পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

‘জুলাই যোদ্ধা’ গেজেটে ভুয়া তালিকাভুক্তির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব সংবাদদাতা

‘জুলাই যোদ্ধা’ গেজেটে ছাত্রলীগ কর্মীর নাম প্রকাশ করা হয়েছে মর্মে তা ভুয়া দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছে লালমনিরহাট পাটগ্রাম উপজেলার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

রোববার (১৬ মার্চ) দুপুর ১২ টায় উপজেলা অডিটোরিয়ামে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলের প্রতিনিধি আনজুম রাজা। তিনি বলেন, সরকার গত ৫ মার্চ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ক্ষমতাবলে জুলাই গণঅভ্যুন্থান ২০২৪- এ আহত “জুলাই যোদ্ধা”শ্রেণি- গ (আহত) প্রকাশ করে। উক্ত গেজেট অনুযায়ী লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার সাফিউল ইসলাম প্রধানের ছেলে রাসিফুল ইসলাম প্রধানের নাম গেজেটভুক্ত হয়। কিন্তু রাসিফুল ইসলাম প্রধান জুলাই-আগস্ট কোটা সংস্কার আন্দোলনের সাথে কোন প্রকার সম্পৃক্ত ছিলো না। এ সময় তিনি আরও বলেন, গত ৪ আগস্ট ২০২৪ তারিখে পাটগ্রামে কোটা সংস্কার আন্দোলনে সাধারণ শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করলে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সাথে রাসিফুল ইসলাম প্রধান শিক্ষার্থীদের উপর হামলা করে। তিনি ছিলেন নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের একজন সক্রিয় কর্মী। তার বাবা সাফিউল ইসলাম প্রধান একজন আওয়ামী ফ্যাসিস্টের সক্রিয় দালাল। তিনি গত বছরের ১৮ জুলাই পাটগ্রাম চৌরঙ্গী মোড়ে কোটা আন্দোলনের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে আন্দোলনকারীদের জাতীয় বেঈমান, রাজাকারের বাচ্চা এবং শিক্ষার্থীদের বিচার দাবি করেন।
সংবাদ সম্মেলনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা দ্রুত ওই ছাত্রলীগ কর্মীর নাম গেজেট থেকে বাতিল ও তার নাম সংযুক্তের প্রস্তাব কে করেছে তা তদন্তের দাবি করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন- বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন লালমনিরহাট জেলা কমিটির সদস্য মেরাজ হোসাইন, কবির আহম্মেদ রাব্বি, সাহিক ইসলাম ও পাটগ্রাম উপজেলার সাধারণ শিক্ষার্থী আবু মুসা মাসুম, ফরহাদ হোসেন, সোহান ও আল আমীন ইসলাম বাবু প্রমুখ।

এবিষয় অভিযুক্ত রাসিফুলের সঙ্গে যোগাযোগ হলে তিনি জানান, আমি আন্দোলনে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত ছিলাম। যা অনেকে অবগত। আমি আন্দোলনে যুক্ত থাকাবস্থায় আন্দোলনের দিন কতিপয় কয়েকজন পুর্ব শত্রুতার জের ধরে ব্যাক্তি আক্রোশে আমার ওপর আক্রমন হয়। আমি আহত হয়ে মেডিকেলে ভর্তিও ছিলাম। আমাকে নিয়ে যে অভিযোগ উঠেছে সেটি নিয়ে প্রয়োজনে সুষ্ঠু তদন্ত হোক। আর বৈষম্য বিরোধী কর্মীদের সংবাদ সম্মেলনের দাবি মিথ্যা। কেনো না আমি কখনই ছাত্রলীগের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম না। আমার ওপর অন্যায় হচ্ছে।

Tag :

বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ

‘জুলাই যোদ্ধা’ গেজেটে ভুয়া তালিকাভুক্তির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

আপডেট টাইম : ০২:৪৫:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ মার্চ ২০২৫

নিজস্ব সংবাদদাতা

‘জুলাই যোদ্ধা’ গেজেটে ছাত্রলীগ কর্মীর নাম প্রকাশ করা হয়েছে মর্মে তা ভুয়া দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছে লালমনিরহাট পাটগ্রাম উপজেলার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

রোববার (১৬ মার্চ) দুপুর ১২ টায় উপজেলা অডিটোরিয়ামে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলের প্রতিনিধি আনজুম রাজা। তিনি বলেন, সরকার গত ৫ মার্চ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ক্ষমতাবলে জুলাই গণঅভ্যুন্থান ২০২৪- এ আহত “জুলাই যোদ্ধা”শ্রেণি- গ (আহত) প্রকাশ করে। উক্ত গেজেট অনুযায়ী লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার সাফিউল ইসলাম প্রধানের ছেলে রাসিফুল ইসলাম প্রধানের নাম গেজেটভুক্ত হয়। কিন্তু রাসিফুল ইসলাম প্রধান জুলাই-আগস্ট কোটা সংস্কার আন্দোলনের সাথে কোন প্রকার সম্পৃক্ত ছিলো না। এ সময় তিনি আরও বলেন, গত ৪ আগস্ট ২০২৪ তারিখে পাটগ্রামে কোটা সংস্কার আন্দোলনে সাধারণ শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করলে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সাথে রাসিফুল ইসলাম প্রধান শিক্ষার্থীদের উপর হামলা করে। তিনি ছিলেন নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের একজন সক্রিয় কর্মী। তার বাবা সাফিউল ইসলাম প্রধান একজন আওয়ামী ফ্যাসিস্টের সক্রিয় দালাল। তিনি গত বছরের ১৮ জুলাই পাটগ্রাম চৌরঙ্গী মোড়ে কোটা আন্দোলনের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে আন্দোলনকারীদের জাতীয় বেঈমান, রাজাকারের বাচ্চা এবং শিক্ষার্থীদের বিচার দাবি করেন।
সংবাদ সম্মেলনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা দ্রুত ওই ছাত্রলীগ কর্মীর নাম গেজেট থেকে বাতিল ও তার নাম সংযুক্তের প্রস্তাব কে করেছে তা তদন্তের দাবি করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন- বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন লালমনিরহাট জেলা কমিটির সদস্য মেরাজ হোসাইন, কবির আহম্মেদ রাব্বি, সাহিক ইসলাম ও পাটগ্রাম উপজেলার সাধারণ শিক্ষার্থী আবু মুসা মাসুম, ফরহাদ হোসেন, সোহান ও আল আমীন ইসলাম বাবু প্রমুখ।

এবিষয় অভিযুক্ত রাসিফুলের সঙ্গে যোগাযোগ হলে তিনি জানান, আমি আন্দোলনে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত ছিলাম। যা অনেকে অবগত। আমি আন্দোলনে যুক্ত থাকাবস্থায় আন্দোলনের দিন কতিপয় কয়েকজন পুর্ব শত্রুতার জের ধরে ব্যাক্তি আক্রোশে আমার ওপর আক্রমন হয়। আমি আহত হয়ে মেডিকেলে ভর্তিও ছিলাম। আমাকে নিয়ে যে অভিযোগ উঠেছে সেটি নিয়ে প্রয়োজনে সুষ্ঠু তদন্ত হোক। আর বৈষম্য বিরোধী কর্মীদের সংবাদ সম্মেলনের দাবি মিথ্যা। কেনো না আমি কখনই ছাত্রলীগের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম না। আমার ওপর অন্যায় হচ্ছে।