাদেশে আনতেন। পরে এসব সোনা গলিয়ে বিভিন্ন আকারে তৈরি করে ভারতে পাচার করতেন।’

এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।