অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo পাটগ্রামে দবির উদ্দিন চিকিৎসা সহায়তা ফাউন্ডেশনের নগদ সহায়তা প্রদান Logo পাটগ্রামে ইহসান ইয়ুথ সার্কেলের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি Logo কায়েতপাড়ায় বসতভিটা রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের মানুষের থানায় গণঅভিযোগ Logo পাটগ্রামে জমি নিয়ে বিরোধে প্রতিপক্ষের হামলা, নারীসহ আহত ৪ Logo পাটগ্রামে রাস্তা ভেঙে চলাচল বন্ধ প্রায় দুই হাজার পরিবারের চলাচলে দুর্ভোগ Logo কুষ্টিয়ায় শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেপ্তার Logo জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস আজ Logo পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ Logo নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে আহসানুজ্জামানের দুর্নীতির অভিযোগ Logo গণপূর্তে খালেকুজ্জামান সিন্ডিকেটের ‘রাজত্ব’ দেখার যেনো কেউ নেই

আসামে অস্ত্র কারখানা, বিপুল আগ্নেয়াস্ত্রসহ আটক ৫

কলকাতা: গোপন সূত্রে খবর ছিল যে দীর্ঘদিন ধরে এলাকার একটি বাড়িতে সন্দেহজনক লোকেদের আনাগোনা বাড়ছে। সেখানে খুবই গোলমাল কাজকর্ম চলছে বলেও পুলিশের কাছে খবর যায়। এরপরই বন্দর এলাকার পুলিশ নজর রাখতে শুরু করে ওই বাড়ির উপর।

অবশেষে, মঙ্গলবার রাতে বাড়িটিতে তল্লাশি চালিয়ে সকলের চক্ষু চড়কগাছ। রবীন্দ্রনগর থানা এলাকার কানখুলির এই বাড়িতে রীতিমতো গজিয়ে উঠেছে বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র কারখানা। খবর ভারতীয় গণমাধ্যমের।

খবরে বলা হয়, ওয়ান শাটার পিস্তল থেকে শুরু করে সিঙ্গল ব্যারেলের পাইপ গান, বিস্ফোরক, ৯ এমএম পিস্তল— কী নেই সেখানে! মোট ১০১ টি বেআইনি রেডিমেড আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়। মেলে ৯কিলো বিস্ফোরক।

ঘটনাস্থল থেকেই বাড়ির মালিক আফতাব হোসেনসহ মোট পাঁচ জনকে গ্রেফতার করা হয়। ধৃতদের মধ্যে ৩ জনের বাড়ি মুঙ্গেরে, একজনের বাড়ি ভাগলপুরে। আরও একজনের বাড়ি ক্যানিং-এর বাসন্তীতে।

দক্ষিণ ২৪ পরগনার পুলিশ সুপার সাংবাদিক সম্মেলনে জানান, মুঙ্গের থেকে আগতরা সকলেই শ্রমিক। তারা সকলে আগ্নেয়াস্ত্র তৈরি করত। আর এই আগ্নেয়াস্ত্র বিক্রির দায়িত্ব ছিল বাসন্তীর বাসিন্দা মহম্মদ সেলিমের উপরে। আফতাব ছিল এই বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র কারখানার পাণ্ডা।

দুই ২৪ পরগনাসহ হাওড়া, কলকাতায় এই বেআইনি কারখানা থেকে আগ্নেয়াস্ত্র পাচার করা হয়েছে বলেও পুলিশ জানিয়েছে। বিহারেও কিছু আগ্নেয়াস্ত্র পাচার হয়েছে বলে দাবি। এর পাশাপাশি অন্য কোনো রাজ্যে আগ্নেয়াস্ত্র পাচার হয়েছে তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

উদ্ধার হওয়া আগ্নেয়াস্ত্রের মধ্যে ৯৫টি ওয়ান শাটার রিভলবার, ৪টি পাইপগান এবং ২টি নাইন এমএম পিস্তল রয়েছে। গত ২ মাস ধরে এই বেআইনি কারখানা থেকে আগ্নেয়াস্ত্র পাচার করা হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে। বেআইনি এই অস্ত্র কারখানা থেকে মিলেছে লেদ মেশিন থেকে শুরু করে আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম। ধৃতদের বিরুদ্ধে অস্ত্র এবং বিস্ফোরক আইনে মামলা করা হয়েছে।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

পাটগ্রামে দবির উদ্দিন চিকিৎসা সহায়তা ফাউন্ডেশনের নগদ সহায়তা প্রদান

আসামে অস্ত্র কারখানা, বিপুল আগ্নেয়াস্ত্রসহ আটক ৫

আপডেট টাইম : ০৩:০৫:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬

কলকাতা: গোপন সূত্রে খবর ছিল যে দীর্ঘদিন ধরে এলাকার একটি বাড়িতে সন্দেহজনক লোকেদের আনাগোনা বাড়ছে। সেখানে খুবই গোলমাল কাজকর্ম চলছে বলেও পুলিশের কাছে খবর যায়। এরপরই বন্দর এলাকার পুলিশ নজর রাখতে শুরু করে ওই বাড়ির উপর।

অবশেষে, মঙ্গলবার রাতে বাড়িটিতে তল্লাশি চালিয়ে সকলের চক্ষু চড়কগাছ। রবীন্দ্রনগর থানা এলাকার কানখুলির এই বাড়িতে রীতিমতো গজিয়ে উঠেছে বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র কারখানা। খবর ভারতীয় গণমাধ্যমের।

খবরে বলা হয়, ওয়ান শাটার পিস্তল থেকে শুরু করে সিঙ্গল ব্যারেলের পাইপ গান, বিস্ফোরক, ৯ এমএম পিস্তল— কী নেই সেখানে! মোট ১০১ টি বেআইনি রেডিমেড আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়। মেলে ৯কিলো বিস্ফোরক।

ঘটনাস্থল থেকেই বাড়ির মালিক আফতাব হোসেনসহ মোট পাঁচ জনকে গ্রেফতার করা হয়। ধৃতদের মধ্যে ৩ জনের বাড়ি মুঙ্গেরে, একজনের বাড়ি ভাগলপুরে। আরও একজনের বাড়ি ক্যানিং-এর বাসন্তীতে।

দক্ষিণ ২৪ পরগনার পুলিশ সুপার সাংবাদিক সম্মেলনে জানান, মুঙ্গের থেকে আগতরা সকলেই শ্রমিক। তারা সকলে আগ্নেয়াস্ত্র তৈরি করত। আর এই আগ্নেয়াস্ত্র বিক্রির দায়িত্ব ছিল বাসন্তীর বাসিন্দা মহম্মদ সেলিমের উপরে। আফতাব ছিল এই বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র কারখানার পাণ্ডা।

দুই ২৪ পরগনাসহ হাওড়া, কলকাতায় এই বেআইনি কারখানা থেকে আগ্নেয়াস্ত্র পাচার করা হয়েছে বলেও পুলিশ জানিয়েছে। বিহারেও কিছু আগ্নেয়াস্ত্র পাচার হয়েছে বলে দাবি। এর পাশাপাশি অন্য কোনো রাজ্যে আগ্নেয়াস্ত্র পাচার হয়েছে তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

উদ্ধার হওয়া আগ্নেয়াস্ত্রের মধ্যে ৯৫টি ওয়ান শাটার রিভলবার, ৪টি পাইপগান এবং ২টি নাইন এমএম পিস্তল রয়েছে। গত ২ মাস ধরে এই বেআইনি কারখানা থেকে আগ্নেয়াস্ত্র পাচার করা হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে। বেআইনি এই অস্ত্র কারখানা থেকে মিলেছে লেদ মেশিন থেকে শুরু করে আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম। ধৃতদের বিরুদ্ধে অস্ত্র এবং বিস্ফোরক আইনে মামলা করা হয়েছে।