অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo পাটগ্রামে দবির উদ্দিন চিকিৎসা সহায়তা ফাউন্ডেশনের নগদ সহায়তা প্রদান Logo পাটগ্রামে ইহসান ইয়ুথ সার্কেলের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি Logo কায়েতপাড়ায় বসতভিটা রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের মানুষের থানায় গণঅভিযোগ Logo পাটগ্রামে জমি নিয়ে বিরোধে প্রতিপক্ষের হামলা, নারীসহ আহত ৪ Logo পাটগ্রামে রাস্তা ভেঙে চলাচল বন্ধ প্রায় দুই হাজার পরিবারের চলাচলে দুর্ভোগ Logo কুষ্টিয়ায় শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেপ্তার Logo জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস আজ Logo পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ Logo নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে আহসানুজ্জামানের দুর্নীতির অভিযোগ Logo গণপূর্তে খালেকুজ্জামান সিন্ডিকেটের ‘রাজত্ব’ দেখার যেনো কেউ নেই

চক্ষুদান করে দু’জনের দৃষ্টি ফেরাল ৫ বছরের মেয়ে!

ডেস্ক: মরণোত্তর চক্ষুদান করে নজির গড়ল পাঁচ বছরের খুদে! তার দান করা কর্নিয়ায় দৃষ্টি ফিরে পেলেন দু’জন। সম্প্রতি ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের মথুরায়।

দিন সাতেক আগে স্কুলে যাওয়ার পথে গাড়ি দুর্ঘটনায় গুরুতর জখম হয়েছিল পাঁচ বছরের ঐশ্বর্যা। দিল্লির একটি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় তাকে। কিন্তু অবস্থার অবনতি হতে থাকে তার।

মেয়েকে যে আর বাঁচানো যাবে না তা বুঝতে পারছিলেন তার বাবা-মা। সে কথা বোধহয় বুঝতে পেরেছিল ঐশ্বর্যা নিজেও। হাসপাতালের বিছানায় শুয়েই তাই চক্ষুদানের ইচ্ছার কথা জানিয়েছিল বাবা-মাকে।

মেয়ের মৃত্যুর পর তার সে ইচ্ছা পূরণ করা হয়। মৃতদেহ নিয়ে যাওয়া হয় দিল্লির এইমসে। সেখানেই তার কর্নিয়া তুলে এনে প্রতিস্থাপন করা হয় অন্য দুই দৃষ্টিহীনের চোখে। টানা ৬ ঘণ্টা ধরে হয় সেই অস্ত্রোপচার। ছোট্ট ঐশ্বর্যার শেষ ইচ্ছায় দৃষ্টি ফিরে পায় তাঁরা।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

পাটগ্রামে দবির উদ্দিন চিকিৎসা সহায়তা ফাউন্ডেশনের নগদ সহায়তা প্রদান

চক্ষুদান করে দু’জনের দৃষ্টি ফেরাল ৫ বছরের মেয়ে!

আপডেট টাইম : ০২:৩৯:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০১৬

ডেস্ক: মরণোত্তর চক্ষুদান করে নজির গড়ল পাঁচ বছরের খুদে! তার দান করা কর্নিয়ায় দৃষ্টি ফিরে পেলেন দু’জন। সম্প্রতি ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের মথুরায়।

দিন সাতেক আগে স্কুলে যাওয়ার পথে গাড়ি দুর্ঘটনায় গুরুতর জখম হয়েছিল পাঁচ বছরের ঐশ্বর্যা। দিল্লির একটি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় তাকে। কিন্তু অবস্থার অবনতি হতে থাকে তার।

মেয়েকে যে আর বাঁচানো যাবে না তা বুঝতে পারছিলেন তার বাবা-মা। সে কথা বোধহয় বুঝতে পেরেছিল ঐশ্বর্যা নিজেও। হাসপাতালের বিছানায় শুয়েই তাই চক্ষুদানের ইচ্ছার কথা জানিয়েছিল বাবা-মাকে।

মেয়ের মৃত্যুর পর তার সে ইচ্ছা পূরণ করা হয়। মৃতদেহ নিয়ে যাওয়া হয় দিল্লির এইমসে। সেখানেই তার কর্নিয়া তুলে এনে প্রতিস্থাপন করা হয় অন্য দুই দৃষ্টিহীনের চোখে। টানা ৬ ঘণ্টা ধরে হয় সেই অস্ত্রোপচার। ছোট্ট ঐশ্বর্যার শেষ ইচ্ছায় দৃষ্টি ফিরে পায় তাঁরা।