অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে লালমনিরহাটে যুবদলের হুইলচেয়ার বিতরণ Logo পাটগ্রামে গৃহবধূকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ, স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন পলাতক Logo লালমনিরহাট সনাকের নতুন সভাপতি ডা. কাসেম আলী, সহসভাপতি আবু হাসনাত রানা Logo সারের দাবিতে লালমনিরহাট-বুড়িমারী মহাসড়ক অবরোধ, ডিলারের বিরুদ্ধে কালোবাজারির অভিযোগ Logo জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস ২০২৬ উপলক্ষে নতুন বাজারে রোড শো ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম Logo জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস ২০২৬ উপলক্ষে রোড শো ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম Logo পাটগ্রামের বুড়িমারী সীমান্তে বিএসএফকে লাঠি-সোটা দিয়ে পেটালো বাংলাদেশীরা Logo পাটগ্রামে রংপুর ও পাটগ্রাম সোনালী অতীতের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ Logo নিরাপদ সড়ক সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ এই স্লোগানকে সামনে রেখে যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তায় বিআরটিএ’র রোড শো Logo ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে বাস খাদে পড়ে নিহত ৩, আহত ১৬

ঈদযাত্রায় দুর্ঘটনা-মৃত্যুর সংখ্যাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত আখ্যা দিয়ে ব্যাখ্যা চাইল বিআরটিএ

ডেস্ক :ঈদের আগে পরে ১৫ দিনে সড়কে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির যে পরিসংখ্যান যাত্রী কল্যাণ সমিতি প্রকাশ করেছে, সেটিকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে আখ্যা দিয়েছে সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। দুর্ঘটনার স্থান, গাড়ির নম্বর, হতাহতের নাম পরিচয়সহ বিস্তারিত তথ্য তিনদিনের মধ্যে দিতে সমিতিকে চিঠি দিয়েছে বিআরটিএ।

বুধবার এ চিঠি দেওয়া হয়। এর আগেরদিন গত মঙ্গলবার যাত্রী কল্যাণ সমিতি জানিয়েছিল ১৫ থেকে ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত ঈদযাত্রায় ৩০৪ সড়ক দুর্ঘটনায় ৩২৮ জন নিহত এবং ৫৬৫ জন আহত হয়েছেন। বিআরটিএ’র সহকারী পরিচালক আবদুল আউয়াল স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, কীসের ভিত্তিতে ঈদযাত্রা ১৫ দিন নির্ধারণ করেছে যাত্রী কল্যাণ সমিতি।

চিঠিতে বলা হয়েছে, ঈদের ছুটি ছিল ১৯ থেকে ২৩ এপ্রিল। ঈদযাত্রা নিরাপদ করতে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা ছিল ১৭ থেকে ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত। এ হিসেবে ঈদযাত্রা সর্বোচ্চ ৯ দিন বিবেচনা করা যায়। এই সময়ে ১৪২টি দুর্ঘটনায় ১৩৬ জন নিহত এবং ২৫৮ জন আহত হয়েছে। সংবাদপত্র ও পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় এবং যাচাই বাছাই করে এই সংখ্যা পেয়েছে বিআরটিএ। যা সঠিক ও বস্তুনিষ্ঠ।

চিঠিতে বলা হয়েছে, বিআরটিএর পরিসংখ্যান অনুযায়ী ১৫ থেকে ২৯ এপ্রিলের মধ্যে ২৫৩ দুর্ঘটনায় ২৩৯ জন নিহত হয়েছেন। যাত্রী কল্যাণ সমিতির দুর্ঘটনার সংখ্যা ৫১টি এবং নিহতের সংখ্যা ৮৯ জন বেশি দেখানো হয়েছে। যা অসামঞ্জস্যপূর্ণ ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

চিঠিতে বলা হয়েছে, সংবাদমাধ্যমের খবরের ভিত্তিতে তৈরি দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির পরিসংখ্যান জনসম্মুখে প্রকাশ না করতে গত ১৭ এপ্রিলের সভায় যাত্রী কল্যাণ সমিতিসহ অন্যান্য বেসরকারি সংগঠনগুলো একমত হয়েছিল। সরেজমিনে যাচাই-বাছাই ছাড়া প্রকাশিত বিভিন্ন সংগঠনের পরিসংখ্যানে হতাহতের সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন হয়। যা জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে।
এর আগে গত ১২ এপ্রিল বিআরটিএ যাচাইবাছাই ছাড়া পরিসংখ্যান প্রকাশ না করতে চিঠি দেয় বেসরকারি সংগঠনগুলো। যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী সমকালকে বলেছেন, একের পর এক চিঠি দেওয়া হচ্ছে। চিঠির ভাষা বলছে, বিআরটিএ চায় না পরিসংখ্যান প্রকাশিত হোক। যারা পরিসংখ্যান প্রকাশ করছে, তাদেরকে হুমকির মধ্যে রাখতে চায়। সড়ক দুর্ঘটনা রোধে সরকারের উচিত বেসরকারি সংগঠনগুলোকে সহযোগী বিবেচনা করা।

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে লালমনিরহাটে যুবদলের হুইলচেয়ার বিতরণ

ঈদযাত্রায় দুর্ঘটনা-মৃত্যুর সংখ্যাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত আখ্যা দিয়ে ব্যাখ্যা চাইল বিআরটিএ

আপডেট টাইম : ০৮:৩১:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ মে ২০২৩

ডেস্ক :ঈদের আগে পরে ১৫ দিনে সড়কে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির যে পরিসংখ্যান যাত্রী কল্যাণ সমিতি প্রকাশ করেছে, সেটিকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে আখ্যা দিয়েছে সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। দুর্ঘটনার স্থান, গাড়ির নম্বর, হতাহতের নাম পরিচয়সহ বিস্তারিত তথ্য তিনদিনের মধ্যে দিতে সমিতিকে চিঠি দিয়েছে বিআরটিএ।

বুধবার এ চিঠি দেওয়া হয়। এর আগেরদিন গত মঙ্গলবার যাত্রী কল্যাণ সমিতি জানিয়েছিল ১৫ থেকে ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত ঈদযাত্রায় ৩০৪ সড়ক দুর্ঘটনায় ৩২৮ জন নিহত এবং ৫৬৫ জন আহত হয়েছেন। বিআরটিএ’র সহকারী পরিচালক আবদুল আউয়াল স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, কীসের ভিত্তিতে ঈদযাত্রা ১৫ দিন নির্ধারণ করেছে যাত্রী কল্যাণ সমিতি।

চিঠিতে বলা হয়েছে, ঈদের ছুটি ছিল ১৯ থেকে ২৩ এপ্রিল। ঈদযাত্রা নিরাপদ করতে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা ছিল ১৭ থেকে ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত। এ হিসেবে ঈদযাত্রা সর্বোচ্চ ৯ দিন বিবেচনা করা যায়। এই সময়ে ১৪২টি দুর্ঘটনায় ১৩৬ জন নিহত এবং ২৫৮ জন আহত হয়েছে। সংবাদপত্র ও পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় এবং যাচাই বাছাই করে এই সংখ্যা পেয়েছে বিআরটিএ। যা সঠিক ও বস্তুনিষ্ঠ।

চিঠিতে বলা হয়েছে, বিআরটিএর পরিসংখ্যান অনুযায়ী ১৫ থেকে ২৯ এপ্রিলের মধ্যে ২৫৩ দুর্ঘটনায় ২৩৯ জন নিহত হয়েছেন। যাত্রী কল্যাণ সমিতির দুর্ঘটনার সংখ্যা ৫১টি এবং নিহতের সংখ্যা ৮৯ জন বেশি দেখানো হয়েছে। যা অসামঞ্জস্যপূর্ণ ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

চিঠিতে বলা হয়েছে, সংবাদমাধ্যমের খবরের ভিত্তিতে তৈরি দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির পরিসংখ্যান জনসম্মুখে প্রকাশ না করতে গত ১৭ এপ্রিলের সভায় যাত্রী কল্যাণ সমিতিসহ অন্যান্য বেসরকারি সংগঠনগুলো একমত হয়েছিল। সরেজমিনে যাচাই-বাছাই ছাড়া প্রকাশিত বিভিন্ন সংগঠনের পরিসংখ্যানে হতাহতের সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন হয়। যা জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে।
এর আগে গত ১২ এপ্রিল বিআরটিএ যাচাইবাছাই ছাড়া পরিসংখ্যান প্রকাশ না করতে চিঠি দেয় বেসরকারি সংগঠনগুলো। যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী সমকালকে বলেছেন, একের পর এক চিঠি দেওয়া হচ্ছে। চিঠির ভাষা বলছে, বিআরটিএ চায় না পরিসংখ্যান প্রকাশিত হোক। যারা পরিসংখ্যান প্রকাশ করছে, তাদেরকে হুমকির মধ্যে রাখতে চায়। সড়ক দুর্ঘটনা রোধে সরকারের উচিত বেসরকারি সংগঠনগুলোকে সহযোগী বিবেচনা করা।