পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক

গাইবান্ধায় স্ত্রীর দায়ের করা মামলায় মেজরের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

গাইবান্ধাঃ গাইবান্ধা জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে যৌতুক বিরোধী আইনে দায়েরকৃত মামলায় চট্টগ্রাম সেনানিবাসে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে কর্মরত মেজর একেএম সাইফুল হক (বিএনং ৫২২০) এর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। সদর উপজেলা আমলী আদালতের বিচারক অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট মাইনুল হাসান ইউসুফ গতকাল রোববার দুপুরে এ আদেশ দেন।

মামলার বিবরণে উল্লেখ করা হয়েছে, গাইবান্ধা শহরের থানাপাড়ার মো. সদরুল আমিনের মেয়ে শামিমা নাসরিনের সাথে প্রেমের সম্পর্কের পরিণতিতে ২০০২ সালের ২৫ জুন সাইফুল হকের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে স্বামী সাইফুল স্ত্রীর কাছে মোটা অংকের যৌতুকের দাবি করে আসছিলেন। এই অবস্থায় বিয়ের ৬ মাসের মধ্যে ইন্সুরেন্সের কথা বলে স্ত্রী শামিমার কাছে কৌশলে কাগজে স্বাক্ষর নিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে তাকে তালাক দেন সাইফুল। এর কিছুদিন পর শামিমাকে জানানো হয় তাদের তালাক হয়ে গেছে। শামিমা বিষয়টি তার বাবাসহ অন্যদের জানালে এ নিয়ে সাইফুলের চাকরির ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দিতে পারে বিবেচনায় ২০০২ সালের ৭ ডিসেম্বর পুনরায় কাবিননামার মাধ্যমে তাদের বিয়ে হয়। তাদের ঘরে বর্তমানে ১১ বছরের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে।

ইতিমধ্যে মেয়ের বাবা সদরুল আমিন মারা যান। ততদিনে সাইফুল হক মেজর পদে উন্নীত হয়েছেন। তিনি স্ত্রী শামিমা নাসরিনের কাছে ১০ লক্ষ টাকা যৌতুক দাবি করেন। অন্যথায় সংসার করতে অস্বীকৃতি জানান। কিন্তু শামিমা যৌতুকের টাকা দিতে রাজি হননি। এজন্য শামিমার উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে তিনি গত ২২ আগষ্ট গাইবান্ধা সদর জুডিশিয়াল আদালতে যৌতুক নিরোধ আইন ধারা-৪ এর আওতায় মামলা দায়ের করেন। শামিমা নাসরিনের আইনজীবি অ্যাডভোকেট সারওয়ার হোসেন বাবুল জানান, মামলা দায়েরের দিনই মেজর সাইফুল হককে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য বিচারক সমন জারি করেন। এরপর আরও ৩টি ধার্যদিন উত্তীর্ণ হলেও মেজর সাইফুল হক আদালতে হাজির হননি। এর ফলে গতকাল রোববার ওই আদালতের বিচারক তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

Tag :

সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো

গাইবান্ধায় স্ত্রীর দায়ের করা মামলায় মেজরের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

আপডেট টাইম : ০৫:২১:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৬

গাইবান্ধাঃ গাইবান্ধা জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে যৌতুক বিরোধী আইনে দায়েরকৃত মামলায় চট্টগ্রাম সেনানিবাসে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে কর্মরত মেজর একেএম সাইফুল হক (বিএনং ৫২২০) এর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। সদর উপজেলা আমলী আদালতের বিচারক অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট মাইনুল হাসান ইউসুফ গতকাল রোববার দুপুরে এ আদেশ দেন।

মামলার বিবরণে উল্লেখ করা হয়েছে, গাইবান্ধা শহরের থানাপাড়ার মো. সদরুল আমিনের মেয়ে শামিমা নাসরিনের সাথে প্রেমের সম্পর্কের পরিণতিতে ২০০২ সালের ২৫ জুন সাইফুল হকের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে স্বামী সাইফুল স্ত্রীর কাছে মোটা অংকের যৌতুকের দাবি করে আসছিলেন। এই অবস্থায় বিয়ের ৬ মাসের মধ্যে ইন্সুরেন্সের কথা বলে স্ত্রী শামিমার কাছে কৌশলে কাগজে স্বাক্ষর নিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে তাকে তালাক দেন সাইফুল। এর কিছুদিন পর শামিমাকে জানানো হয় তাদের তালাক হয়ে গেছে। শামিমা বিষয়টি তার বাবাসহ অন্যদের জানালে এ নিয়ে সাইফুলের চাকরির ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দিতে পারে বিবেচনায় ২০০২ সালের ৭ ডিসেম্বর পুনরায় কাবিননামার মাধ্যমে তাদের বিয়ে হয়। তাদের ঘরে বর্তমানে ১১ বছরের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে।

ইতিমধ্যে মেয়ের বাবা সদরুল আমিন মারা যান। ততদিনে সাইফুল হক মেজর পদে উন্নীত হয়েছেন। তিনি স্ত্রী শামিমা নাসরিনের কাছে ১০ লক্ষ টাকা যৌতুক দাবি করেন। অন্যথায় সংসার করতে অস্বীকৃতি জানান। কিন্তু শামিমা যৌতুকের টাকা দিতে রাজি হননি। এজন্য শামিমার উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে তিনি গত ২২ আগষ্ট গাইবান্ধা সদর জুডিশিয়াল আদালতে যৌতুক নিরোধ আইন ধারা-৪ এর আওতায় মামলা দায়ের করেন। শামিমা নাসরিনের আইনজীবি অ্যাডভোকেট সারওয়ার হোসেন বাবুল জানান, মামলা দায়েরের দিনই মেজর সাইফুল হককে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য বিচারক সমন জারি করেন। এরপর আরও ৩টি ধার্যদিন উত্তীর্ণ হলেও মেজর সাইফুল হক আদালতে হাজির হননি। এর ফলে গতকাল রোববার ওই আদালতের বিচারক তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।