পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ Logo নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে আহসানুজ্জামানের দুর্নীতির অভিযোগ Logo গণপূর্তে খালেকুজ্জামান সিন্ডিকেটের ‘রাজত্ব’ দেখার যেনো কেউ নেই Logo মিরপুর বিআরটিএ’তে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ০৫ দালালকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন

‘প্রতিবন্ধী শিক্ষা সমাজকল্যাণে নয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে থাকা উচিত’

বাংলার খবর২৪.কম images_55833 : তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী বলেছেন, প্রতিবন্ধী শিক্ষা এখনও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে রয়েছে। অথচ এটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের থাকা উচিত। কারণ প্রতিবন্ধী শিক্ষা কোনো দাতব্য কার্যক্রম নয়।

পিকেএসএফ’র ২৫ বছর পদার্পণ উপলক্ষে সোমবার সকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘বিল্ডিং হিউম্যান ক্যাপাসিটি : অ্যাডুকেশন প্রোগ্রাম ফর দ্যা এক্সক্লুডেড’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি একথা বলেন।

রাশেদা কে চৌধুরী বলেন, সবার জন্য শিক্ষা নিশ্চিত করতে হলে ঝরে পড়ার বিষয়টিতে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে হবে। বিদ্যালয় থেকে ঝরে পড়া রোধ করতে শ্রেণীকক্ষে দ্বিপাক্ষিক চিত্তাকর্ষক শিক্ষাদান প্রয়োজন। পাশাপাশি ইভটিজিং বন্ধ করে মেয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য রাস্তাঘাট নিরাপদ, বাল্যবিবাহ রোধ, শিক্ষার্থীদের অপুষ্টি দূর এবং অভিভাবকদের সচেতন করতে হবে।

তিনি বলেন, এনজিওদের এত কার্যক্রম ও প্রশিক্ষণের পরেও দেশে বাল্যবিবাহ হার এখনও অনেক বেশি। সরকারের একার পক্ষে বাল্যবিবাহ বন্ধ করা সম্ভব নয়।

এ ধরনের সামাজিক ও নৈতিক অবক্ষয় ও ব্যাধী দূর করতে এনজিওগুলো কাজ করতে পারে বলেও জানান তিনি।

শিক্ষাখাতে বাজেট বরাদ্দ দিনদিন কমছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, শিক্ষাখাতের বিনিয়োগকে ব্যয় হিসেবে দেখা হচ্ছে। কিন্তু এইখাতের বরাদ্দকে ব্যয় হিসেবে না দেখে বিনিয়োগ হিসেবে দেখা উচিত। বাংলাদেশে গবেষণার জন্য তেমন কোনো বরাদ্দ থাকে না। বিশেষ করে শিক্ষাখাতে বরাদ্দ দেখাই যায় না।

সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও পিকেএসএফ-এর পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ড. এ. কে. এম. নূর-উন-নবী। টিএমএসএস-এর নির্বাহী পরিচালক ড. হোসনে আরা বেগম এবং সেন্টার ফর ডেভেলপমেন্ট ইনোভেশন এন্ড প্র্যাকটিসেস (সিদীপ)-এর নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ ইয়াহিয়া দুটি প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

উল্লেখ্য, পিকেএসএফ’র ২৫ বছর পদার্পণ উপলক্ষে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বর্ষব্যাপী রজতজয়ন্তী উদযাপন ও সপ্তাহ উন্নয়ন মেলা চলছে। আগামী ১ নভেম্বর পর্যন্ত এ মেলা চলবে। পাশাপাশি প্রতিদিন দুটি করে সেমিনার অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ

‘প্রতিবন্ধী শিক্ষা সমাজকল্যাণে নয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে থাকা উচিত’

আপডেট টাইম : ০৭:০৯:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০১৪

বাংলার খবর২৪.কম images_55833 : তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী বলেছেন, প্রতিবন্ধী শিক্ষা এখনও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে রয়েছে। অথচ এটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের থাকা উচিত। কারণ প্রতিবন্ধী শিক্ষা কোনো দাতব্য কার্যক্রম নয়।

পিকেএসএফ’র ২৫ বছর পদার্পণ উপলক্ষে সোমবার সকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘বিল্ডিং হিউম্যান ক্যাপাসিটি : অ্যাডুকেশন প্রোগ্রাম ফর দ্যা এক্সক্লুডেড’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি একথা বলেন।

রাশেদা কে চৌধুরী বলেন, সবার জন্য শিক্ষা নিশ্চিত করতে হলে ঝরে পড়ার বিষয়টিতে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে হবে। বিদ্যালয় থেকে ঝরে পড়া রোধ করতে শ্রেণীকক্ষে দ্বিপাক্ষিক চিত্তাকর্ষক শিক্ষাদান প্রয়োজন। পাশাপাশি ইভটিজিং বন্ধ করে মেয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য রাস্তাঘাট নিরাপদ, বাল্যবিবাহ রোধ, শিক্ষার্থীদের অপুষ্টি দূর এবং অভিভাবকদের সচেতন করতে হবে।

তিনি বলেন, এনজিওদের এত কার্যক্রম ও প্রশিক্ষণের পরেও দেশে বাল্যবিবাহ হার এখনও অনেক বেশি। সরকারের একার পক্ষে বাল্যবিবাহ বন্ধ করা সম্ভব নয়।

এ ধরনের সামাজিক ও নৈতিক অবক্ষয় ও ব্যাধী দূর করতে এনজিওগুলো কাজ করতে পারে বলেও জানান তিনি।

শিক্ষাখাতে বাজেট বরাদ্দ দিনদিন কমছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, শিক্ষাখাতের বিনিয়োগকে ব্যয় হিসেবে দেখা হচ্ছে। কিন্তু এইখাতের বরাদ্দকে ব্যয় হিসেবে না দেখে বিনিয়োগ হিসেবে দেখা উচিত। বাংলাদেশে গবেষণার জন্য তেমন কোনো বরাদ্দ থাকে না। বিশেষ করে শিক্ষাখাতে বরাদ্দ দেখাই যায় না।

সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও পিকেএসএফ-এর পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ড. এ. কে. এম. নূর-উন-নবী। টিএমএসএস-এর নির্বাহী পরিচালক ড. হোসনে আরা বেগম এবং সেন্টার ফর ডেভেলপমেন্ট ইনোভেশন এন্ড প্র্যাকটিসেস (সিদীপ)-এর নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ ইয়াহিয়া দুটি প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

উল্লেখ্য, পিকেএসএফ’র ২৫ বছর পদার্পণ উপলক্ষে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বর্ষব্যাপী রজতজয়ন্তী উদযাপন ও সপ্তাহ উন্নয়ন মেলা চলছে। আগামী ১ নভেম্বর পর্যন্ত এ মেলা চলবে। পাশাপাশি প্রতিদিন দুটি করে সেমিনার অনুষ্ঠিত হচ্ছে।