পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

করোনা আইসোলেশন সেন্টারে চলছে প্রেম প্রেম খেলা!

ডেস্ক: করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে আক্রান্ত রোগীদের হাসপাতালের আইসোলেশন ইউনিটে রাখার নিয়ম করা হয়েছে। সেখানে চিকিৎসক ও নার্স ছাড়া রোগীর কাছে কেউ যেতে পারবেন না। কিন্তু জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার এক ব্যক্তি এই নিয়ম মানছেন না।

নিজে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকার পরও তিনি উপজেলার গোপীনাথপুর ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজির আইসোলেশন ইউনিটে ভর্তি হওয়া তার স্ত্রীর সঙ্গে থাকছেন। চিকিৎসকেরা অনেক চেষ্টা করেও তাকে সেখান থেকে সরাতে পারেননি।

শুধু তাই নয়, ওই আইসোলেশন ইউনিটে দ্বিতীয় তলায় ভর্তি থাকা এক তরুণী তৃতীয় তলার এক যুবকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন। অথচ তাদের এখানে রাখা হয়েছে করোনাভাইরাসের চিকিৎসা দেওয়ার জন্য। অনেকবার নিষেধ করার পরও আইসোলেশনে থাকা ওই তরুণ ও তরুণী তাদের নিজ নিজ তলার বারান্দায় দাঁড়িয়ে কথা বলছেন। ওই দুটি ঘটনার বিষয়ে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন এখানে দায়িত্ব পালনকারী কালাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা কর্মকর্তা শাহিন রেজা।
বুধবার রাতে শাহিন রেজা তার ফেসবুক আইডিতে দেওয়া পোস্টে গোপীনাথপুর ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজির আইসোলেশন ওয়ার্ডের কথা উল্লেখ করে জানান, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত স্ত্রীকে একা আইসোলেশন ইউনিটে যেতে দেননি স্বামী। সঙ্গে তিনিও রয়ে গেছেন। এদিকে আইসোলেশন ওয়ার্ডের দ্বিতীয় তলায় থাকা তরুণী এবং তিনতলায় থাকা এক যুবক প্রেম করছেন।

ফেসবুকের এই পোস্টের সত্যতা চিকিৎসক শাহিন রেজা নিজেই গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন। তার ওই পোস্ট দেখে এ বিষয়ে মন্তব্যও করেছেন অনেকে।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে শাহিন রেজা গণমাধ্যমকে বলেন, ‘বুধবার করোনায় আক্রান্ত নারীকে আইসোলেশনে আনা হলে তার স্বামী সঙ্গে আসেন। তারা একই সঙ্গে আইসোলেশনে থাকতে চান। বিব্রতকর পরিস্থিতিতে তাদের আইসোলেশনে পাঠাতে বাধ্য হয়েছি।’

এ বিষয়ে জয়পুরহাটের সিভিল সার্জন সেলিম মিঞা বলেন, ‘করোনায় আক্রান্ত এক নারীকে আইসোলেশন ইউনিটে আনা হলে তার স্বামী তার সঙ্গে ঢুকে পড়েন। স্বামীকে আইসোলেশন থেকে বের করে আনার পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। আইসোলেশনেও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। যদি কেউ নিয়ম না মেনে চলেন, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

Tag :

বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ

করোনা আইসোলেশন সেন্টারে চলছে প্রেম প্রেম খেলা!

আপডেট টাইম : ০৫:২২:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২০

ডেস্ক: করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে আক্রান্ত রোগীদের হাসপাতালের আইসোলেশন ইউনিটে রাখার নিয়ম করা হয়েছে। সেখানে চিকিৎসক ও নার্স ছাড়া রোগীর কাছে কেউ যেতে পারবেন না। কিন্তু জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার এক ব্যক্তি এই নিয়ম মানছেন না।

নিজে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকার পরও তিনি উপজেলার গোপীনাথপুর ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজির আইসোলেশন ইউনিটে ভর্তি হওয়া তার স্ত্রীর সঙ্গে থাকছেন। চিকিৎসকেরা অনেক চেষ্টা করেও তাকে সেখান থেকে সরাতে পারেননি।

শুধু তাই নয়, ওই আইসোলেশন ইউনিটে দ্বিতীয় তলায় ভর্তি থাকা এক তরুণী তৃতীয় তলার এক যুবকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন। অথচ তাদের এখানে রাখা হয়েছে করোনাভাইরাসের চিকিৎসা দেওয়ার জন্য। অনেকবার নিষেধ করার পরও আইসোলেশনে থাকা ওই তরুণ ও তরুণী তাদের নিজ নিজ তলার বারান্দায় দাঁড়িয়ে কথা বলছেন। ওই দুটি ঘটনার বিষয়ে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন এখানে দায়িত্ব পালনকারী কালাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা কর্মকর্তা শাহিন রেজা।
বুধবার রাতে শাহিন রেজা তার ফেসবুক আইডিতে দেওয়া পোস্টে গোপীনাথপুর ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজির আইসোলেশন ওয়ার্ডের কথা উল্লেখ করে জানান, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত স্ত্রীকে একা আইসোলেশন ইউনিটে যেতে দেননি স্বামী। সঙ্গে তিনিও রয়ে গেছেন। এদিকে আইসোলেশন ওয়ার্ডের দ্বিতীয় তলায় থাকা তরুণী এবং তিনতলায় থাকা এক যুবক প্রেম করছেন।

ফেসবুকের এই পোস্টের সত্যতা চিকিৎসক শাহিন রেজা নিজেই গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন। তার ওই পোস্ট দেখে এ বিষয়ে মন্তব্যও করেছেন অনেকে।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে শাহিন রেজা গণমাধ্যমকে বলেন, ‘বুধবার করোনায় আক্রান্ত নারীকে আইসোলেশনে আনা হলে তার স্বামী সঙ্গে আসেন। তারা একই সঙ্গে আইসোলেশনে থাকতে চান। বিব্রতকর পরিস্থিতিতে তাদের আইসোলেশনে পাঠাতে বাধ্য হয়েছি।’

এ বিষয়ে জয়পুরহাটের সিভিল সার্জন সেলিম মিঞা বলেন, ‘করোনায় আক্রান্ত এক নারীকে আইসোলেশন ইউনিটে আনা হলে তার স্বামী তার সঙ্গে ঢুকে পড়েন। স্বামীকে আইসোলেশন থেকে বের করে আনার পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। আইসোলেশনেও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। যদি কেউ নিয়ম না মেনে চলেন, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’