পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

‘আমি বিবাহিত, শয়তানের ধোকায় ভুল করেছি’

ডেস্ক: ‘আমি বিবাহিত। আমার একটি কন্যা সন্তানও আছে। শয়তানের ধোকায় পড়ে আমি ওই ছাত্রের সঙ্গে ভুল করেছি’। এভাবেই বলেছেন লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে ছাত্রকে (১৩) যৌন নিপীড়নের দায়ে অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক শাহাদাত হোসেন। তিনি উপজেলার তাহযীবুল উম্মাহ ইসলামিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষক ও রামগঞ্জ পৌর শহরের বাসিন্দা।

পুলিশ জানায়, শনিবার (১৯ জুন) সকালে বলাৎকারের চেষ্টার ঘটনায় থানায় মামলা করেন ওই ছাত্রের মা। পরে মাদ্রাসা থেকে শিক্ষক শাহাদাতকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের কাছে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। পরে তাকে লক্ষ্মীপুর আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মাদ্রাসার হিসাব রক্ষক রুবেল ও নির্যাতনের শিকার ছাত্রের মা জানান, জানুয়ারি মাসে মাদরাসার হেফজ বিভাগে ভর্তি হয় ওই ছাত্র। গত একমাস ধরে মধ্যরাতে মাঝে মাঝে ওই ছাত্রকে মাথা ও শরীর মালিশ করার কথা বলে শাহাদাত কৌশলে ডেকে নিয়ে যেতেন। তাকে বলাৎকারের চেষ্টা করতেন। এসব ঘটনা কাউকে না বলতে ছাত্রকে শপথও করানো হয়।

তারা আরো জানান, মঙ্গলবার বিকেলে ওই ছাত্রকে মাদ্রাসার তিন তলার কক্ষে নিয়ে আবারো বলাৎকারের চেষ্টা করেন ওই শিক্ষক। বৃহস্পতিবার ছুটিতে বাড়িতে গিয়ে সে তার মাকে সব জানায়। ঘটনাটির বিচার দাবি জানিয়ে শুক্রবার বিকালে ছাত্রের মা মাদ্রাসার পরিচালনা কমিটির কাছে অভিযোগ দেন। তাৎক্ষণিক মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আব্দুল বাতেন ওই শিক্ষককে বরখাস্ত করে ছাত্রের মায়ের কাছে ক্ষমা চাইতে বলেন।

রায়পুর পৌরসভার কাউন্সিলর আবু নাসের বাবু বলেন, বছরের শুরুতেও মাদ্রাসা এ ধরনের আরো একটি ঘটনা ঘটিয়েছে ওই শিক্ষক। আরেক ছাত্রকে বেত্রাঘাত করে জখম করার ঘটনায় তোলপাড় হয়েছিলো। এমন ঘটনায় তার কঠোর শাস্তি দাবি করছি।

রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল জলিল বলেন, ছাত্রের ওপর নির্যাতনের ঘটনায় মামলা হয়েছে। মাদ্রাসা শিক্ষককে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

Tag :

বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ

‘আমি বিবাহিত, শয়তানের ধোকায় ভুল করেছি’

আপডেট টাইম : ০৪:৩৮:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ জুন ২০২১

ডেস্ক: ‘আমি বিবাহিত। আমার একটি কন্যা সন্তানও আছে। শয়তানের ধোকায় পড়ে আমি ওই ছাত্রের সঙ্গে ভুল করেছি’। এভাবেই বলেছেন লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে ছাত্রকে (১৩) যৌন নিপীড়নের দায়ে অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক শাহাদাত হোসেন। তিনি উপজেলার তাহযীবুল উম্মাহ ইসলামিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষক ও রামগঞ্জ পৌর শহরের বাসিন্দা।

পুলিশ জানায়, শনিবার (১৯ জুন) সকালে বলাৎকারের চেষ্টার ঘটনায় থানায় মামলা করেন ওই ছাত্রের মা। পরে মাদ্রাসা থেকে শিক্ষক শাহাদাতকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের কাছে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। পরে তাকে লক্ষ্মীপুর আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মাদ্রাসার হিসাব রক্ষক রুবেল ও নির্যাতনের শিকার ছাত্রের মা জানান, জানুয়ারি মাসে মাদরাসার হেফজ বিভাগে ভর্তি হয় ওই ছাত্র। গত একমাস ধরে মধ্যরাতে মাঝে মাঝে ওই ছাত্রকে মাথা ও শরীর মালিশ করার কথা বলে শাহাদাত কৌশলে ডেকে নিয়ে যেতেন। তাকে বলাৎকারের চেষ্টা করতেন। এসব ঘটনা কাউকে না বলতে ছাত্রকে শপথও করানো হয়।

তারা আরো জানান, মঙ্গলবার বিকেলে ওই ছাত্রকে মাদ্রাসার তিন তলার কক্ষে নিয়ে আবারো বলাৎকারের চেষ্টা করেন ওই শিক্ষক। বৃহস্পতিবার ছুটিতে বাড়িতে গিয়ে সে তার মাকে সব জানায়। ঘটনাটির বিচার দাবি জানিয়ে শুক্রবার বিকালে ছাত্রের মা মাদ্রাসার পরিচালনা কমিটির কাছে অভিযোগ দেন। তাৎক্ষণিক মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আব্দুল বাতেন ওই শিক্ষককে বরখাস্ত করে ছাত্রের মায়ের কাছে ক্ষমা চাইতে বলেন।

রায়পুর পৌরসভার কাউন্সিলর আবু নাসের বাবু বলেন, বছরের শুরুতেও মাদ্রাসা এ ধরনের আরো একটি ঘটনা ঘটিয়েছে ওই শিক্ষক। আরেক ছাত্রকে বেত্রাঘাত করে জখম করার ঘটনায় তোলপাড় হয়েছিলো। এমন ঘটনায় তার কঠোর শাস্তি দাবি করছি।

রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল জলিল বলেন, ছাত্রের ওপর নির্যাতনের ঘটনায় মামলা হয়েছে। মাদ্রাসা শিক্ষককে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।