অপরাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo পাটগ্রামে দবির উদ্দিন চিকিৎসা সহায়তা ফাউন্ডেশনের নগদ সহায়তা প্রদান Logo পাটগ্রামে ইহসান ইয়ুথ সার্কেলের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি Logo কায়েতপাড়ায় বসতভিটা রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের মানুষের থানায় গণঅভিযোগ Logo পাটগ্রামে জমি নিয়ে বিরোধে প্রতিপক্ষের হামলা, নারীসহ আহত ৪ Logo পাটগ্রামে রাস্তা ভেঙে চলাচল বন্ধ প্রায় দুই হাজার পরিবারের চলাচলে দুর্ভোগ Logo কুষ্টিয়ায় শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেপ্তার Logo জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস আজ Logo পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ Logo নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে আহসানুজ্জামানের দুর্নীতির অভিযোগ Logo গণপূর্তে খালেকুজ্জামান সিন্ডিকেটের ‘রাজত্ব’ দেখার যেনো কেউ নেই

মেজর জিয়াই ব্লগার হত্যার নির্দেশদাতা

ডেস্ক : ব্লগার হত্যার প্রতিটি ঘটনাই আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সামরিক শাখার নেতা সেনাবাহিনী থেকে চাকরিচ্যুত মেজর জিয়াউল হকের নির্দেশে হয়েছে বলে জানিয়েছে ডিবি।

রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে শনিবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে এ সব তথ্য জানান ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা ও অপরাধ তথ্য বিভাগের (ডিবি) যুগ্ম কমিশনার আবদুল বাতেন।

আবদুল বাতেন বলেন, জিয়াউল হকই ব্লগার, লেখকদের তালিকা অনুসন্ধানের পর তাদের হত্যাসংক্রান্ত বিভিন্ন দায়িত্ব অন্য সদস্যদের মধ্যে ভাগ করে দিতেন।

তিনি বলেন, জাগৃতি প্রকাশনীর কর্ণধার ফয়সল আরেফিন দীপন ও ব্লগার নীলাদ্রি চট্টোপাধ্যায় নিলয় হত্যা মামলায় গ্রেফতার হওয়া আনসারুল্লাহ বাংলাটিমের (এবিটি) অন্যতম নেতা খায়রুল ওরফে ফাহিম ওরফে রিফাত ওরফে জামিল ওরফে জিসানের মূল কাজ ছিল ইসলামবিরোধী লেখক ও ব্লগারদের তালিকা তৈরি করে টার্গেট করা। সে আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের নেতৃস্থানীয় সদস্য। আর এবিটির শীর্ষ সংগঠক, সেনাবাহিনী থেকে চাকরিচ্যুত মেজর জিয়াউল হকের নির্দেশেই এ তালিকা তৈরি করা হতো।

শুক্রবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে খায়রুলকে কমলাপুর থেকে গ্রেফতার করা হয়। তার গ্রামের বাড়ি ঝিনাইদহ জেলার চণ্ডীপুরে। তবে দীর্ঘদিন সে চট্টগ্রামে বসবাস করেছে বলেও জানান ডিবির যুগ্ম কমিশনার।

খায়রুল সম্পর্কে তিনি বলেন, ২০১৩ সালে খায়রুলের সঙ্গে মেজর জিয়াউল হকের পরিচয় হয়। তার মাধ্যমেই সে আনসারুল্লাহ বাংলা টিমে যোগ দেয়। ২০১৪ সাল থেকে সংগঠনের তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ হিসেবে দায়িত্ব পায়। সে লেখক, ব্লগারদের ইন্টারনেটে নজরদারি করে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ ও তা বিশ্লেষণ করে সম্ভাব্য টার্গেটের বিষয়ে জানাতো।

তিনি বলেন, গ্রেফতার খায়রুল মূলত আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের নেতৃস্থানীয় সদস্য। তার কাজ ছিল যেসব লেখক-ব্লগার ইসলামের বিরুদ্ধে লেখে তাদের তালিকা তৈরি করা। সে তার অধীনে থাকা ৪-৫ জন ইন্টেলিজেন্সকে নিয়ে ওই তালিকা তৈরি করে মেজর জিয়াকে দিতো। পরে মেজর জিয়া তালিকা অনুযায়ী অনুসন্ধান করতো। দীপন ও নিলয় হত্যাকাণ্ডের আগে খায়রুলকে তাদের অনুসরণ করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিলো। দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে খায়রুল তাদের প্রতিদিনের কর্মকাণ্ড ও চলাফেরা পর্যবেক্ষণ করতে থাকে। এ জন্য সে মোহাম্মদপুরে নবোদয় হাউজিং এলাকায় এক সপ্তাহ, এলিফেন্ট রোডে এক সপ্তাহ ও শেওড়াপাড়ায় তিন দিন অবস্থান করে।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

পাটগ্রামে দবির উদ্দিন চিকিৎসা সহায়তা ফাউন্ডেশনের নগদ সহায়তা প্রদান

মেজর জিয়াই ব্লগার হত্যার নির্দেশদাতা

আপডেট টাইম : ০৩:০৪:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ নভেম্বর ২০১৬

ডেস্ক : ব্লগার হত্যার প্রতিটি ঘটনাই আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সামরিক শাখার নেতা সেনাবাহিনী থেকে চাকরিচ্যুত মেজর জিয়াউল হকের নির্দেশে হয়েছে বলে জানিয়েছে ডিবি।

রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে শনিবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে এ সব তথ্য জানান ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা ও অপরাধ তথ্য বিভাগের (ডিবি) যুগ্ম কমিশনার আবদুল বাতেন।

আবদুল বাতেন বলেন, জিয়াউল হকই ব্লগার, লেখকদের তালিকা অনুসন্ধানের পর তাদের হত্যাসংক্রান্ত বিভিন্ন দায়িত্ব অন্য সদস্যদের মধ্যে ভাগ করে দিতেন।

তিনি বলেন, জাগৃতি প্রকাশনীর কর্ণধার ফয়সল আরেফিন দীপন ও ব্লগার নীলাদ্রি চট্টোপাধ্যায় নিলয় হত্যা মামলায় গ্রেফতার হওয়া আনসারুল্লাহ বাংলাটিমের (এবিটি) অন্যতম নেতা খায়রুল ওরফে ফাহিম ওরফে রিফাত ওরফে জামিল ওরফে জিসানের মূল কাজ ছিল ইসলামবিরোধী লেখক ও ব্লগারদের তালিকা তৈরি করে টার্গেট করা। সে আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের নেতৃস্থানীয় সদস্য। আর এবিটির শীর্ষ সংগঠক, সেনাবাহিনী থেকে চাকরিচ্যুত মেজর জিয়াউল হকের নির্দেশেই এ তালিকা তৈরি করা হতো।

শুক্রবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে খায়রুলকে কমলাপুর থেকে গ্রেফতার করা হয়। তার গ্রামের বাড়ি ঝিনাইদহ জেলার চণ্ডীপুরে। তবে দীর্ঘদিন সে চট্টগ্রামে বসবাস করেছে বলেও জানান ডিবির যুগ্ম কমিশনার।

খায়রুল সম্পর্কে তিনি বলেন, ২০১৩ সালে খায়রুলের সঙ্গে মেজর জিয়াউল হকের পরিচয় হয়। তার মাধ্যমেই সে আনসারুল্লাহ বাংলা টিমে যোগ দেয়। ২০১৪ সাল থেকে সংগঠনের তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ হিসেবে দায়িত্ব পায়। সে লেখক, ব্লগারদের ইন্টারনেটে নজরদারি করে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ ও তা বিশ্লেষণ করে সম্ভাব্য টার্গেটের বিষয়ে জানাতো।

তিনি বলেন, গ্রেফতার খায়রুল মূলত আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের নেতৃস্থানীয় সদস্য। তার কাজ ছিল যেসব লেখক-ব্লগার ইসলামের বিরুদ্ধে লেখে তাদের তালিকা তৈরি করা। সে তার অধীনে থাকা ৪-৫ জন ইন্টেলিজেন্সকে নিয়ে ওই তালিকা তৈরি করে মেজর জিয়াকে দিতো। পরে মেজর জিয়া তালিকা অনুযায়ী অনুসন্ধান করতো। দীপন ও নিলয় হত্যাকাণ্ডের আগে খায়রুলকে তাদের অনুসরণ করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিলো। দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে খায়রুল তাদের প্রতিদিনের কর্মকাণ্ড ও চলাফেরা পর্যবেক্ষণ করতে থাকে। এ জন্য সে মোহাম্মদপুরে নবোদয় হাউজিং এলাকায় এক সপ্তাহ, এলিফেন্ট রোডে এক সপ্তাহ ও শেওড়াপাড়ায় তিন দিন অবস্থান করে।