অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

পেঁয়াজের কেজি ১৭ টাকা

হিলি প্রতিনিধি : মহামারি করোনার কারণে দেশের সবগুলো স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে পেঁয়াজসহ অন্যন্যে পণ্য আমদানি বন্ধ থাকায় দেশের বাজারে বাড়তে থাকে পেঁয়াজের দাম। আর পেঁয়াজ কিনতে এসে বিপাকে পড়তে হতো সাধারণ ক্রেতাদের। তবে এখন সাধারণ ক্রেতাদের মাঝে স্বস্তি ফিরে আসার সময় এসেছে। চলতি সপ্তাহে রেলযোগে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হওয়ায় ইতিমধ্যে হিলিসহ আশপাশের এলাকায় পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, করোনা পরিস্থিতির কারণে লকডাউনের সময় স্থানীয় বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে। তবে সপ্তাহের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম অনেকটাই সাধারণ ক্রেতাদের হাতের নাগালে আসতে শুরু করেছে। রেলযোগে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরুর পর থেকে হিলিতে কমতে শুরু করেছে পেঁয়াজের দাম। দুই দিনের ব্যবধানে কেজিতে ৭ থেকে ৮ টাকা কমে হিলির আড়ৎগুলোতে প্রকারভেদে প্রতিকেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৬ থেকে ১৮ টাকা কেজি দরে।

হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারক শহিদুল ইসলাম বলেন, করোনা পরিস্থিতির কারণে স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি কার্যক্রম বন্ধ থাকায় ভারত থেকে রেলপথে মালবাহী ট্রেনে করে পেঁয়াজ আমদানি আমরা শুরু করেছি। চলতি সপ্তাহে দুইটি মালবাহী ট্রেনের ৮৪ টি বগিতে ৩ হাজার ৩শ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। আড়ৎগুলোতে পেঁয়াজের সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় দাম কমতে শুরু করেছে। আজ প্রতিকেজি পেঁয়াজ বিক্রি করছি ১৬ থেকে ১৮ টাকা কেজি দরে। আশা করছি আগামী কোরবানী ঈদে পেঁয়াজের দাম বাড়বে না।

পেঁয়াজ কিনতে আসা কয়েকজন পাইকার বলেন, রেলপথে ভারত থেকে পেঁয়াজ আসা দাম কমতে শুরু করেছে। গত দুই দিনের থেকে কেজিতে ৮ টাকা দাম কমেছে। পেঁয়াজের দাম কমায় আমরা বেশি বেশি পেঁয়াজ কিনছি।আর এসব পেঁয়াজ সরবরাহ করা হচ্ছে ঢাকা, বরিশাল, চট্রগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে।

Tag :

বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ

পেঁয়াজের কেজি ১৭ টাকা

আপডেট টাইম : ১২:৪৯:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২০

হিলি প্রতিনিধি : মহামারি করোনার কারণে দেশের সবগুলো স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে পেঁয়াজসহ অন্যন্যে পণ্য আমদানি বন্ধ থাকায় দেশের বাজারে বাড়তে থাকে পেঁয়াজের দাম। আর পেঁয়াজ কিনতে এসে বিপাকে পড়তে হতো সাধারণ ক্রেতাদের। তবে এখন সাধারণ ক্রেতাদের মাঝে স্বস্তি ফিরে আসার সময় এসেছে। চলতি সপ্তাহে রেলযোগে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হওয়ায় ইতিমধ্যে হিলিসহ আশপাশের এলাকায় পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, করোনা পরিস্থিতির কারণে লকডাউনের সময় স্থানীয় বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে। তবে সপ্তাহের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম অনেকটাই সাধারণ ক্রেতাদের হাতের নাগালে আসতে শুরু করেছে। রেলযোগে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরুর পর থেকে হিলিতে কমতে শুরু করেছে পেঁয়াজের দাম। দুই দিনের ব্যবধানে কেজিতে ৭ থেকে ৮ টাকা কমে হিলির আড়ৎগুলোতে প্রকারভেদে প্রতিকেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৬ থেকে ১৮ টাকা কেজি দরে।

হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারক শহিদুল ইসলাম বলেন, করোনা পরিস্থিতির কারণে স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি কার্যক্রম বন্ধ থাকায় ভারত থেকে রেলপথে মালবাহী ট্রেনে করে পেঁয়াজ আমদানি আমরা শুরু করেছি। চলতি সপ্তাহে দুইটি মালবাহী ট্রেনের ৮৪ টি বগিতে ৩ হাজার ৩শ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। আড়ৎগুলোতে পেঁয়াজের সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় দাম কমতে শুরু করেছে। আজ প্রতিকেজি পেঁয়াজ বিক্রি করছি ১৬ থেকে ১৮ টাকা কেজি দরে। আশা করছি আগামী কোরবানী ঈদে পেঁয়াজের দাম বাড়বে না।

পেঁয়াজ কিনতে আসা কয়েকজন পাইকার বলেন, রেলপথে ভারত থেকে পেঁয়াজ আসা দাম কমতে শুরু করেছে। গত দুই দিনের থেকে কেজিতে ৮ টাকা দাম কমেছে। পেঁয়াজের দাম কমায় আমরা বেশি বেশি পেঁয়াজ কিনছি।আর এসব পেঁয়াজ সরবরাহ করা হচ্ছে ঢাকা, বরিশাল, চট্রগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে।