পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

তীব্র শীত ও ঠান্ডায় রবি শস্যের ক্ষতির আশঙ্কা, বাড়ছে উৎপাদন খরচ।

মোঃ আব্দুর রাজ্জাক লালমনিরহাট: লালমনিরহাটে টানা কয়েকদিন ধরে তীব্র ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে। প্রচণ্ড শীত হিমেল হাওয়া ও ঘন কুয়াশায় ক্ষতি হচ্ছে বোরো ধানের বীজতলার। মাঠেই ঝরে পড়তে দেখা যাচ্ছে সরিষার ফুল কুঁকড়ে যাচ্ছে সজীব সবুজ আলুর পাতা।

এর পাশাপাশি রবিশস্যের মধ্যে শাকসবজি, পেঁয়াজ, আলু ও অন্যান্য ফসলে কোল্ড ইনজুরি ও পোকার আক্রমণ দেখা যাচ্ছে। এতে লালমনিরহাটের কৃষকের কপালে পড়েছে চিন্তার ভাঁজ ।

এরকম পরিস্থিতিতে সব ধরনের সহযোগিতা করছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। শাকসবজি, আলু, টমেটো, বেগুন, শিমের চাষাবাদ হচ্ছে। সবচেয়ে বড় বিষয়-বোরো ধানের বীজতলা। মাঠে রয়েছে পেঁয়াজ প্রচণ্ড শীত ও কুয়াশায় এগুলো সরাসরি হুমকির মুখে পড়ছে।

ফুলকপি-বাঁধাকপি সহ অন্যান্য সবজি প্র্রচণ্ড ঠান্ডা ও ঘন কুয়াশায় নষ্ট হতে পারে।

তাই লালমনিরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পরামর্শ হচ্ছে-অনুজীব ছত্রাকনাশক প্রয়োগ করতে হবে। আলু ও টমেটোতে বিভিন্ন ধরনের রোগ হতে পারে। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে নাবিদশা রোগ। এই পরিস্থিতিতে কৃষক বিকেলের দিকের সময়কে প্রাকৃতিক কীটনাশক ব্যবহারের উপযোগী সময় হিসেবে বেচে নিতে পারেন। শিমে একধরনের মরিচা রোগ হয়। এমন আবহাওয়ায় এই রোগ আরো বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। তাই ছত্রাকনাশক স্প্রে করতে হবে।

বোরো ধানের চারার জন্য এমন আবহাওয়া অনেক বড় সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে। অতিরিক্ত ঠান্ডার কারণে কোল্ড ইনজুরি হয়ে চাড়া অনেক সময় মরে যায়। ঝলসে যায়। তাই চারা রাতে পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে। দিনে পলিথিন সরিয়ে রাখতে হবে। চারায় সব সময় মাটির নিচ থেকে তোলা পানি ব্যবহার করতে হবে। অনেক সময় কৃষকরা পুকুর থেকে পানি দিয়ে থাকে তাই পরামর্শ হচ্ছে পুকুর থেকে পানি দেওয়া যাবে না।

এর কারণ হচ্ছে পুকুরের পানি অনেক ঠান্ডা। এতে চারার তীব্র ক্ষতি হয়। তাছাড়া প্রচণ্ড কুয়াশায় সরিষা পাতা ঝলসে যায় এবং ফুল ঝড়ে যায়। পেঁয়াজের ক্ষেত্রে পাতা পচে যায়। এমনটা হলে কৃষককে ক্ষতির মুখে পড়তে হবে। তাই প্রতিকার হিসাবে এখন থেকেই ছত্রাকনাশক ব্যবহার করা জরুরি।

লালমনিরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের কৃষি অফিসার মোঃ হামিদুর রহমান বলেন নদী বেষ্টিত জেলা লালমনিরহাট তাই তীব্র শীতে ও কুয়াশায় ফসলের যাতে কোনো ধরনের ক্ষতি না হয়, সেদিকে লক্ষ রাখা হচ্ছে। ইতোমধ্যে প্রতিটি জেলায় মাঠ কর্মকর্তারা কৃষকদের সহযোগিতা করছেন। পাতা ঝরে যাওয়া রোধ, সবজি ও ফসলের পোকা আক্রামণ ঠেকাতে কৃষককে নানা ধরনের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এদিকে লালমনিরহাটে আজ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে তথ্য পাওয়া গেছে আরও দুদিন আবহাওয়া অপরিবর্তিত থাকবে পারে এবং বৃষ্টিপাত হতে পারে তাই কৃষকরা একটু দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।

মাঠ পর্যায়ে গিয়ে বিভিন্ন জায়গার কৃষকদের সাথে কথা বলে জানাগেছে টানা তীব্র শীতে নষ্ট হচ্ছে শীতকালীন বিভিন্ন ফসল তাই এগুলো বাঁচাতে বিভিন্ন ধরনের ওষুধ প্রয়োগ করতে হচ্ছে ফলে কৃষকরা অর্থনৈতিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে তাই বাজার দর ঠিক মত না থাকলে কৃষক লাভের মুখ দেখতে পাবে না।

বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ

তীব্র শীত ও ঠান্ডায় রবি শস্যের ক্ষতির আশঙ্কা, বাড়ছে উৎপাদন খরচ।

আপডেট টাইম : ০৪:১৯:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৪

মোঃ আব্দুর রাজ্জাক লালমনিরহাট: লালমনিরহাটে টানা কয়েকদিন ধরে তীব্র ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে। প্রচণ্ড শীত হিমেল হাওয়া ও ঘন কুয়াশায় ক্ষতি হচ্ছে বোরো ধানের বীজতলার। মাঠেই ঝরে পড়তে দেখা যাচ্ছে সরিষার ফুল কুঁকড়ে যাচ্ছে সজীব সবুজ আলুর পাতা।

এর পাশাপাশি রবিশস্যের মধ্যে শাকসবজি, পেঁয়াজ, আলু ও অন্যান্য ফসলে কোল্ড ইনজুরি ও পোকার আক্রমণ দেখা যাচ্ছে। এতে লালমনিরহাটের কৃষকের কপালে পড়েছে চিন্তার ভাঁজ ।

এরকম পরিস্থিতিতে সব ধরনের সহযোগিতা করছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। শাকসবজি, আলু, টমেটো, বেগুন, শিমের চাষাবাদ হচ্ছে। সবচেয়ে বড় বিষয়-বোরো ধানের বীজতলা। মাঠে রয়েছে পেঁয়াজ প্রচণ্ড শীত ও কুয়াশায় এগুলো সরাসরি হুমকির মুখে পড়ছে।

ফুলকপি-বাঁধাকপি সহ অন্যান্য সবজি প্র্রচণ্ড ঠান্ডা ও ঘন কুয়াশায় নষ্ট হতে পারে।

তাই লালমনিরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পরামর্শ হচ্ছে-অনুজীব ছত্রাকনাশক প্রয়োগ করতে হবে। আলু ও টমেটোতে বিভিন্ন ধরনের রোগ হতে পারে। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে নাবিদশা রোগ। এই পরিস্থিতিতে কৃষক বিকেলের দিকের সময়কে প্রাকৃতিক কীটনাশক ব্যবহারের উপযোগী সময় হিসেবে বেচে নিতে পারেন। শিমে একধরনের মরিচা রোগ হয়। এমন আবহাওয়ায় এই রোগ আরো বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। তাই ছত্রাকনাশক স্প্রে করতে হবে।

বোরো ধানের চারার জন্য এমন আবহাওয়া অনেক বড় সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে। অতিরিক্ত ঠান্ডার কারণে কোল্ড ইনজুরি হয়ে চাড়া অনেক সময় মরে যায়। ঝলসে যায়। তাই চারা রাতে পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে। দিনে পলিথিন সরিয়ে রাখতে হবে। চারায় সব সময় মাটির নিচ থেকে তোলা পানি ব্যবহার করতে হবে। অনেক সময় কৃষকরা পুকুর থেকে পানি দিয়ে থাকে তাই পরামর্শ হচ্ছে পুকুর থেকে পানি দেওয়া যাবে না।

এর কারণ হচ্ছে পুকুরের পানি অনেক ঠান্ডা। এতে চারার তীব্র ক্ষতি হয়। তাছাড়া প্রচণ্ড কুয়াশায় সরিষা পাতা ঝলসে যায় এবং ফুল ঝড়ে যায়। পেঁয়াজের ক্ষেত্রে পাতা পচে যায়। এমনটা হলে কৃষককে ক্ষতির মুখে পড়তে হবে। তাই প্রতিকার হিসাবে এখন থেকেই ছত্রাকনাশক ব্যবহার করা জরুরি।

লালমনিরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের কৃষি অফিসার মোঃ হামিদুর রহমান বলেন নদী বেষ্টিত জেলা লালমনিরহাট তাই তীব্র শীতে ও কুয়াশায় ফসলের যাতে কোনো ধরনের ক্ষতি না হয়, সেদিকে লক্ষ রাখা হচ্ছে। ইতোমধ্যে প্রতিটি জেলায় মাঠ কর্মকর্তারা কৃষকদের সহযোগিতা করছেন। পাতা ঝরে যাওয়া রোধ, সবজি ও ফসলের পোকা আক্রামণ ঠেকাতে কৃষককে নানা ধরনের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এদিকে লালমনিরহাটে আজ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে তথ্য পাওয়া গেছে আরও দুদিন আবহাওয়া অপরিবর্তিত থাকবে পারে এবং বৃষ্টিপাত হতে পারে তাই কৃষকরা একটু দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।

মাঠ পর্যায়ে গিয়ে বিভিন্ন জায়গার কৃষকদের সাথে কথা বলে জানাগেছে টানা তীব্র শীতে নষ্ট হচ্ছে শীতকালীন বিভিন্ন ফসল তাই এগুলো বাঁচাতে বিভিন্ন ধরনের ওষুধ প্রয়োগ করতে হচ্ছে ফলে কৃষকরা অর্থনৈতিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে তাই বাজার দর ঠিক মত না থাকলে কৃষক লাভের মুখ দেখতে পাবে না।