পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo পাটগ্রামে দবির উদ্দিন চিকিৎসা সহায়তা ফাউন্ডেশনের নগদ সহায়তা প্রদান Logo পাটগ্রামে ইহসান ইয়ুথ সার্কেলের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি Logo কায়েতপাড়ায় বসতভিটা রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের মানুষের থানায় গণঅভিযোগ Logo পাটগ্রামে জমি নিয়ে বিরোধে প্রতিপক্ষের হামলা, নারীসহ আহত ৪ Logo পাটগ্রামে রাস্তা ভেঙে চলাচল বন্ধ প্রায় দুই হাজার পরিবারের চলাচলে দুর্ভোগ Logo কুষ্টিয়ায় শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেপ্তার Logo জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস আজ Logo পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ Logo নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে আহসানুজ্জামানের দুর্নীতির অভিযোগ Logo গণপূর্তে খালেকুজ্জামান সিন্ডিকেটের ‘রাজত্ব’ দেখার যেনো কেউ নেই

অনেকেই জানেন না বিজয় ও স্বাধীনতা দিবস কবে

ডেস্ক: মুক্তিযুদ্ধকালে গণহত্যার জন্য ব্যবহৃত বধ্যভূমি সংরক্ষণ ও স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ প্রকল্পের প্রভাব মূল্যায়ন সমীক্ষা করতে গিয়ে হতবাক সংশ্লিষ্টরা। অধিকাংশ মানুষই জানেন না বিজয় দিবস, স্বাধীনতা দিবস কবে। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে কী ঘটেছিল। বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা কারা? পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) গত মে মাসে করা এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এ অবাক করা চিত্র। এ অবস্থায় স্থানীয় প্রশাসন বা শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে মুক্তিযোদ্ধাদর দিয়ে বিভিন্ন স্তরের (প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক) শিক্ষার্থীদের মক্তিযুদ্ধের ঘটনাবলি শোনানোর সুপারিশ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনটি তৈরির দায়িত্বপ্রাপ্ত পরামর্শক অধ্যাপক ড. এএসএম আমানুল্লাহ বলেন, এটি খুবই দুঃখজনক ঘটনা। মানুষ এখনও মুক্তিযুদ্ধের প্রধান ইতিহাস সম্পর্কে জানেন না। তিনি জানান, এটি ছিল মূলত, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধকালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী কর্তৃক গণহত্যার জন্য ব্যবহৃত বধ্যভূমিসমূহ সংরক্ষণ ও স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ প্রকল্পের প্রভাব মূল্যায়ন সমীক্ষা। কিন্তু এর পাশাপাশি বাকি তথ্যগুলো খুঁজে বের করেছি। তিনি জানান, স্টিয়ারিং কমিটির মতামত অনুসারে ৫৭৬ জন উত্তরদাতার কাছে প্রশ্নমালার মাধ্যমে মুখোমুখি সাক্ষাৎকার নেয়া হয়। উত্তরদাতাদের মধ্যে ২৮৫ জন বিভিন্ন বয়সী নারী এবং ২৯১ জন বিভিন্ন বয়সী পুরুষ ছিলেন। বেশিরভাগ উত্তরদাতাই সর্বনিু পঞ্চম শ্রেণী এবং সর্বোচ্চ স্নাতকোত্তর পর্যন্ত ছিলেন। উত্তরদাতাদের মধ্যে ২৫ দশমিক ৩ শতাংশ ছিলেন গৃহিণী, ২২ দশমিক ২ শতাংশ ছাত্র, ১২ দশমিক ৮ শতাংশ চাকরিজীবী এবং ১১ দশমিক ৫ শতাংশ ব্যবসায়ী।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব এমএ হান্নান বলেন, ‘ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে মানুষকে জানানোর ব্যাপক উদ্যোগ নিয়েছি। প্রত্যেক জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে যেসব মুক্তিযুদ্ধ কমপ্লেক্স নির্মাণ হচ্ছে তাতে একটি করে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর ও পাঠাগার তৈরি করা হচ্ছে। এ ছাড়া মুক্তিযোদ্ধাদের ভয়েস রেকর্ড করা ও রাখার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এরই মধ্যে একটি মোবাইল ফোন কোম্পানি ‘একাত্তরের কথা’ নামে সিডি তৈরি করেছে। আমরা স্কুল ও কলেজে মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে গিয়ে তাদের মুখেই মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস তুলে ধরার উদ্যোগ নিয়েছি।’

আইএমইডির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও সত্যি যে, আমাদের বিজয় দিবস কবে সেটি জানেন না ২৪ শতাংশ উত্তরদাতা। প্রায় ৭ শতাংশ উত্তরদাতা ভুল উত্তর দিয়েছেন। এ ছাড়া উত্তর দেননি ৫ শতাংশ। তবে ৭০ শতাংশ উত্তরদাতা সঠিক উত্তর দিতে পেরেছেন। কিন্তু উত্তরদাতাদের মধ্যে ৫২ শতাংশ বা প্রায় অর্ধেকের বেশি মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বীরশ্রেষ্ঠদের সম্পর্কে জানেন না বা কেন তাদের বীরশ্রেষ্ঠ বলা হয় তাও জানেন না। প্রায় ৪৮ শতাংশ বলেছেন, তারা মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হয়েছেন বা বড় অবদান রেখেছেন। উত্তরদাতাদের মধ্যে মাত্র ৪ জন বা ৭ শতাংশ উত্তরদাতা সঠিকভাবে ৭ শহীদ বীরশ্রেষ্ঠের নাম বলতে পেরেছেন। দুঃখজনক ঘটনা হচ্ছে- ৩১০ জন বা ৫৪ শতাংশ উত্তরদাতা একজন শহীদ বীরশ্রেষ্ঠের নামও বলতে পারেননি।

আইএমইডি বলেছে, আমাদের স্বাধীনতা দিবস কবে? এ প্রশ্নের উত্তর ৫৬ শতাংশ উত্তরদাতা জানেন না বা ভুল উত্তর দিয়েছেন। এ ক্ষেত্রে আলাদাভাবে দেখলে দেখা যায়, জানি না বলেছেন ৩৩ দশমিক ৮০ শতাংশ উত্তরদাতা, ২১ ফেব্র“য়ারি বলেছেন ৫ দশমিক ৭০ শতাংশ, আত্মসমর্পণ বলেছেন শূন্য দশমিক ৯০ শতাংশ এবং উত্তর দেননি ৫ দশমিক ৬০ শতাংশ। তবে ৪৩ দশমিক ৬০ শতাংশ উত্তরদাতা সঠিক উত্তর ২৬ মার্চ বলেছেন।

১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর কী ঘটেছিল? এ প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিতে পারেননি ৬১ শতাংশ উত্তরদাতা। আলাদাভবে দেখা যায়, জানি না বলেছেন ৬১ শতাংশ, বিজয় দিবস বলেছেন ৩ দশমিক ৭০ শতাংশ, যুদ্ধ শুরু বলেছেন শূন্য দশমিক ৯০ শতাংশ, যুদ্ধ সমাপ্ত বলেছেন শূন্য দশমিক ৯০ শতাংশ। আত্মসমর্পণ বলেছেন ১ দশমিক ৭০ শতাংশ এবং উত্তর দেননি ৫ দশমিক ২০ শতাংশ উত্তরদাতা। তবে সঠিক উত্তর বুদ্ধিজীবী হত্যা দিবস বলেছেন ২৬ শতাংশ উত্তরদাতা।

এ ছাড়া ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কী হয়েছিল? এ প্রশ্নের উত্তর জানেন না প্রায় ৪০ দশমিক ৪০ শতাংশ উত্তরদাতা। এ ছাড়া গণহত্যা বলেছিলেন ৬ দশমিক ১০ শতাংশ, স্বাধীনতা দিবস বলেছিলেন ৩ দশমিক ১০ শতাংশ, পাঞ্জাবি হামলা করেছিল বলেছেন ৫ দশমিক ১০ শতাংশ, বঙ্গবন্ধুকে ধরে নিয়ে পাকিস্তানিরা এসেছিল বা গিয়েছিল বলেছেন শূন্য দশমিক ৭ শতাংশ এবং উত্তর দেননি শূন্য দশমিক ৫০ শতাংশ উত্তরদাতা। তবে সঠিক উত্তর কালরাত্রি বা অপারেশন সার্চলাইট বলেছেন ৪২ দশমিক ৭০ শতাংশ উত্তরদাতা।

অন্যদিকে ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ কী ঘটেছিল? এ প্রশ্নের উত্তর দিতে পারেননি প্রায় ৩৪ শতাংশ উত্তরদাতা। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আশ্চর্যজনক হলেও এটা সত্য ১৯ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন ৭ মার্চ বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করা হয়েছিল। স্বাধীনতা ঘোষণা হয়েছিল বলেছেন ৫ দশমিক ৬০ শতাংশ, বঙ্গবন্ধুর জন্ম হয়েছিল বলেছেন ১ দশমিক ৬০ শতাংশ, আন্দোলন হয়েছিল বলেছেন ২ দশমিক ৪০ শতাংশ এবং যুদ্ধ হয়েছিল বলে জানিয়েছেন ৩ দশমিক ৭০ শতাংশ উত্তরদাতা। তবে ৬৬ দশমিক ২০ শতাংশ উত্তরদাতা সঠিক উত্তর দিয়ে জানান, এ দিন বঙ্গবন্ধু ভাষণ দিয়েছিলেন।

সূত্র- যুগান্তর

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

পাটগ্রামে দবির উদ্দিন চিকিৎসা সহায়তা ফাউন্ডেশনের নগদ সহায়তা প্রদান

অনেকেই জানেন না বিজয় ও স্বাধীনতা দিবস কবে

আপডেট টাইম : ০৪:৪৯:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৬

ডেস্ক: মুক্তিযুদ্ধকালে গণহত্যার জন্য ব্যবহৃত বধ্যভূমি সংরক্ষণ ও স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ প্রকল্পের প্রভাব মূল্যায়ন সমীক্ষা করতে গিয়ে হতবাক সংশ্লিষ্টরা। অধিকাংশ মানুষই জানেন না বিজয় দিবস, স্বাধীনতা দিবস কবে। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে কী ঘটেছিল। বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা কারা? পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) গত মে মাসে করা এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এ অবাক করা চিত্র। এ অবস্থায় স্থানীয় প্রশাসন বা শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে মুক্তিযোদ্ধাদর দিয়ে বিভিন্ন স্তরের (প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক) শিক্ষার্থীদের মক্তিযুদ্ধের ঘটনাবলি শোনানোর সুপারিশ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনটি তৈরির দায়িত্বপ্রাপ্ত পরামর্শক অধ্যাপক ড. এএসএম আমানুল্লাহ বলেন, এটি খুবই দুঃখজনক ঘটনা। মানুষ এখনও মুক্তিযুদ্ধের প্রধান ইতিহাস সম্পর্কে জানেন না। তিনি জানান, এটি ছিল মূলত, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধকালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী কর্তৃক গণহত্যার জন্য ব্যবহৃত বধ্যভূমিসমূহ সংরক্ষণ ও স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ প্রকল্পের প্রভাব মূল্যায়ন সমীক্ষা। কিন্তু এর পাশাপাশি বাকি তথ্যগুলো খুঁজে বের করেছি। তিনি জানান, স্টিয়ারিং কমিটির মতামত অনুসারে ৫৭৬ জন উত্তরদাতার কাছে প্রশ্নমালার মাধ্যমে মুখোমুখি সাক্ষাৎকার নেয়া হয়। উত্তরদাতাদের মধ্যে ২৮৫ জন বিভিন্ন বয়সী নারী এবং ২৯১ জন বিভিন্ন বয়সী পুরুষ ছিলেন। বেশিরভাগ উত্তরদাতাই সর্বনিু পঞ্চম শ্রেণী এবং সর্বোচ্চ স্নাতকোত্তর পর্যন্ত ছিলেন। উত্তরদাতাদের মধ্যে ২৫ দশমিক ৩ শতাংশ ছিলেন গৃহিণী, ২২ দশমিক ২ শতাংশ ছাত্র, ১২ দশমিক ৮ শতাংশ চাকরিজীবী এবং ১১ দশমিক ৫ শতাংশ ব্যবসায়ী।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব এমএ হান্নান বলেন, ‘ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে মানুষকে জানানোর ব্যাপক উদ্যোগ নিয়েছি। প্রত্যেক জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে যেসব মুক্তিযুদ্ধ কমপ্লেক্স নির্মাণ হচ্ছে তাতে একটি করে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর ও পাঠাগার তৈরি করা হচ্ছে। এ ছাড়া মুক্তিযোদ্ধাদের ভয়েস রেকর্ড করা ও রাখার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এরই মধ্যে একটি মোবাইল ফোন কোম্পানি ‘একাত্তরের কথা’ নামে সিডি তৈরি করেছে। আমরা স্কুল ও কলেজে মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে গিয়ে তাদের মুখেই মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস তুলে ধরার উদ্যোগ নিয়েছি।’

আইএমইডির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও সত্যি যে, আমাদের বিজয় দিবস কবে সেটি জানেন না ২৪ শতাংশ উত্তরদাতা। প্রায় ৭ শতাংশ উত্তরদাতা ভুল উত্তর দিয়েছেন। এ ছাড়া উত্তর দেননি ৫ শতাংশ। তবে ৭০ শতাংশ উত্তরদাতা সঠিক উত্তর দিতে পেরেছেন। কিন্তু উত্তরদাতাদের মধ্যে ৫২ শতাংশ বা প্রায় অর্ধেকের বেশি মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বীরশ্রেষ্ঠদের সম্পর্কে জানেন না বা কেন তাদের বীরশ্রেষ্ঠ বলা হয় তাও জানেন না। প্রায় ৪৮ শতাংশ বলেছেন, তারা মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হয়েছেন বা বড় অবদান রেখেছেন। উত্তরদাতাদের মধ্যে মাত্র ৪ জন বা ৭ শতাংশ উত্তরদাতা সঠিকভাবে ৭ শহীদ বীরশ্রেষ্ঠের নাম বলতে পেরেছেন। দুঃখজনক ঘটনা হচ্ছে- ৩১০ জন বা ৫৪ শতাংশ উত্তরদাতা একজন শহীদ বীরশ্রেষ্ঠের নামও বলতে পারেননি।

আইএমইডি বলেছে, আমাদের স্বাধীনতা দিবস কবে? এ প্রশ্নের উত্তর ৫৬ শতাংশ উত্তরদাতা জানেন না বা ভুল উত্তর দিয়েছেন। এ ক্ষেত্রে আলাদাভাবে দেখলে দেখা যায়, জানি না বলেছেন ৩৩ দশমিক ৮০ শতাংশ উত্তরদাতা, ২১ ফেব্র“য়ারি বলেছেন ৫ দশমিক ৭০ শতাংশ, আত্মসমর্পণ বলেছেন শূন্য দশমিক ৯০ শতাংশ এবং উত্তর দেননি ৫ দশমিক ৬০ শতাংশ। তবে ৪৩ দশমিক ৬০ শতাংশ উত্তরদাতা সঠিক উত্তর ২৬ মার্চ বলেছেন।

১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর কী ঘটেছিল? এ প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিতে পারেননি ৬১ শতাংশ উত্তরদাতা। আলাদাভবে দেখা যায়, জানি না বলেছেন ৬১ শতাংশ, বিজয় দিবস বলেছেন ৩ দশমিক ৭০ শতাংশ, যুদ্ধ শুরু বলেছেন শূন্য দশমিক ৯০ শতাংশ, যুদ্ধ সমাপ্ত বলেছেন শূন্য দশমিক ৯০ শতাংশ। আত্মসমর্পণ বলেছেন ১ দশমিক ৭০ শতাংশ এবং উত্তর দেননি ৫ দশমিক ২০ শতাংশ উত্তরদাতা। তবে সঠিক উত্তর বুদ্ধিজীবী হত্যা দিবস বলেছেন ২৬ শতাংশ উত্তরদাতা।

এ ছাড়া ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কী হয়েছিল? এ প্রশ্নের উত্তর জানেন না প্রায় ৪০ দশমিক ৪০ শতাংশ উত্তরদাতা। এ ছাড়া গণহত্যা বলেছিলেন ৬ দশমিক ১০ শতাংশ, স্বাধীনতা দিবস বলেছিলেন ৩ দশমিক ১০ শতাংশ, পাঞ্জাবি হামলা করেছিল বলেছেন ৫ দশমিক ১০ শতাংশ, বঙ্গবন্ধুকে ধরে নিয়ে পাকিস্তানিরা এসেছিল বা গিয়েছিল বলেছেন শূন্য দশমিক ৭ শতাংশ এবং উত্তর দেননি শূন্য দশমিক ৫০ শতাংশ উত্তরদাতা। তবে সঠিক উত্তর কালরাত্রি বা অপারেশন সার্চলাইট বলেছেন ৪২ দশমিক ৭০ শতাংশ উত্তরদাতা।

অন্যদিকে ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ কী ঘটেছিল? এ প্রশ্নের উত্তর দিতে পারেননি প্রায় ৩৪ শতাংশ উত্তরদাতা। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আশ্চর্যজনক হলেও এটা সত্য ১৯ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন ৭ মার্চ বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করা হয়েছিল। স্বাধীনতা ঘোষণা হয়েছিল বলেছেন ৫ দশমিক ৬০ শতাংশ, বঙ্গবন্ধুর জন্ম হয়েছিল বলেছেন ১ দশমিক ৬০ শতাংশ, আন্দোলন হয়েছিল বলেছেন ২ দশমিক ৪০ শতাংশ এবং যুদ্ধ হয়েছিল বলে জানিয়েছেন ৩ দশমিক ৭০ শতাংশ উত্তরদাতা। তবে ৬৬ দশমিক ২০ শতাংশ উত্তরদাতা সঠিক উত্তর দিয়ে জানান, এ দিন বঙ্গবন্ধু ভাষণ দিয়েছিলেন।

সূত্র- যুগান্তর