পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

করোনা সন্দেহে ঘরছাড়া করলেন স্বজনরা, রাস্তায় কাতরাচ্ছেন নারী!

ডেস্ক:শরীরে জ্বর থাকায় করোনা সন্দেহে এক নারীকে ঘর থেকে বের করে দিয়েছেন তার স্বজনরা। অসহায় ওই নারীর এখন ঠাঁই হয়েছে রাস্তায়। সেখানেই তিনি খোলা আকাশের নিচে কাতরাচ্ছেন। ঘরছাড়া ওই নারীর নাম রেনিস বেগম মালা (৪২)।

রোববার রাতে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার সদর ইউনিয়নে মর্মান্তিক এ ঘটনা ঘটে।

রেনিস বেগম মালা উপজেলার সদর ইউনিয়নের উনিশ নম্বর গ্রামের মৃত নূর হোসেন হাওলাদারের মেয়ে। তিনি ঢাকার মুগদা থানার উত্তর মুগদাপাড়ায় থাকেন বলে জানা গেছে।

রেনিসের স্বজনরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে তিনি স্বামী পরিত্যক্তা। স্বামীর সঙ্গে দূরত্বের পর থেকেই তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এক সপ্তাহ আগে রেনিস ঢাকা থেকে রাঙ্গাবালী এসে উনিশ নম্বর গ্রামের সৎভাই জসিম হাওলাদারের বাড়িতে ঠাঁই নেন। কিন্তু কয়েক দিন ধরে রেনিস জ্বরে ভুগছেন।

গতকাল রাতে রেনিসের স্বজন ও স্থানীয় কয়েকজন তাকে ঘর থেকে বের করে দেন। এর পর থেকে খালগোড়া বাজারের চৌরাস্তায় গিয়ে খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছেন তিনি।

খালগোড়া বাজারের কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা জানান, রাত ৮টার দিকে চৌরাস্তায় একটি দোকানের সামনে রেনিস নামে এক নারী অসুস্থ অবস্থায় এসে আশ্রয় নেন। সেখানে তিনি কাতরাচ্ছিলেন। তাদের দাবি, তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন।

বর্তমানে করোনা পরিস্থিতি খোলা জায়গায় ওই নারী নিরাপদ নয় উল্লেখ করে এন্ট্রি করোনা ইউথ সোসাইটি রাঙ্গাবালীর স্বেচ্ছাসেবী গাজী মো. নাহিদ বলেন, বিষয়টি শুনে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে যাই। ইউএনওকেও বিষয়টি অবহিত করেছি।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাশফাকুর রহমান বলেন, ঘটনাটি শুনে আমি তাৎক্ষণিক খোঁজ নিয়েছি। তার ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলেছি। রাতে তার খাবারের ব্যবস্থা করেছি। ডাক্তারের সঙ্গেও কথা বলেছি। সোমবার সকালে তাকে এখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হবে। প্রয়োজনে উন্নত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হবে।

Tag :

বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ

করোনা সন্দেহে ঘরছাড়া করলেন স্বজনরা, রাস্তায় কাতরাচ্ছেন নারী!

আপডেট টাইম : ০২:৩৬:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২০

ডেস্ক:শরীরে জ্বর থাকায় করোনা সন্দেহে এক নারীকে ঘর থেকে বের করে দিয়েছেন তার স্বজনরা। অসহায় ওই নারীর এখন ঠাঁই হয়েছে রাস্তায়। সেখানেই তিনি খোলা আকাশের নিচে কাতরাচ্ছেন। ঘরছাড়া ওই নারীর নাম রেনিস বেগম মালা (৪২)।

রোববার রাতে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার সদর ইউনিয়নে মর্মান্তিক এ ঘটনা ঘটে।

রেনিস বেগম মালা উপজেলার সদর ইউনিয়নের উনিশ নম্বর গ্রামের মৃত নূর হোসেন হাওলাদারের মেয়ে। তিনি ঢাকার মুগদা থানার উত্তর মুগদাপাড়ায় থাকেন বলে জানা গেছে।

রেনিসের স্বজনরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে তিনি স্বামী পরিত্যক্তা। স্বামীর সঙ্গে দূরত্বের পর থেকেই তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এক সপ্তাহ আগে রেনিস ঢাকা থেকে রাঙ্গাবালী এসে উনিশ নম্বর গ্রামের সৎভাই জসিম হাওলাদারের বাড়িতে ঠাঁই নেন। কিন্তু কয়েক দিন ধরে রেনিস জ্বরে ভুগছেন।

গতকাল রাতে রেনিসের স্বজন ও স্থানীয় কয়েকজন তাকে ঘর থেকে বের করে দেন। এর পর থেকে খালগোড়া বাজারের চৌরাস্তায় গিয়ে খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছেন তিনি।

খালগোড়া বাজারের কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা জানান, রাত ৮টার দিকে চৌরাস্তায় একটি দোকানের সামনে রেনিস নামে এক নারী অসুস্থ অবস্থায় এসে আশ্রয় নেন। সেখানে তিনি কাতরাচ্ছিলেন। তাদের দাবি, তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন।

বর্তমানে করোনা পরিস্থিতি খোলা জায়গায় ওই নারী নিরাপদ নয় উল্লেখ করে এন্ট্রি করোনা ইউথ সোসাইটি রাঙ্গাবালীর স্বেচ্ছাসেবী গাজী মো. নাহিদ বলেন, বিষয়টি শুনে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে যাই। ইউএনওকেও বিষয়টি অবহিত করেছি।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাশফাকুর রহমান বলেন, ঘটনাটি শুনে আমি তাৎক্ষণিক খোঁজ নিয়েছি। তার ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলেছি। রাতে তার খাবারের ব্যবস্থা করেছি। ডাক্তারের সঙ্গেও কথা বলেছি। সোমবার সকালে তাকে এখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হবে। প্রয়োজনে উন্নত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হবে।