পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

নিজ বাড়ির সামনে বিএনপি নেতাকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা

ডেস্ক: নোয়াখালী সদর উপজেলার আন্ডারচর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ মোল্লাকে (৫০) গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় নিহত হারুনুর রশিদ মোল্লার ভাতিজা রমিজ উদ্দিন ও গিয়াস উদ্দিন নামে দুইজনকে আহত অবস্থায় নোয়াখালী সদর হাসপাতালে ভর্তি করার পর রমিজকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার পশ্চিম মাইজচরা গ্রামের চৌকিদারহাট বাজার এলাকায় এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

নিহত হারুনুর রশিদ মোল্লা উপজেলার পশ্চিম মাইজচরা গ্রামের নছিবুল হকের ছেলে এবং আন্ডারচর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি ওই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দুইবার বিএনপির সমর্থন নিয়ে নির্বাচন করেছিলেন।

আন্ডারচর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক মেম্বার আহম্মদ উল্যা ও কাজী আলী আহম্মদ বলেন, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে রমিজ উদ্দিন ও গিয়াস উদ্দিনকে নিয়ে মোটরসাইকেলে চৌকিদারহাট বাজারে যাচ্ছিলেন হারুনুর রশিদ মোল্লা। তাদের মোটরসাইকেলটি চৌকিদারহাটের পশ্চিম পাশে সাদাবুড়ির মসজিদ সংলগ্ন নার্সারির সামনে পৌঁছলে অতর্কিত গুলি ছোড়ে দুর্বৃত্তরা।

এ সময় হারুন মোল্লাসহ অন্য দুইজন মোটরসাইকেল থেকে পড়ে গেলে হারুন মোল্লাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। পরে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে সন্ত্রাসীরা ফাঁকা গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায়। এরপর হারুন মোল্লাসহ অপর দুইজনকে উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পথেই হারুন মোল্লার মৃত্যু হয়। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে একাধিক গুলির চিহৃ ও কোপের দাগ রয়েছে বলেও জানান স্থানীয়রা।

নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক সৈয়দ মহিউদ্দিন আবদুল আজিম বলেন, হারুনুর রশিদ মোল্লাকে নিহত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছে। ওই ঘটনায় আরও দুইজন আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো.আকরামুল হাসান হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ঘটনাস্থল থেকে নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত পরে বলা যাবে।

Tag :

বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ

নিজ বাড়ির সামনে বিএনপি নেতাকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা

আপডেট টাইম : ০৫:৩০:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ অগাস্ট ২০২১

ডেস্ক: নোয়াখালী সদর উপজেলার আন্ডারচর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ মোল্লাকে (৫০) গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় নিহত হারুনুর রশিদ মোল্লার ভাতিজা রমিজ উদ্দিন ও গিয়াস উদ্দিন নামে দুইজনকে আহত অবস্থায় নোয়াখালী সদর হাসপাতালে ভর্তি করার পর রমিজকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার পশ্চিম মাইজচরা গ্রামের চৌকিদারহাট বাজার এলাকায় এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

নিহত হারুনুর রশিদ মোল্লা উপজেলার পশ্চিম মাইজচরা গ্রামের নছিবুল হকের ছেলে এবং আন্ডারচর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি ওই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দুইবার বিএনপির সমর্থন নিয়ে নির্বাচন করেছিলেন।

আন্ডারচর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক মেম্বার আহম্মদ উল্যা ও কাজী আলী আহম্মদ বলেন, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে রমিজ উদ্দিন ও গিয়াস উদ্দিনকে নিয়ে মোটরসাইকেলে চৌকিদারহাট বাজারে যাচ্ছিলেন হারুনুর রশিদ মোল্লা। তাদের মোটরসাইকেলটি চৌকিদারহাটের পশ্চিম পাশে সাদাবুড়ির মসজিদ সংলগ্ন নার্সারির সামনে পৌঁছলে অতর্কিত গুলি ছোড়ে দুর্বৃত্তরা।

এ সময় হারুন মোল্লাসহ অন্য দুইজন মোটরসাইকেল থেকে পড়ে গেলে হারুন মোল্লাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। পরে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে সন্ত্রাসীরা ফাঁকা গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায়। এরপর হারুন মোল্লাসহ অপর দুইজনকে উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পথেই হারুন মোল্লার মৃত্যু হয়। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে একাধিক গুলির চিহৃ ও কোপের দাগ রয়েছে বলেও জানান স্থানীয়রা।

নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক সৈয়দ মহিউদ্দিন আবদুল আজিম বলেন, হারুনুর রশিদ মোল্লাকে নিহত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছে। ওই ঘটনায় আরও দুইজন আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো.আকরামুল হাসান হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ঘটনাস্থল থেকে নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত পরে বলা যাবে।