পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক

অ্যাশের জীবনে এতগুলো প্রেম!

বাংলার খবর২৪.কম :500x350_bddadb3191b5ea7a583f0e08538396d3_image_99689_0 ভুবনমোহিনী আঁখির অধিকারিনী ঐশ্বরিয়া রাই৷ তার সৌন্দর্যের কদর ভারত ছাড়িয়ে গোটা বিশ্বের কাছেও পৌঁছে গিয়েছে বহুদিন আগেই৷ বিয়ের পরেও বচ্চন বধূর ফ্যান ফলোয়িং চড়চড়িয়ে বাড়ছে৷ তবে ঐশ্বরিয়ার প্রেম নিয়েও কৌতুহল আজও বিটাউনের আনাচে কানাচে আড়ি পাতলে শোনা যায়৷

সঞ্জয়লীলা বনশালির ছবি ‘হাম দিল দে চুকে’র সেটে ঐশ্বরিয়া তখন মগ্ন সল্লু মিঞাঁর প্রেমে৷ সকলে জানেন সেটাই ছিল তার প্রথম প্রেম৷ কিন্তু তা একেবারেই সত্য নয়৷ তখনও বিশ্বসুন্দরীর খেতাব পাননি অ্যাশ৷ সবে মডেলিং দুনিয়ায় পা রেখেছেন৷ তখন অপর এক মডেল রাজীর মুলচন্দানির মোহে আচ্ছন্ন ছিলেন নীলনয়না৷ যদিও ফিল্মে পা রাখার পর সে পাট একেবারেই চুকে যায়৷

এরপরেই ঐশ্বরিয়ার প্রেমে পড়েন সালমান খান৷ হাম দিল দে চুকে ছবির শ্যুটিং চলাকালীন প্রেমের পাদর চড়তে থাকে৷ ফিল্ম শেষ প্রেমও শেষ৷ অ্যাশের সঙ্গে সল্লুর ব্রেকআপটাও ছিল সাংঘাতিক৷ প্রেমিকাকে ধরে রাখতে কত কীই না করেছিলেন আজকের দাবাং খান৷ কিন্তু শেষমেশ হাত পা গুটিয়ে ‘যা পাখি উড়তে দিলাম তোকে’ বলেই নিজেকে সান্ত্বনা দিয়েছিলেন তিনি৷ এরপরেই ‘কিউ হো গায়া না’ ছবির মাধ্যমেই বিবেক ওবেরয়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা গড়ে ওঠে অ্যাশের৷ বলিউডে এমন কথা চাউর হয় যে ওয়েরয় খান্দানের পুত্রবধূ হবেন অ্যাশ৷ কিন্তু সে গুড়েও বালি৷ সল্লু মিঞাঁর হুমকি ফোন পেয়েই বিবেকের প্রেম মাথায় উঠল৷ অন্য দিকে ঐশ্বরিয়াও বুঝে গেলেন ফ্লপ হিরোর সঙ্গে প্রেম করে লাভের লাভ তার হবে না৷ তিনিও সড়ে পড়লেন বিবেকের জীবন থেকে৷

ঠিক তার পরেই ছোটে বচ্চন এন্ট্রি নিলেন অ্যাশের জীবনে৷ ‘কুছ না কহো’ ছবির শ্যুটিং চলাকালীনই অভিষেকের প্রেমে পড়লেন অ্যাশ৷ অ্যাশ বুঝে গিয়েছিলেন অভিষেক ফ্লপ হিরো হলেও বলিউডের এক নম্বর ফ্যামিলিতে এন্ট্রি চারটিখানি কথা নয়৷ আর যায় কোথায় হাজারো জল্পনার অবসান ঘটিয়ে শেষে ২০০৭ সালেই অভিষেকের গলাতেই মালা দিলেন বিশ্বসুন্দরী৷

এ না হয় গেল অ্যাশের প্রেম জীবন৷ কিন্তু কথায় আছে, প্রথম প্রেম নাকি ঙোলা যায় না৷ তার ওপর অ্যাশের জীবনে এতগুলো প্রেম৷ প্রাক্তনিদের কথা কি আজও মনে পড়ে অ্যাশের৷ তা হয়তো অ্যাশের অন্দরে লোকানো রয়েছে৷
আজ আর একথা বলে লাভ নেই৷ বচ্চন বধূ যে বর্তমানে এক মেয়ের মা৷ তাই মেয়ের মায়ের সম্পর্কে আর পানি ঘোলা করাটা ঠিক হবে না৷-ওয়েবসাইট।

Tag :

সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো

অ্যাশের জীবনে এতগুলো প্রেম!

আপডেট টাইম : ০২:২২:১৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৪

বাংলার খবর২৪.কম :500x350_bddadb3191b5ea7a583f0e08538396d3_image_99689_0 ভুবনমোহিনী আঁখির অধিকারিনী ঐশ্বরিয়া রাই৷ তার সৌন্দর্যের কদর ভারত ছাড়িয়ে গোটা বিশ্বের কাছেও পৌঁছে গিয়েছে বহুদিন আগেই৷ বিয়ের পরেও বচ্চন বধূর ফ্যান ফলোয়িং চড়চড়িয়ে বাড়ছে৷ তবে ঐশ্বরিয়ার প্রেম নিয়েও কৌতুহল আজও বিটাউনের আনাচে কানাচে আড়ি পাতলে শোনা যায়৷

সঞ্জয়লীলা বনশালির ছবি ‘হাম দিল দে চুকে’র সেটে ঐশ্বরিয়া তখন মগ্ন সল্লু মিঞাঁর প্রেমে৷ সকলে জানেন সেটাই ছিল তার প্রথম প্রেম৷ কিন্তু তা একেবারেই সত্য নয়৷ তখনও বিশ্বসুন্দরীর খেতাব পাননি অ্যাশ৷ সবে মডেলিং দুনিয়ায় পা রেখেছেন৷ তখন অপর এক মডেল রাজীর মুলচন্দানির মোহে আচ্ছন্ন ছিলেন নীলনয়না৷ যদিও ফিল্মে পা রাখার পর সে পাট একেবারেই চুকে যায়৷

এরপরেই ঐশ্বরিয়ার প্রেমে পড়েন সালমান খান৷ হাম দিল দে চুকে ছবির শ্যুটিং চলাকালীন প্রেমের পাদর চড়তে থাকে৷ ফিল্ম শেষ প্রেমও শেষ৷ অ্যাশের সঙ্গে সল্লুর ব্রেকআপটাও ছিল সাংঘাতিক৷ প্রেমিকাকে ধরে রাখতে কত কীই না করেছিলেন আজকের দাবাং খান৷ কিন্তু শেষমেশ হাত পা গুটিয়ে ‘যা পাখি উড়তে দিলাম তোকে’ বলেই নিজেকে সান্ত্বনা দিয়েছিলেন তিনি৷ এরপরেই ‘কিউ হো গায়া না’ ছবির মাধ্যমেই বিবেক ওবেরয়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা গড়ে ওঠে অ্যাশের৷ বলিউডে এমন কথা চাউর হয় যে ওয়েরয় খান্দানের পুত্রবধূ হবেন অ্যাশ৷ কিন্তু সে গুড়েও বালি৷ সল্লু মিঞাঁর হুমকি ফোন পেয়েই বিবেকের প্রেম মাথায় উঠল৷ অন্য দিকে ঐশ্বরিয়াও বুঝে গেলেন ফ্লপ হিরোর সঙ্গে প্রেম করে লাভের লাভ তার হবে না৷ তিনিও সড়ে পড়লেন বিবেকের জীবন থেকে৷

ঠিক তার পরেই ছোটে বচ্চন এন্ট্রি নিলেন অ্যাশের জীবনে৷ ‘কুছ না কহো’ ছবির শ্যুটিং চলাকালীনই অভিষেকের প্রেমে পড়লেন অ্যাশ৷ অ্যাশ বুঝে গিয়েছিলেন অভিষেক ফ্লপ হিরো হলেও বলিউডের এক নম্বর ফ্যামিলিতে এন্ট্রি চারটিখানি কথা নয়৷ আর যায় কোথায় হাজারো জল্পনার অবসান ঘটিয়ে শেষে ২০০৭ সালেই অভিষেকের গলাতেই মালা দিলেন বিশ্বসুন্দরী৷

এ না হয় গেল অ্যাশের প্রেম জীবন৷ কিন্তু কথায় আছে, প্রথম প্রেম নাকি ঙোলা যায় না৷ তার ওপর অ্যাশের জীবনে এতগুলো প্রেম৷ প্রাক্তনিদের কথা কি আজও মনে পড়ে অ্যাশের৷ তা হয়তো অ্যাশের অন্দরে লোকানো রয়েছে৷
আজ আর একথা বলে লাভ নেই৷ বচ্চন বধূ যে বর্তমানে এক মেয়ের মা৷ তাই মেয়ের মায়ের সম্পর্কে আর পানি ঘোলা করাটা ঠিক হবে না৷-ওয়েবসাইট।