পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক

গণপরিবহনে কেউ মানছে না স্বাস্থ্যবিধি

ডেস্ক: গণপরিবহনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে যত আসন তত যাত্রী পরিহনের সিদ্ধান্ত নেয়া হলেও তা যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে না। বিধিনিষেধ ভঙ্গ করে অধিকাংশ বাসে ঠাসাঠাসি করে যাত্রী বহন করা হচ্ছে। স্বাস্থ্যবিধির লেশমাত্র নেই বললেই চলে।

শনিবার (১৫ জানুয়ারি) সকালে সরেজমিনে রাজধানীর গুলিস্তান-পল্টন এলাকায় ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

দেশে করোনার সংক্রমণ আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে যাওয়ায় গত ১৩ জানুয়ারি থেকে সরকারের ১১ দফা নির্দেশনা কার্যকর হয়েছে। নির্দেশনা অনুযায়ী, গণপরিবহনে সক্ষমতার অর্ধেক যাত্রী পরিবহনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে যত আসন তত যাত্রী পরিবহনের ঘোষণা আসে। কিন্তু বাস্তবচিত্র দেখা গেলো পুরোটাই উল্টো।

শনিবার সকালে রাজধানীর গুলিস্তান থেকে নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, মিরপুর, শ্যামলী, গাবতলী ও সাভার রুটে চলাচল করা অধিকাংশ বাসে স্বাস্থ্যবিধি না মেনেই যাত্রী পরিবহন করতে দেখা যায়।

এর মধ্যে অন্যতম মেঘলা পরিবহন, গ্লোরী পরিবহন, আসিয়ান পরিবহন, ট্রান্স সিলভা, ঠিকানা, বোরাক পরিবহন, আনন্দ পরিবহন, বন্ধন, মৌমিতা, ওয়েলকাম পরিবহন, মিরপুর মেট্রো সার্ভিস, বৈশাখী পরিবহন, প্রজাপতি, গাবতলী এক্সপ্রেস, বাহন পরিবহন, আলিফ, এস এম লাভলী, দিশারী, নিউ ভিশন, সজন, হিমাচল ও সাভার পরিবহন।

এসব বাসে আসন সংখ্যার বেশি ঠাসাঠাসি করে যাত্রী উঠানো হচ্ছে। অধিকাংশ বাসে হ্যান্ড স্যানিটাইজার বা জীবাণুনাশক স্প্রের ব্যবস্থা দেখা যায়নি। এছাড়া যাত্রীদের মধ্যেও দেখা গেছে স্বাস্ব্যবিধি মানায় অনীহা। অনেকের মুখেই মাস্ক ছিলো না। কারো হাতে মাস্ক, কারো থুতনিতে বা পকেটে। কাউকে গণপরিবহনে স্বাস্থ্যবিধি মানার বিষয়ে তদারকি করতেও দেখা যায়নি।

এসব বিষয়ে কথা বলতে রাজি হচ্ছিলেন না বাসের হেলপার-চালকরা। সাংবাদিক পরিচয় শুনেই এড়িয়ে চলার চেষ্টা করছিলেন তারা। স্বাস্থ্যবিধি না মেনে গণপরিবহনে চলাচলের বিষয়ে কথা বলতে নারাজ যাত্রীরাও। মাস্ক কোথায় জিজ্ঞাস করায় কেউ কেউ পাল্টা প্রশ্ন করছিলেন, আমি মাস্ক পরিনি তাতে আপনার সমস্যা কোথায়?

এদিকে স্বাস্থ্যবিধি না মানলে পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে বলে সাবধান করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

তিনি বলেছেন, করোনার বিধিনিষেধ না মানলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হবে, তখন বাধ্য হয়ে লকডাউন দিতে হবে। কিন্তু লকডাউন দিলে দেশের ক্ষতি হবে। আমরা সেদিকে যেতে চাই না। আমরা চাই সবাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুক।

Tag :

সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো

গণপরিবহনে কেউ মানছে না স্বাস্থ্যবিধি

আপডেট টাইম : ০২:২৪:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২২

ডেস্ক: গণপরিবহনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে যত আসন তত যাত্রী পরিহনের সিদ্ধান্ত নেয়া হলেও তা যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে না। বিধিনিষেধ ভঙ্গ করে অধিকাংশ বাসে ঠাসাঠাসি করে যাত্রী বহন করা হচ্ছে। স্বাস্থ্যবিধির লেশমাত্র নেই বললেই চলে।

শনিবার (১৫ জানুয়ারি) সকালে সরেজমিনে রাজধানীর গুলিস্তান-পল্টন এলাকায় ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

দেশে করোনার সংক্রমণ আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে যাওয়ায় গত ১৩ জানুয়ারি থেকে সরকারের ১১ দফা নির্দেশনা কার্যকর হয়েছে। নির্দেশনা অনুযায়ী, গণপরিবহনে সক্ষমতার অর্ধেক যাত্রী পরিবহনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে যত আসন তত যাত্রী পরিবহনের ঘোষণা আসে। কিন্তু বাস্তবচিত্র দেখা গেলো পুরোটাই উল্টো।

শনিবার সকালে রাজধানীর গুলিস্তান থেকে নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, মিরপুর, শ্যামলী, গাবতলী ও সাভার রুটে চলাচল করা অধিকাংশ বাসে স্বাস্থ্যবিধি না মেনেই যাত্রী পরিবহন করতে দেখা যায়।

এর মধ্যে অন্যতম মেঘলা পরিবহন, গ্লোরী পরিবহন, আসিয়ান পরিবহন, ট্রান্স সিলভা, ঠিকানা, বোরাক পরিবহন, আনন্দ পরিবহন, বন্ধন, মৌমিতা, ওয়েলকাম পরিবহন, মিরপুর মেট্রো সার্ভিস, বৈশাখী পরিবহন, প্রজাপতি, গাবতলী এক্সপ্রেস, বাহন পরিবহন, আলিফ, এস এম লাভলী, দিশারী, নিউ ভিশন, সজন, হিমাচল ও সাভার পরিবহন।

এসব বাসে আসন সংখ্যার বেশি ঠাসাঠাসি করে যাত্রী উঠানো হচ্ছে। অধিকাংশ বাসে হ্যান্ড স্যানিটাইজার বা জীবাণুনাশক স্প্রের ব্যবস্থা দেখা যায়নি। এছাড়া যাত্রীদের মধ্যেও দেখা গেছে স্বাস্ব্যবিধি মানায় অনীহা। অনেকের মুখেই মাস্ক ছিলো না। কারো হাতে মাস্ক, কারো থুতনিতে বা পকেটে। কাউকে গণপরিবহনে স্বাস্থ্যবিধি মানার বিষয়ে তদারকি করতেও দেখা যায়নি।

এসব বিষয়ে কথা বলতে রাজি হচ্ছিলেন না বাসের হেলপার-চালকরা। সাংবাদিক পরিচয় শুনেই এড়িয়ে চলার চেষ্টা করছিলেন তারা। স্বাস্থ্যবিধি না মেনে গণপরিবহনে চলাচলের বিষয়ে কথা বলতে নারাজ যাত্রীরাও। মাস্ক কোথায় জিজ্ঞাস করায় কেউ কেউ পাল্টা প্রশ্ন করছিলেন, আমি মাস্ক পরিনি তাতে আপনার সমস্যা কোথায়?

এদিকে স্বাস্থ্যবিধি না মানলে পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে বলে সাবধান করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

তিনি বলেছেন, করোনার বিধিনিষেধ না মানলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হবে, তখন বাধ্য হয়ে লকডাউন দিতে হবে। কিন্তু লকডাউন দিলে দেশের ক্ষতি হবে। আমরা সেদিকে যেতে চাই না। আমরা চাই সবাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুক।