পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo “বাঙ্গরা বাজার থানা সমিতি-ঢাকা’র নির্বাচন সভাপতি মোমেন, সাধারণ সম্পাদক আবির Logo পাটগ্রামে দবির উদ্দিন চিকিৎসা সহায়তা ফাউন্ডেশনের নগদ সহায়তা প্রদান Logo পাটগ্রামে ইহসান ইয়ুথ সার্কেলের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি Logo কায়েতপাড়ায় বসতভিটা রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের মানুষের থানায় গণঅভিযোগ Logo পাটগ্রামে জমি নিয়ে বিরোধে প্রতিপক্ষের হামলা, নারীসহ আহত ৪ Logo পাটগ্রামে রাস্তা ভেঙে চলাচল বন্ধ প্রায় দুই হাজার পরিবারের চলাচলে দুর্ভোগ Logo কুষ্টিয়ায় শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেপ্তার Logo জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস আজ Logo পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ Logo নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে আহসানুজ্জামানের দুর্নীতির অভিযোগ

শ্যামলীতে শিশুমেলা সিলগালা

ডেস্ক: রাজধানীর শ্যামলী শিশু পার্ক (শিশু মেলা) দখলে নিয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি)। দীর্ঘ এক যুগ অবৈধ দখলে থাকার পর শনিবার পার্কটি দখলে নেয় সংস্থাটি।

ডিএনসিসি জানায়, ১৯৮৫ সালের ১৫ অক্টোবর শ্যামলীর শিশু হাসপাতালের পাশে প্রায় ১ দশমিক ৪০ একর ভূমিতে গণপূর্ত মন্ত্রণালয় থেকে শিশু পার্ক হিসেবে পরিচালনার জন্য ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের নিকট হস্তান্তর করা হয়।

পরবর্তীতে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন গুলশান-২ এ অবস্থিত একটি পার্ক ও শ্যামলীর একটি পার্কে নিজ খরচে আধুনিক খেলার যন্ত্রাংশ স্থাপন করার জন্য ইজারা দেয়া হয়। এরপর ২০০২ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি মেসার্স ভায়া মিডিয়া বিজনেস সার্ভিসেসের পক্ষে গুলশানের ওয়ান্ডার ল্যান্ডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর জিএমএম রহমানের সঙ্গে এক লাখ ৪৫ হাজার ৭৫৬ টাকার বিনিময়ে ৩ বছরের জন্য চুক্তি করে ডিএনসিসি।

চুক্তির সময় শেষে ইজারা বাতিল করে শিশুপার্কটি উচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেয় সিটি কর্পোরেশন। কিন্তু এরপর আদালতে একটি রিট করে চুক্তিকারীরা। ওই মামলাটি শুনানির জন্য আদালতে তালিকাভুক্ত রয়েছে। নিষেধাজ্ঞা বা স্থগিতাদেশ না থাকায় কর্পোরেশন উচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেয়।

শনিবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে পার্কে আসেন ডিএনসিসি মেয়র আনিসুল হক।

এসময় তিনি সাংবাদিকদের বলেন, দীর্ঘ এক যুগ ধরে প্রতি তিন বছরের জন্য এক লাখ ৪৫ হাজার টাকার বিনিময়ে পার্কটি ইজারা দেয়া হচ্ছিল। ইজারা চুক্তি শেষে আমরা আমরা পার্কটি দখলের সিদ্ধান্ত নিই। কিন্তু একের পর মামলা আর রিটের কারণে আমরা দখলে যেতে পারিনি। এখন আমাদের পক্ষে রায় এসেছে। আমরা জয়ী হয়েছি। তাই পার্কটি দখলে নিয়েছি।

তিনি বলেন, এদের অনেকেই দখলদার। আমরা বলি এরা চোর। সাধারণ মানুষের জমি আর দখলে যেতে দেয়া হবে না।

মেয়র আরো বলেন, শিশু মেলা আজ থেকে বন্ধ। আপনারা (দখলদাররা) আমাদের সাথে কথা বলেন। আমরা একটা ‘সিজার লিস্ট’ তৈরি করবো। মালামালের কোনো ক্ষতি হবে না। আপনারা সাধারণ মানুষের জমি দখল করে আছেন। আজ থেকে আপনাদের এখানে কোনো অধিকার নেই।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

“বাঙ্গরা বাজার থানা সমিতি-ঢাকা’র নির্বাচন সভাপতি মোমেন, সাধারণ সম্পাদক আবির

শ্যামলীতে শিশুমেলা সিলগালা

আপডেট টাইম : ০২:৫৮:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ নভেম্বর ২০১৬

ডেস্ক: রাজধানীর শ্যামলী শিশু পার্ক (শিশু মেলা) দখলে নিয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি)। দীর্ঘ এক যুগ অবৈধ দখলে থাকার পর শনিবার পার্কটি দখলে নেয় সংস্থাটি।

ডিএনসিসি জানায়, ১৯৮৫ সালের ১৫ অক্টোবর শ্যামলীর শিশু হাসপাতালের পাশে প্রায় ১ দশমিক ৪০ একর ভূমিতে গণপূর্ত মন্ত্রণালয় থেকে শিশু পার্ক হিসেবে পরিচালনার জন্য ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের নিকট হস্তান্তর করা হয়।

পরবর্তীতে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন গুলশান-২ এ অবস্থিত একটি পার্ক ও শ্যামলীর একটি পার্কে নিজ খরচে আধুনিক খেলার যন্ত্রাংশ স্থাপন করার জন্য ইজারা দেয়া হয়। এরপর ২০০২ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি মেসার্স ভায়া মিডিয়া বিজনেস সার্ভিসেসের পক্ষে গুলশানের ওয়ান্ডার ল্যান্ডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর জিএমএম রহমানের সঙ্গে এক লাখ ৪৫ হাজার ৭৫৬ টাকার বিনিময়ে ৩ বছরের জন্য চুক্তি করে ডিএনসিসি।

চুক্তির সময় শেষে ইজারা বাতিল করে শিশুপার্কটি উচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেয় সিটি কর্পোরেশন। কিন্তু এরপর আদালতে একটি রিট করে চুক্তিকারীরা। ওই মামলাটি শুনানির জন্য আদালতে তালিকাভুক্ত রয়েছে। নিষেধাজ্ঞা বা স্থগিতাদেশ না থাকায় কর্পোরেশন উচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেয়।

শনিবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে পার্কে আসেন ডিএনসিসি মেয়র আনিসুল হক।

এসময় তিনি সাংবাদিকদের বলেন, দীর্ঘ এক যুগ ধরে প্রতি তিন বছরের জন্য এক লাখ ৪৫ হাজার টাকার বিনিময়ে পার্কটি ইজারা দেয়া হচ্ছিল। ইজারা চুক্তি শেষে আমরা আমরা পার্কটি দখলের সিদ্ধান্ত নিই। কিন্তু একের পর মামলা আর রিটের কারণে আমরা দখলে যেতে পারিনি। এখন আমাদের পক্ষে রায় এসেছে। আমরা জয়ী হয়েছি। তাই পার্কটি দখলে নিয়েছি।

তিনি বলেন, এদের অনেকেই দখলদার। আমরা বলি এরা চোর। সাধারণ মানুষের জমি আর দখলে যেতে দেয়া হবে না।

মেয়র আরো বলেন, শিশু মেলা আজ থেকে বন্ধ। আপনারা (দখলদাররা) আমাদের সাথে কথা বলেন। আমরা একটা ‘সিজার লিস্ট’ তৈরি করবো। মালামালের কোনো ক্ষতি হবে না। আপনারা সাধারণ মানুষের জমি দখল করে আছেন। আজ থেকে আপনাদের এখানে কোনো অধিকার নেই।