অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

বরিশালের নির্বাচিত মেয়র আ’লীগের সাদিক আবদুল্লাহ

ডেস্ক: বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের নতুন মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। তিনি পেয়েছেন এক লাখ সাত হাজার ৩৫৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মেয়র প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার পেয়েছেন ১৩ হাজার ১৩৫ ভোট।

সোমবার রাত ১২টার সময় নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মুজিবুর রহমান এ ফলাফল ঘোষণা করেন। বরিশালের ১২৩টি কেন্দ্রের মধ্যে ১০৭টি কেন্দ্রের ফল ঘোষণা করা হয়েছে। স্থগিত রয়েছে ১৬টি কেন্দ্রের ফল।

এর আগে সোমবার সকাল ৮টা থেকে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে চলে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। এ সময়ের মধ্যে বিভিন্ন কেন্দ্র দখল, ভোটারদের মারধর ও ব্যালট পেপারে সিল মারাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ঘটনা ঘটে।

এসব ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুপুর ১২টায় তিনি ভোট কারচুপি, এজেন্টদের মারধর ও কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়ার অভিযোগ তুলে বরিশাল প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করে ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন বিএনপির মেয়র প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার।

বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে ৬ জন, সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৯৪ জন এবং সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ৩৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। মেয়র প্রার্থীরা হলেন, আওয়ামী লীগের সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ, বিএনপির মো. মজিবর রহমান সরওয়ার, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির আবুল কালাম আজাদ, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের মনিষা চক্রবর্তী, জাতীয় পার্টির ইকবাল হোসেন ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’র ওবাইদুর রহমান (মাহাবুব)।

এ সিটিতে মোট ভোটার দুই লাখ ৪২ হাজার ১৬৬ জন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার এক লাখ ২১ হাজার ৪৩৬ জন এবং নারী ভোটার রয়েছেন এক লাখ ২০ হাজার ৭৩০ জন।

নগরীর ১২৩টি কেন্দ্রের ৭৫০টি বুথে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এরমধ্যে ৪টি ওয়ার্ডের ১টি কেন্দ্রে ৭৮টি বুথে ভোটগ্রহণ হয় ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম)।

Tag :

বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ

বরিশালের নির্বাচিত মেয়র আ’লীগের সাদিক আবদুল্লাহ

আপডেট টাইম : ০৩:১১:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ জুলাই ২০১৮

ডেস্ক: বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের নতুন মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। তিনি পেয়েছেন এক লাখ সাত হাজার ৩৫৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মেয়র প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার পেয়েছেন ১৩ হাজার ১৩৫ ভোট।

সোমবার রাত ১২টার সময় নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মুজিবুর রহমান এ ফলাফল ঘোষণা করেন। বরিশালের ১২৩টি কেন্দ্রের মধ্যে ১০৭টি কেন্দ্রের ফল ঘোষণা করা হয়েছে। স্থগিত রয়েছে ১৬টি কেন্দ্রের ফল।

এর আগে সোমবার সকাল ৮টা থেকে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে চলে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। এ সময়ের মধ্যে বিভিন্ন কেন্দ্র দখল, ভোটারদের মারধর ও ব্যালট পেপারে সিল মারাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ঘটনা ঘটে।

এসব ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুপুর ১২টায় তিনি ভোট কারচুপি, এজেন্টদের মারধর ও কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়ার অভিযোগ তুলে বরিশাল প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করে ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন বিএনপির মেয়র প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার।

বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে ৬ জন, সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৯৪ জন এবং সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ৩৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। মেয়র প্রার্থীরা হলেন, আওয়ামী লীগের সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ, বিএনপির মো. মজিবর রহমান সরওয়ার, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির আবুল কালাম আজাদ, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের মনিষা চক্রবর্তী, জাতীয় পার্টির ইকবাল হোসেন ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’র ওবাইদুর রহমান (মাহাবুব)।

এ সিটিতে মোট ভোটার দুই লাখ ৪২ হাজার ১৬৬ জন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার এক লাখ ২১ হাজার ৪৩৬ জন এবং নারী ভোটার রয়েছেন এক লাখ ২০ হাজার ৭৩০ জন।

নগরীর ১২৩টি কেন্দ্রের ৭৫০টি বুথে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এরমধ্যে ৪টি ওয়ার্ডের ১টি কেন্দ্রে ৭৮টি বুথে ভোটগ্রহণ হয় ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম)।