অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক

রাষ্ট্রপতির ক্ষমায় ফাঁসি থেকে মুক্ত, ফের খুন করলেন যুবলীগ নেতা

ডেস্কঃ খুন করলেন যুবলীগ নেতা- রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণ ভিক্ষা চেয়ে ফাঁসির দণ্ড থেকে মুক্তি পাওয়ার ৩ বছর পরে ফের হত্যা মা’মলার প্রধান আসামী হয়েছেন ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি আসলাম ফকির। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আসলাম ফকির ২০০৩ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজে’লার মানিকদহ ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান এ কে এম সাহেদ আলী ওরফে সাহেব আলী মিয়াকে হত্যা করেন।
সেই ঘটনায় তার ফাঁ’সির আদেশ হয়েছিল। তবে ফরিদপুর-৪ আসনের সাবেক সাংসদ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফরউল্যাহর তৎপরতায় সে যাত্রায় বেঁচে যান তিনি।
জে’ল থেকে মুক্তি পাওয়ার ৩ বছরের মা’থায় এবার ভাঙ্গা উপজে’লার মানিকদহ ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর গ্রামের শহীদ মাতুব্বরকে খু’নের অ’ভিযোগ সরাসরি আসলাম ফকিরের বি’রুদ্ধে। এই হ’ত্যা মা’মলায় আসলাম ফকিরকে প্রধান আ’সামি করে ৫৪ জনের বি’রুদ্ধে মা’মলা করা হয়েছে।
জানা গেছে, ২১ এপ্রিল রাত সাড়ে আটটায় লক্ষ্মীপুর গ্রামে বাড়ির বৃষ্টির টিনের পানি আরেক বাড়িতে পড়া নিয়ে আবারও দুদলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সং’ঘর্ষ হয়। এরপর আসলাম ফকির ও তার সঙ্গীদের সঙ্গে একই এলাকার শাজাহান মাতুব্বরের সম’র্থকদের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া হয়। একপর্যায়ে আসলাম ফকিরের লোকজন শাজাহান মাতুব্বরের সম’র্থক শহীদকে এ’লোপা’তাড়ি কু’পিয়ে জ’খম করেন। শহীদ পরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজে মা’রা যান। তিনি একজন কৃষক ছিলেন। তিনি নিক্সন চৌধুরীর কর্মী হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
এ বিষয়ে ভাঙ্গা থা’নার ভা’রপ্রাপ্ত কর্মক’র্তা শফিকুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, একটি ছোট ঘটনাকে কেন্দ্র করে আসলাম ফকিরের নেতৃত্বে এত বড় সং’ঘর্ষ হয়। রাষ্ট্রপতির ক্ষমা পেয়ে কা’রাগার থেকে মুক্ত হওয়ার পর থেকে তিনি যা ইচ্ছা তা-ই করছেন। তিনি থা’না-পু’লিশ কাউকে পরোয়া করেন না। তার বি’রুদ্ধে আগেও থা’নায় অ’ভিযোগ এসেছে। মূলত স্থানীয় আধিপত্যকে কেন্দ্র করে এই দুই গ্রুপের সং’ঘর্ষ হয়েছে। তিনি বলেন, এ মা’মলার প্রধান আ’সামি আসলাম ফকির প’লাতক। আ’সামিদের দ্রুত গ্রে’প্তার করা হবে।

Tag :

সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো

রাষ্ট্রপতির ক্ষমায় ফাঁসি থেকে মুক্ত, ফের খুন করলেন যুবলীগ নেতা

আপডেট টাইম : ১০:৪৩:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২০

ডেস্কঃ খুন করলেন যুবলীগ নেতা- রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণ ভিক্ষা চেয়ে ফাঁসির দণ্ড থেকে মুক্তি পাওয়ার ৩ বছর পরে ফের হত্যা মা’মলার প্রধান আসামী হয়েছেন ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি আসলাম ফকির। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আসলাম ফকির ২০০৩ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজে’লার মানিকদহ ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান এ কে এম সাহেদ আলী ওরফে সাহেব আলী মিয়াকে হত্যা করেন।
সেই ঘটনায় তার ফাঁ’সির আদেশ হয়েছিল। তবে ফরিদপুর-৪ আসনের সাবেক সাংসদ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফরউল্যাহর তৎপরতায় সে যাত্রায় বেঁচে যান তিনি।
জে’ল থেকে মুক্তি পাওয়ার ৩ বছরের মা’থায় এবার ভাঙ্গা উপজে’লার মানিকদহ ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর গ্রামের শহীদ মাতুব্বরকে খু’নের অ’ভিযোগ সরাসরি আসলাম ফকিরের বি’রুদ্ধে। এই হ’ত্যা মা’মলায় আসলাম ফকিরকে প্রধান আ’সামি করে ৫৪ জনের বি’রুদ্ধে মা’মলা করা হয়েছে।
জানা গেছে, ২১ এপ্রিল রাত সাড়ে আটটায় লক্ষ্মীপুর গ্রামে বাড়ির বৃষ্টির টিনের পানি আরেক বাড়িতে পড়া নিয়ে আবারও দুদলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সং’ঘর্ষ হয়। এরপর আসলাম ফকির ও তার সঙ্গীদের সঙ্গে একই এলাকার শাজাহান মাতুব্বরের সম’র্থকদের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া হয়। একপর্যায়ে আসলাম ফকিরের লোকজন শাজাহান মাতুব্বরের সম’র্থক শহীদকে এ’লোপা’তাড়ি কু’পিয়ে জ’খম করেন। শহীদ পরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজে মা’রা যান। তিনি একজন কৃষক ছিলেন। তিনি নিক্সন চৌধুরীর কর্মী হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
এ বিষয়ে ভাঙ্গা থা’নার ভা’রপ্রাপ্ত কর্মক’র্তা শফিকুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, একটি ছোট ঘটনাকে কেন্দ্র করে আসলাম ফকিরের নেতৃত্বে এত বড় সং’ঘর্ষ হয়। রাষ্ট্রপতির ক্ষমা পেয়ে কা’রাগার থেকে মুক্ত হওয়ার পর থেকে তিনি যা ইচ্ছা তা-ই করছেন। তিনি থা’না-পু’লিশ কাউকে পরোয়া করেন না। তার বি’রুদ্ধে আগেও থা’নায় অ’ভিযোগ এসেছে। মূলত স্থানীয় আধিপত্যকে কেন্দ্র করে এই দুই গ্রুপের সং’ঘর্ষ হয়েছে। তিনি বলেন, এ মা’মলার প্রধান আ’সামি আসলাম ফকির প’লাতক। আ’সামিদের দ্রুত গ্রে’প্তার করা হবে।