পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক

ঈদযাত্রায় দুর্ঘটনা-মৃত্যুর সংখ্যাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত আখ্যা দিয়ে ব্যাখ্যা চাইল বিআরটিএ

ডেস্ক :ঈদের আগে পরে ১৫ দিনে সড়কে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির যে পরিসংখ্যান যাত্রী কল্যাণ সমিতি প্রকাশ করেছে, সেটিকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে আখ্যা দিয়েছে সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। দুর্ঘটনার স্থান, গাড়ির নম্বর, হতাহতের নাম পরিচয়সহ বিস্তারিত তথ্য তিনদিনের মধ্যে দিতে সমিতিকে চিঠি দিয়েছে বিআরটিএ।

বুধবার এ চিঠি দেওয়া হয়। এর আগেরদিন গত মঙ্গলবার যাত্রী কল্যাণ সমিতি জানিয়েছিল ১৫ থেকে ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত ঈদযাত্রায় ৩০৪ সড়ক দুর্ঘটনায় ৩২৮ জন নিহত এবং ৫৬৫ জন আহত হয়েছেন। বিআরটিএ’র সহকারী পরিচালক আবদুল আউয়াল স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, কীসের ভিত্তিতে ঈদযাত্রা ১৫ দিন নির্ধারণ করেছে যাত্রী কল্যাণ সমিতি।

চিঠিতে বলা হয়েছে, ঈদের ছুটি ছিল ১৯ থেকে ২৩ এপ্রিল। ঈদযাত্রা নিরাপদ করতে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা ছিল ১৭ থেকে ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত। এ হিসেবে ঈদযাত্রা সর্বোচ্চ ৯ দিন বিবেচনা করা যায়। এই সময়ে ১৪২টি দুর্ঘটনায় ১৩৬ জন নিহত এবং ২৫৮ জন আহত হয়েছে। সংবাদপত্র ও পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় এবং যাচাই বাছাই করে এই সংখ্যা পেয়েছে বিআরটিএ। যা সঠিক ও বস্তুনিষ্ঠ।

চিঠিতে বলা হয়েছে, বিআরটিএর পরিসংখ্যান অনুযায়ী ১৫ থেকে ২৯ এপ্রিলের মধ্যে ২৫৩ দুর্ঘটনায় ২৩৯ জন নিহত হয়েছেন। যাত্রী কল্যাণ সমিতির দুর্ঘটনার সংখ্যা ৫১টি এবং নিহতের সংখ্যা ৮৯ জন বেশি দেখানো হয়েছে। যা অসামঞ্জস্যপূর্ণ ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

চিঠিতে বলা হয়েছে, সংবাদমাধ্যমের খবরের ভিত্তিতে তৈরি দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির পরিসংখ্যান জনসম্মুখে প্রকাশ না করতে গত ১৭ এপ্রিলের সভায় যাত্রী কল্যাণ সমিতিসহ অন্যান্য বেসরকারি সংগঠনগুলো একমত হয়েছিল। সরেজমিনে যাচাই-বাছাই ছাড়া প্রকাশিত বিভিন্ন সংগঠনের পরিসংখ্যানে হতাহতের সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন হয়। যা জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে।
এর আগে গত ১২ এপ্রিল বিআরটিএ যাচাইবাছাই ছাড়া পরিসংখ্যান প্রকাশ না করতে চিঠি দেয় বেসরকারি সংগঠনগুলো। যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী সমকালকে বলেছেন, একের পর এক চিঠি দেওয়া হচ্ছে। চিঠির ভাষা বলছে, বিআরটিএ চায় না পরিসংখ্যান প্রকাশিত হোক। যারা পরিসংখ্যান প্রকাশ করছে, তাদেরকে হুমকির মধ্যে রাখতে চায়। সড়ক দুর্ঘটনা রোধে সরকারের উচিত বেসরকারি সংগঠনগুলোকে সহযোগী বিবেচনা করা।

সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো

ঈদযাত্রায় দুর্ঘটনা-মৃত্যুর সংখ্যাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত আখ্যা দিয়ে ব্যাখ্যা চাইল বিআরটিএ

আপডেট টাইম : ০৮:৩১:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ মে ২০২৩

ডেস্ক :ঈদের আগে পরে ১৫ দিনে সড়কে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির যে পরিসংখ্যান যাত্রী কল্যাণ সমিতি প্রকাশ করেছে, সেটিকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে আখ্যা দিয়েছে সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। দুর্ঘটনার স্থান, গাড়ির নম্বর, হতাহতের নাম পরিচয়সহ বিস্তারিত তথ্য তিনদিনের মধ্যে দিতে সমিতিকে চিঠি দিয়েছে বিআরটিএ।

বুধবার এ চিঠি দেওয়া হয়। এর আগেরদিন গত মঙ্গলবার যাত্রী কল্যাণ সমিতি জানিয়েছিল ১৫ থেকে ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত ঈদযাত্রায় ৩০৪ সড়ক দুর্ঘটনায় ৩২৮ জন নিহত এবং ৫৬৫ জন আহত হয়েছেন। বিআরটিএ’র সহকারী পরিচালক আবদুল আউয়াল স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, কীসের ভিত্তিতে ঈদযাত্রা ১৫ দিন নির্ধারণ করেছে যাত্রী কল্যাণ সমিতি।

চিঠিতে বলা হয়েছে, ঈদের ছুটি ছিল ১৯ থেকে ২৩ এপ্রিল। ঈদযাত্রা নিরাপদ করতে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা ছিল ১৭ থেকে ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত। এ হিসেবে ঈদযাত্রা সর্বোচ্চ ৯ দিন বিবেচনা করা যায়। এই সময়ে ১৪২টি দুর্ঘটনায় ১৩৬ জন নিহত এবং ২৫৮ জন আহত হয়েছে। সংবাদপত্র ও পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় এবং যাচাই বাছাই করে এই সংখ্যা পেয়েছে বিআরটিএ। যা সঠিক ও বস্তুনিষ্ঠ।

চিঠিতে বলা হয়েছে, বিআরটিএর পরিসংখ্যান অনুযায়ী ১৫ থেকে ২৯ এপ্রিলের মধ্যে ২৫৩ দুর্ঘটনায় ২৩৯ জন নিহত হয়েছেন। যাত্রী কল্যাণ সমিতির দুর্ঘটনার সংখ্যা ৫১টি এবং নিহতের সংখ্যা ৮৯ জন বেশি দেখানো হয়েছে। যা অসামঞ্জস্যপূর্ণ ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

চিঠিতে বলা হয়েছে, সংবাদমাধ্যমের খবরের ভিত্তিতে তৈরি দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির পরিসংখ্যান জনসম্মুখে প্রকাশ না করতে গত ১৭ এপ্রিলের সভায় যাত্রী কল্যাণ সমিতিসহ অন্যান্য বেসরকারি সংগঠনগুলো একমত হয়েছিল। সরেজমিনে যাচাই-বাছাই ছাড়া প্রকাশিত বিভিন্ন সংগঠনের পরিসংখ্যানে হতাহতের সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন হয়। যা জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে।
এর আগে গত ১২ এপ্রিল বিআরটিএ যাচাইবাছাই ছাড়া পরিসংখ্যান প্রকাশ না করতে চিঠি দেয় বেসরকারি সংগঠনগুলো। যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী সমকালকে বলেছেন, একের পর এক চিঠি দেওয়া হচ্ছে। চিঠির ভাষা বলছে, বিআরটিএ চায় না পরিসংখ্যান প্রকাশিত হোক। যারা পরিসংখ্যান প্রকাশ করছে, তাদেরকে হুমকির মধ্যে রাখতে চায়। সড়ক দুর্ঘটনা রোধে সরকারের উচিত বেসরকারি সংগঠনগুলোকে সহযোগী বিবেচনা করা।