
ডেস্ক : গাইবান্ধায় নিজ বাসভবনে দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত হয়েছেন সুন্দরগঞ্জ আসনের আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন। লিটনের জন্ম ১৯৬৮ সালে। ১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচন হন।
দুর্বৃত্তের গুলিতে সদ্য নিহত সংসদ সদস্য লিটন ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার। তার পেশা কৃষি ও ব্যবসায়। তিনি আনন্দ গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ নামের একটি প্রতিষ্ঠানেরও পরিচালক। তার গ্রামের বাড়ি গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বামনডাঙ্গার মাস্টারপাড়ায়। তথ্য : জাতীয় সংসদের ওয়েবসাইট।
শনিবার সন্ধ্যায় সুন্দরগঞ্জের বাসায় গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
সুন্দরগঞ্জের শিশু শাহাদাত হোসেন সৌরভকে গুলি করে হত্যাচেষ্টার মামলার আসামি ছিলেন লিটন। বর্তমানে তিনি জামিনে ছিলেন।
২০১৫ সালের ২ অক্টোবর সকালে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার গোপালচরণ গ্রামের বাড়ির পাশের সড়কে চাচার সঙ্গে হাঁটতে বের হয় শিশু শাহাদাত। তখন সে লিটনের গুলিতে আহত হয়। এই ঘটনায় সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় ব্যাপক আন্দোলন হয়।
৩ অক্টোবর রাতে শাহাদাতের বাবা সাজু মিয়া হত্যাচেষ্টা ও গুরুতর জখমের অভিযোগে সাংসদ মনজুরুলের বিরুদ্ধে সুন্দরগঞ্জ থানায় মামলা করেন। ওই দিনই সন্ধ্যায় লিটন তার আত্মীয়ের মাধ্যমে দুইটি অস্ত্র থানায় জমা দেন।
৬ অক্টোবর রাতে বসতবাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগে উপজেলার উত্তর শাহবাজ গ্রামের হাফিজুর রহমান মণ্ডল বাদী হয়ে লিটনকে প্রধান আসামি করে মোট ১০ জনের বিরুদ্ধে একই থানায় আরেকটি মামলা করেন। ১৪ অক্টোবর রাতে গ্রেপ্তার হন তিনি। পরে তিনি জামিন পান।
বাংলার খবর ডেস্ক : 




















