পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

ছাত্রলীগ কর্মীর লাশ নিয়ে মিছিল

ডেস্ক : দলীয় কোন্দলের জেরে যশোরের ঝিকরগাছায় খুন হওয়া ছাত্রলীগ কর্মী মিলন হোসেনের (২৬) লাশ নিয়ে মিছিল হয়েছে। যশোর-২ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল ইসলামের নেতৃত্বে আজ রোববার দুপুরে ঝিকরগাছা পৌর শহরে এই বিক্ষোভ মিছিল হয়। মিছিল থেকে খুনিদের অবিলম্বে আটক করে শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।

বিজয় দিবসের অনুষ্ঠান থেকে বাড়িতে ফেরার পথে গতকাল শনিবার দুপুরে পৌরসভার কৃষ্ণনগর এলাকার পূজামণ্ডপের পাশে সন্ত্রাসীদের ছুরিকাঘাতে মিলন হোসেন গুরুতর আহত হন। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরে তিনি মারা যান। নিহত মিলন ঝিকরগাছা পৌরসভার কাটাখাল গ্রামের আলম হোসেনের ছেলে।

যশোর জেনারেল হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে আজ রোববার দুপুর ১২টার দিকে পরিবারের সদস্যদের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়। লাশ ঝিকরগাছায় পৌঁছালে দলীয় নেতা-কর্মীরা খুনিদের আটক ও শাস্তির দাবিতে স্লোগান দিতে থাকে। পরে উপজেলা মোড় থেকে লাশ নিয়ে মিছিল বের হয়। মিছিলটি থানার মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। সংসদ সদস্য মনিরুল ইসলাম ছাড়াও এই মিছিলে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, সাধারণ সম্পাদক মূসা মাহমুদ প্রমুখ।

মিছিল শেষে উপজেলার কাটাখাল ঈদগাহ মাঠে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে মিলনের লাশ দাফন করা হয়। এদিকে এ ঘটনায় এখনো পর্যন্ত পুলিশ কাউকে আটক করতে পারেনি। কোনো মামলাও হয়নি।

স্থানীয়রা বলছেন, ঝিকরগাছায় আওয়ামী লীগ দুই ভাগে বিভক্ত। এক অংশের নেতৃত্বে মনিরুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মূসা মাহমুদ এবং অপর অংশের নেতৃত্বে আছেন যুগ্ম সম্পাদক মনিরুল ইসলাম। নিহত মিলন ছিলেন সংসদ সদস্য মনিরুল ইসলামের অনুসারী।

উপজেলার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সালেহ মোহম্মদ মাসুদ করিম বলেন, ‘দলীয় কোন্দলে মিলন হোসেন খুন হয়েছেন। কয়েকজনের বিষয়ে প্রাথমিকভাবে তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি। তদন্তের স্বার্থে তাঁদের নাম প্রকাশ করছি না। তাঁরা পলাতক রয়েছেন। হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে এখনো মামলা হয়নি। আশা করছি, শিগগিরই আমরা ভালো খবর দিতে পারব।’

Tag :

বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ

ছাত্রলীগ কর্মীর লাশ নিয়ে মিছিল

আপডেট টাইম : ০৬:১৩:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০১৭

ডেস্ক : দলীয় কোন্দলের জেরে যশোরের ঝিকরগাছায় খুন হওয়া ছাত্রলীগ কর্মী মিলন হোসেনের (২৬) লাশ নিয়ে মিছিল হয়েছে। যশোর-২ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল ইসলামের নেতৃত্বে আজ রোববার দুপুরে ঝিকরগাছা পৌর শহরে এই বিক্ষোভ মিছিল হয়। মিছিল থেকে খুনিদের অবিলম্বে আটক করে শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।

বিজয় দিবসের অনুষ্ঠান থেকে বাড়িতে ফেরার পথে গতকাল শনিবার দুপুরে পৌরসভার কৃষ্ণনগর এলাকার পূজামণ্ডপের পাশে সন্ত্রাসীদের ছুরিকাঘাতে মিলন হোসেন গুরুতর আহত হন। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরে তিনি মারা যান। নিহত মিলন ঝিকরগাছা পৌরসভার কাটাখাল গ্রামের আলম হোসেনের ছেলে।

যশোর জেনারেল হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে আজ রোববার দুপুর ১২টার দিকে পরিবারের সদস্যদের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়। লাশ ঝিকরগাছায় পৌঁছালে দলীয় নেতা-কর্মীরা খুনিদের আটক ও শাস্তির দাবিতে স্লোগান দিতে থাকে। পরে উপজেলা মোড় থেকে লাশ নিয়ে মিছিল বের হয়। মিছিলটি থানার মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। সংসদ সদস্য মনিরুল ইসলাম ছাড়াও এই মিছিলে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, সাধারণ সম্পাদক মূসা মাহমুদ প্রমুখ।

মিছিল শেষে উপজেলার কাটাখাল ঈদগাহ মাঠে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে মিলনের লাশ দাফন করা হয়। এদিকে এ ঘটনায় এখনো পর্যন্ত পুলিশ কাউকে আটক করতে পারেনি। কোনো মামলাও হয়নি।

স্থানীয়রা বলছেন, ঝিকরগাছায় আওয়ামী লীগ দুই ভাগে বিভক্ত। এক অংশের নেতৃত্বে মনিরুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মূসা মাহমুদ এবং অপর অংশের নেতৃত্বে আছেন যুগ্ম সম্পাদক মনিরুল ইসলাম। নিহত মিলন ছিলেন সংসদ সদস্য মনিরুল ইসলামের অনুসারী।

উপজেলার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সালেহ মোহম্মদ মাসুদ করিম বলেন, ‘দলীয় কোন্দলে মিলন হোসেন খুন হয়েছেন। কয়েকজনের বিষয়ে প্রাথমিকভাবে তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি। তদন্তের স্বার্থে তাঁদের নাম প্রকাশ করছি না। তাঁরা পলাতক রয়েছেন। হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে এখনো মামলা হয়নি। আশা করছি, শিগগিরই আমরা ভালো খবর দিতে পারব।’