অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

শীতে কাঁপছে উত্তরের জনপদ

বাংলার খবর, দিনাজপুর: শীতে কাঁপছে উত্তরের জনপদ। শৈত্যপ্রবাহে ঘন কুয়াশা ও প্রচণ্ড ঠাণ্ডায় নাকাল হয়ে পড়েছে জনজীবন। শীতজনিত বিভিন্ন রোগবালাই দেখা দিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বোরোর বীজতলা, আলুসহ বিভিন্ন ফসল।

দিনাজপুরে শুক্রবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৮ দশমিক ডিগ্রি সেলসিয়াস। এটিই এ পর্যন্ত এই জেলায় এই মৌসুমের সর্বনিন্ম তাপমাত্রা বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

দিনাজপুর আঞ্চলিক আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তোফাজ্জুর হোসেন জানান, দিনাজপুরে গত ৫দিন ধরে ১১ থেকে ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে তাপমাত্রা ওঠানামা করছে। হঠাৎ করেই কমতে শুরু করেছে তাপমাত্রা।
শুক্রবার জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৮ দশমিক ডিগ্রি সেলসিয়াস। বৃহস্পতিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিলো ৮ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

তিনি জানিয়েছেন, গত তিন দিন ধরে এই অঞ্চল দিয়ে বইতে শুরু করেছে শৈত্যপ্রবাহ। তাই এই তাপমাত্রা আরও কমতে পারে। সকালে প্রচণ্ড কুয়াশার চাদরে ঢাকা থাকছে চারদিক। দিনের মাঝামাঝি সময় সূর্যের দেখা মিললেও কমছে না শীতের তীব্রতা। সেই সঙ্গে ৩ দিন ধরে বইছে শৈত্যপ্রবাহ। প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছেন না মানুষ। শীতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। আর শীতে নাকাল হয়ে পড়েছে বিভিন্ন বয়সের মানুষ। তীব্র শীতে সবচেয়ে দুর্ভোগে পড়েছে ছিন্নমূল ও নিন্ম আয়ের মানুষ। আর বিপাকে পড়েছে দৈনন্দিন খেটে খাওয়া কর্মজীবীরা। ঘন কুয়াশার কারণে সকালে ১০ ফুট দূরেও কোনো কিছু দেখা যাচ্ছে না। সড়কে যানবাহন হেড লাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে। এর পরও বাড়ছে দুর্ঘটনা। শীতবস্ত্রের আশায় গরিব ছিন্নমূল মানুষ চেয়ে আছে।

এদিকে শীতে নিউমোনিয়া,ডায়েরিয়া,আমাশয়. ঘাঁপানি পেটেরপীড়াসহ বিভিন্ন রোগীর সংখ্যা। দিনাজপুর জেনারেল হাসপাতালের শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. আব্দুল ওয়াহেদ জানান, এই শীতে শিশুদের গরম কাপড় দিয়ে মুড়িয়ে রাখার এবং শিশুকে যাতে শীত না লাগে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে ।

ঘন কুয়াশা ও শীতে বোরো বীজতলা, আলুসহ বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কৃষক।

দিনাজপুরের সদর উপজেলা উলিপুর এলাকার কৃষক রফিকুল ইসলাম জানান, শীতের কারণে তার বোরো বীজতলা ও আলু ক্ষেতে ছত্রাক জাতীয় রোগ দেখা দিয়েছে। এতে বাড়তি অর্থ ব্যয় করে ফসলে ছত্রাক জাতীয় ওষুধ স্প্রে ছেটানো হচ্ছে।

Tag :

বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ

শীতে কাঁপছে উত্তরের জনপদ

আপডেট টাইম : ১১:৫৯:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জানুয়ারী ২০১৮

বাংলার খবর, দিনাজপুর: শীতে কাঁপছে উত্তরের জনপদ। শৈত্যপ্রবাহে ঘন কুয়াশা ও প্রচণ্ড ঠাণ্ডায় নাকাল হয়ে পড়েছে জনজীবন। শীতজনিত বিভিন্ন রোগবালাই দেখা দিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বোরোর বীজতলা, আলুসহ বিভিন্ন ফসল।

দিনাজপুরে শুক্রবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৮ দশমিক ডিগ্রি সেলসিয়াস। এটিই এ পর্যন্ত এই জেলায় এই মৌসুমের সর্বনিন্ম তাপমাত্রা বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

দিনাজপুর আঞ্চলিক আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তোফাজ্জুর হোসেন জানান, দিনাজপুরে গত ৫দিন ধরে ১১ থেকে ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে তাপমাত্রা ওঠানামা করছে। হঠাৎ করেই কমতে শুরু করেছে তাপমাত্রা।
শুক্রবার জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৮ দশমিক ডিগ্রি সেলসিয়াস। বৃহস্পতিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিলো ৮ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

তিনি জানিয়েছেন, গত তিন দিন ধরে এই অঞ্চল দিয়ে বইতে শুরু করেছে শৈত্যপ্রবাহ। তাই এই তাপমাত্রা আরও কমতে পারে। সকালে প্রচণ্ড কুয়াশার চাদরে ঢাকা থাকছে চারদিক। দিনের মাঝামাঝি সময় সূর্যের দেখা মিললেও কমছে না শীতের তীব্রতা। সেই সঙ্গে ৩ দিন ধরে বইছে শৈত্যপ্রবাহ। প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছেন না মানুষ। শীতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। আর শীতে নাকাল হয়ে পড়েছে বিভিন্ন বয়সের মানুষ। তীব্র শীতে সবচেয়ে দুর্ভোগে পড়েছে ছিন্নমূল ও নিন্ম আয়ের মানুষ। আর বিপাকে পড়েছে দৈনন্দিন খেটে খাওয়া কর্মজীবীরা। ঘন কুয়াশার কারণে সকালে ১০ ফুট দূরেও কোনো কিছু দেখা যাচ্ছে না। সড়কে যানবাহন হেড লাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে। এর পরও বাড়ছে দুর্ঘটনা। শীতবস্ত্রের আশায় গরিব ছিন্নমূল মানুষ চেয়ে আছে।

এদিকে শীতে নিউমোনিয়া,ডায়েরিয়া,আমাশয়. ঘাঁপানি পেটেরপীড়াসহ বিভিন্ন রোগীর সংখ্যা। দিনাজপুর জেনারেল হাসপাতালের শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. আব্দুল ওয়াহেদ জানান, এই শীতে শিশুদের গরম কাপড় দিয়ে মুড়িয়ে রাখার এবং শিশুকে যাতে শীত না লাগে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে ।

ঘন কুয়াশা ও শীতে বোরো বীজতলা, আলুসহ বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কৃষক।

দিনাজপুরের সদর উপজেলা উলিপুর এলাকার কৃষক রফিকুল ইসলাম জানান, শীতের কারণে তার বোরো বীজতলা ও আলু ক্ষেতে ছত্রাক জাতীয় রোগ দেখা দিয়েছে। এতে বাড়তি অর্থ ব্যয় করে ফসলে ছত্রাক জাতীয় ওষুধ স্প্রে ছেটানো হচ্ছে।