পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

১০ মাসের শিশু ১২ দিনে করোনার সাথে জয়ী হয়ে ফিরলো মায়ের বুকে

ডেস্কঃ ১০ মাস বয়সী শিশু আবির। দেশের সর্বকনিষ্ঠ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী। টানা ১২ দিন করোনার সঙ্গে যুদ্ধ করে জয়ী হয়েছে শিশু আবির।
গতকাল দুপুরে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে। এ নিয়ে চট্টগ্রামে দুই চিকিৎসকসহ ১৭ জন চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেন। জানা যায়, গত ২০ এপ্রিল বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেসের (বিআইটিআইডি) ল্যাবে চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার পূর্ব জোয়ারা এলাকায় ১০ মাসের শিশু আবিরের দেহে করোনা পজেটিভ শনাক্ত হয়। এরপর থেকে তাকে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসা শেষে শিশু আবিরকে পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। চিকিৎসাকালীন সময়ে এই শিশুর সঙ্গী ছিলেন মমতাময়ী মা রুমা আকতার।
করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হওয়ায় ঝুঁকি থাকার পরও তিনি এক মুহূর্তের জন্যও সন্তানকে একা রাখেননি। তবে শনিবার আবিরের সঙ্গে মায়ের নমুনাও করোনা নেগেটিভ আসে বলে জানা যায়।
চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক জামাল মোস্তাফা বলেন, ‘মাত্র ১০ মাসের শিশু করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় আমরাও চিন্তায় পড়ে যাই। তবে আল্লাহর মেহেরবানি, গত শুক্রবার তার দ্বিতীয় নমুনা পরীক্ষাটি নেগেটিভ আসে। তাই শনিবার আবিরকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেয়া হয়।
তিনি বলেন, এত কম বয়সী শিশুটি কিভাবে করোনায় আক্রান্ত হলো, এটি এখনো আমরা চিন্তা করছি। অথচ তার পরিবারের কেউ করোনায় আক্রান্ত নন। পরিবারের কারও বিদেশ ফেরতেরও ইতিহাস নেই। ধারণা করছি, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিউমোনিয়ার চিকিৎসাধীন থাকার সময় হয়তো কোনোভাবে সংক্রমিত হতে পারে।
জানা যায়, চট্টগ্রামে শনিবার পর্যন্ত ৭৩ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তাছাড়া দেশের বিভন্ন এলাকায় শনাক্ত আরও পাঁচজন চট্টগ্রামে চিকিৎসা নিচ্ছেন। শনিবারের পর্যন্ত চট্টগ্রামে এক শিশু, দুই বৃদ্ধ ও দুই নারীসহ মোট পাঁচজন করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যান। আইসোলেশনে মারা যান ছয়জন। তবে মৃত্যুর পর তাদের নমুনায় নেগেটিভ আসে। শনিবার পর্যন্ত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৪২ জন। এর মধ্যে ১৭ জন করোনা পজেটিভ। বর্তমানে আইসোলেশনে ভর্তি আছেন ৪৭ জন।

Tag :

বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ

১০ মাসের শিশু ১২ দিনে করোনার সাথে জয়ী হয়ে ফিরলো মায়ের বুকে

আপডেট টাইম : ০৪:০৭:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২০

ডেস্কঃ ১০ মাস বয়সী শিশু আবির। দেশের সর্বকনিষ্ঠ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী। টানা ১২ দিন করোনার সঙ্গে যুদ্ধ করে জয়ী হয়েছে শিশু আবির।
গতকাল দুপুরে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে। এ নিয়ে চট্টগ্রামে দুই চিকিৎসকসহ ১৭ জন চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেন। জানা যায়, গত ২০ এপ্রিল বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেসের (বিআইটিআইডি) ল্যাবে চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার পূর্ব জোয়ারা এলাকায় ১০ মাসের শিশু আবিরের দেহে করোনা পজেটিভ শনাক্ত হয়। এরপর থেকে তাকে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসা শেষে শিশু আবিরকে পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। চিকিৎসাকালীন সময়ে এই শিশুর সঙ্গী ছিলেন মমতাময়ী মা রুমা আকতার।
করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হওয়ায় ঝুঁকি থাকার পরও তিনি এক মুহূর্তের জন্যও সন্তানকে একা রাখেননি। তবে শনিবার আবিরের সঙ্গে মায়ের নমুনাও করোনা নেগেটিভ আসে বলে জানা যায়।
চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক জামাল মোস্তাফা বলেন, ‘মাত্র ১০ মাসের শিশু করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় আমরাও চিন্তায় পড়ে যাই। তবে আল্লাহর মেহেরবানি, গত শুক্রবার তার দ্বিতীয় নমুনা পরীক্ষাটি নেগেটিভ আসে। তাই শনিবার আবিরকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেয়া হয়।
তিনি বলেন, এত কম বয়সী শিশুটি কিভাবে করোনায় আক্রান্ত হলো, এটি এখনো আমরা চিন্তা করছি। অথচ তার পরিবারের কেউ করোনায় আক্রান্ত নন। পরিবারের কারও বিদেশ ফেরতেরও ইতিহাস নেই। ধারণা করছি, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিউমোনিয়ার চিকিৎসাধীন থাকার সময় হয়তো কোনোভাবে সংক্রমিত হতে পারে।
জানা যায়, চট্টগ্রামে শনিবার পর্যন্ত ৭৩ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তাছাড়া দেশের বিভন্ন এলাকায় শনাক্ত আরও পাঁচজন চট্টগ্রামে চিকিৎসা নিচ্ছেন। শনিবারের পর্যন্ত চট্টগ্রামে এক শিশু, দুই বৃদ্ধ ও দুই নারীসহ মোট পাঁচজন করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যান। আইসোলেশনে মারা যান ছয়জন। তবে মৃত্যুর পর তাদের নমুনায় নেগেটিভ আসে। শনিবার পর্যন্ত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৪২ জন। এর মধ্যে ১৭ জন করোনা পজেটিভ। বর্তমানে আইসোলেশনে ভর্তি আছেন ৪৭ জন।