পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ Logo হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে স্বামীর ছুরিকাঘাতে গৃহবধূ নিহত, আটক স্বামী Logo ঢাকায় সন্ধ্যার মধ্যে বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস
লুটপাটের আখড়া মিরপুর গণপূর্ত!

স্বৈরাচারের দোসর প্রকৌশলী রাশেদের কৌশলী লুটপাট, ঠিকাদারিতে বৈষম্য

ঠিকাদারদের মধ্যে বৈষম্য সৃষ্টিসহ কর্মকর্তাদের মধ্যে বিভেদ তৈরি করে মিরপুর গণপূর্ত বিভাগে চলছে কৌশলী লুটপাট। আর এ লুটপাটে নেতৃত্ব দিচ্ছেন গণপূর্ত প্রকৌশলী রাশেদ আহসান। তিনি ইতোমধ্য়ে প্রকৌশলীদের মধ্যে স্বৈরাচারের প্রেতাত্মা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন; কারণ রাশেদ আহসান ডিভিশনটির নির্বাহী প্রকৌশলী পদে দায়িত্বরত থেকে আওয়ামী মিশন ভিশন বাস্তবায়নে তৎপর রয়েছেন এবং অতীতেও সুবিধাভোগী ছিলেন। তার বিরুদ্ধে স্বৈরাচারের লালনপালন উন্নয়ন প্রকল্পের ভ্যারিয়েশন টেন্ডার নিয়ে ঘুষ বাণিজ্য, প্রকল্পের নামে শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের বিকৃতিকরণ, এলটিএম নিয়ে জালিয়াতির আশ্রয় নেওয়া, নোয়াখালী ময়মনসিংহের ঠিকাদারদের ডেকে এনে কাজ পাইয়ে দেওয়া, অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকাসহ বিবিধ অনিয়ম দুর্নীতির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, ভবিষ্যতে প্রধান প্রকৌশলী হওয়ার স্বপ্নে বিভোর প্রকৌশলী রাশেদ আহসান কৌশলী লুটপাটে মেতেছেন মিরপুর গণপূর্ত বিভাগে। ফ্যাসিবাদের নিদর্শনকে রক্ষায় মিরপুর শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ সংস্কারের নামে নিম্নমানের কাজের মাধ্যমে একটি ঐতিহাসিক নিদর্শনকে বিকৃতিকরণের প্রকল্পকে বাস্তবায়ন করে আসছেন। ড্রেনেজ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন বিশ্রামাগার পাঠাগার ও বিশ্রামাগার ভবন নির্মাণের নামে অপ্রয়োজনীয় অপচয়মূলক কাজের মাধ্যমে কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার মিশনের নেমেছেন তিনি। নিজের ইচ্ছায় ওই কাজে বিভিন্ন অজুহাতে ডিজাইন ও নকশায় কয়েকদফা পরিবর্তন করিয়ে আসছেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট নির্ভরযোগ্য সূত্র।

স্বৈরাচার সরকারের সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রীর অবৈধ কালেকশনের ক্যাশিয়ার হিসেবে পরিচিত রাশেদ আহসান প্রকৌশলী ইতঃপূর্বে ময়মনসিংহের দায়িত্বে ছিল প্রায় ১ বছর। সেখান থেকে সাবেক ওই পূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরিফ আহমেদকে প্রায় কোটি টাকা ঘুষের মাধ্যমে মিরপুরে পোস্টিং বাগিয়ে নেন। তারপর যোগদানের ৫ মাসের মধ্যেই এক প্রভাবশালী প্রতিমন্ত্রীর সাথে সখ্যতার সুবাদে অবৈধ অর্থের জোড়ে অধিদপ্তরের সবচেয়ে বড় ডিভিশন নগর গণপূর্ত বিভাগে পোষ্টিংয়ের আদেশ করিয়ে নেন। আর মিরপুরের দায়িত্ব নিয়েই লুটপাটে আগ্রাসী হয়ে একের পর এক বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়ান এই প্রকৌশলী। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ভালো মানুষ সাজার উদ্দেশে এপিপির কাজে বেশিরভাগ ঠিকাদারের কাছ থেকে পার্সেন্টেজ না নিয়ে প্রত্যেকটি বিল থেকে ৮%/১০% করে টাকা কেটে দিয়ে ঠিকাদারের ক্ষতি করেন, যাতে তারা আর ভবিষ্যতে ওই ডিভিশনে কাজ করতে না আসে। এ নিয়ে অনেকে প্রতিবাদ করেও কোন লাভ হয়নি। অথচ ফ্যাসিবাদ আওয়ামী ঠিকাদারসহ তার পছন্দের ঠিকাদারদের বিলে পরিশোধে রাশেদ আহসান ভালো মানুষ হতে পারেননি। নিম্নমানের কাজ করে চুক্তিমূল্যেই বিলই বিল পেয়েছেন তারা। এই লুটেরা প্রকৌশলী একই অর্থবছরে প্রায় অর্ধশত কোটেশনের মাধ্যমেও প্রায় দেড় কোটি টাকা লোপাট করেছেন বলে সংশ্লিষ্ট নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়।

২০২৩-২৪ ও ২০২২-২৩ অর্থবছরের এলটিএম নিয়েও ব্যাপক জালিয়াতির আশ্রয় নিয়েছেন এই প্রকৌশলী। ডকুমেন্টসগুলো অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে দেওয়া হলেও রহস্যজনক কারণে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। এ নিয়ে একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন থাকছে পরবর্তী সংখ্যায়।
প্রকৌশলী রাশেদুল আহসান, উন্নয়ন প্রকল্প নিয়েও ব্যাপক জালিয়াতি দুর্নীতির আশ্রয় নিয়েছেন। পাইকপাড়ায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য আবাসিক ফ্ল্যাট নির্মাণ প্রকল্পে সাইট উন্নয়ন কাজ, ২১ ২২ ২৩ ২৪ ও ২৫ নং ভবনে গ্যাস সংযোগসহ বাকী প্রয়োজনীয় কাজ, ১২৩৪ ও ৫ নং ভবনে গ্যাস সংযোগ সহ সংশ্লিষ্ট রিমেইনিং কাজ, ৮০০ বর্গফুট কম্পাউন্ডে ৩তলা স্কুল ভবনের ৫তলা পর্যন্ত ভার্টিকেল এক্সটেনশন কাজ, ১০০০ বর্গফুট কম্পাউন্ডে পূর্বপার্শ্বে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ, ৫ ৬ ৭ ৮ ১০নং ভবন এবং ১১ ১২ ১৩ ১৪ ও ১৫নং ভবনে দুই গ্রুপে এলপিজি গ্যাস সংযোগসহ অবশিষ্ট কাজ, আরবরিকালচার ও খেলার মাঠ উন্নয়ন কাজ, ১৪ ১৭, ১৮ ১৯ ও ২০ নং ভবনে গ্যাস কানেকশনস অন্যান্য অবশিষ্ট কাজ, আরসিসি পাইপ স্যুয়ারেজ লাইন আরসিসি কম্পাউন্ড ড্রেন আরসিসি পিট ও পিট কভার নির্মাণ, আরসিসি রাস্তা নির্মাণ কাজগুলোতে ২গুণ ওভার ইস্টিমেট করা, পছন্দের ঠিকাদার ডেকে এনে কাজ পাইয়ে দেওয়া, নিম্নমানের কাজসহ ব্যাপক অনিয়ম দুর্নীতির আশ্রয় নেয়ার অভিযোগ করেছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কতিপয় ঠিকাদার।

এছাড়াও প্রকল্পের কতিপয় ঠিকাদারকে প্রয়োজনীয় কাজ শেষ করার আগেই দেড়গুণ/দ্বিগুণ অতিরিক্ত বিল দিয়েছেন ২% করে পার্সেন্টেজ নিয়ে। মোটা অঙ্কের পার্সেন্টেজ নিয়ে সাবেক এমপি নিখিলের নামে প্রকল্পে কাজ করা ঠিকাদারদের বিল দিয়ে তাদেরকে আর্থিকভাবে পুনঃ বাসন করেছেন প্রকৌশলী শেদ। এভাবে ২য় স্বাধীনতার সুবর্ণ প্রকল্প থেকে কমপক্ষে ২০ কোটি টাকা ইতিমধ্যে লোপাট করেছেন বলে সংশ্লিষ্ট নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়।

এ ব্যাপারে জানতে রাশেদ আহসানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোন কারণ ছাড়াই প্রতিবেদককে এড়িয়ে চলতে শুরু করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

লুটপাটের আখড়া মিরপুর গণপূর্ত!

স্বৈরাচারের দোসর প্রকৌশলী রাশেদের কৌশলী লুটপাট, ঠিকাদারিতে বৈষম্য

আপডেট টাইম : ০৭:০৪:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ মে ২০২৫

ঠিকাদারদের মধ্যে বৈষম্য সৃষ্টিসহ কর্মকর্তাদের মধ্যে বিভেদ তৈরি করে মিরপুর গণপূর্ত বিভাগে চলছে কৌশলী লুটপাট। আর এ লুটপাটে নেতৃত্ব দিচ্ছেন গণপূর্ত প্রকৌশলী রাশেদ আহসান। তিনি ইতোমধ্য়ে প্রকৌশলীদের মধ্যে স্বৈরাচারের প্রেতাত্মা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন; কারণ রাশেদ আহসান ডিভিশনটির নির্বাহী প্রকৌশলী পদে দায়িত্বরত থেকে আওয়ামী মিশন ভিশন বাস্তবায়নে তৎপর রয়েছেন এবং অতীতেও সুবিধাভোগী ছিলেন। তার বিরুদ্ধে স্বৈরাচারের লালনপালন উন্নয়ন প্রকল্পের ভ্যারিয়েশন টেন্ডার নিয়ে ঘুষ বাণিজ্য, প্রকল্পের নামে শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের বিকৃতিকরণ, এলটিএম নিয়ে জালিয়াতির আশ্রয় নেওয়া, নোয়াখালী ময়মনসিংহের ঠিকাদারদের ডেকে এনে কাজ পাইয়ে দেওয়া, অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকাসহ বিবিধ অনিয়ম দুর্নীতির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, ভবিষ্যতে প্রধান প্রকৌশলী হওয়ার স্বপ্নে বিভোর প্রকৌশলী রাশেদ আহসান কৌশলী লুটপাটে মেতেছেন মিরপুর গণপূর্ত বিভাগে। ফ্যাসিবাদের নিদর্শনকে রক্ষায় মিরপুর শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ সংস্কারের নামে নিম্নমানের কাজের মাধ্যমে একটি ঐতিহাসিক নিদর্শনকে বিকৃতিকরণের প্রকল্পকে বাস্তবায়ন করে আসছেন। ড্রেনেজ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন বিশ্রামাগার পাঠাগার ও বিশ্রামাগার ভবন নির্মাণের নামে অপ্রয়োজনীয় অপচয়মূলক কাজের মাধ্যমে কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার মিশনের নেমেছেন তিনি। নিজের ইচ্ছায় ওই কাজে বিভিন্ন অজুহাতে ডিজাইন ও নকশায় কয়েকদফা পরিবর্তন করিয়ে আসছেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট নির্ভরযোগ্য সূত্র।

স্বৈরাচার সরকারের সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রীর অবৈধ কালেকশনের ক্যাশিয়ার হিসেবে পরিচিত রাশেদ আহসান প্রকৌশলী ইতঃপূর্বে ময়মনসিংহের দায়িত্বে ছিল প্রায় ১ বছর। সেখান থেকে সাবেক ওই পূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরিফ আহমেদকে প্রায় কোটি টাকা ঘুষের মাধ্যমে মিরপুরে পোস্টিং বাগিয়ে নেন। তারপর যোগদানের ৫ মাসের মধ্যেই এক প্রভাবশালী প্রতিমন্ত্রীর সাথে সখ্যতার সুবাদে অবৈধ অর্থের জোড়ে অধিদপ্তরের সবচেয়ে বড় ডিভিশন নগর গণপূর্ত বিভাগে পোষ্টিংয়ের আদেশ করিয়ে নেন। আর মিরপুরের দায়িত্ব নিয়েই লুটপাটে আগ্রাসী হয়ে একের পর এক বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়ান এই প্রকৌশলী। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ভালো মানুষ সাজার উদ্দেশে এপিপির কাজে বেশিরভাগ ঠিকাদারের কাছ থেকে পার্সেন্টেজ না নিয়ে প্রত্যেকটি বিল থেকে ৮%/১০% করে টাকা কেটে দিয়ে ঠিকাদারের ক্ষতি করেন, যাতে তারা আর ভবিষ্যতে ওই ডিভিশনে কাজ করতে না আসে। এ নিয়ে অনেকে প্রতিবাদ করেও কোন লাভ হয়নি। অথচ ফ্যাসিবাদ আওয়ামী ঠিকাদারসহ তার পছন্দের ঠিকাদারদের বিলে পরিশোধে রাশেদ আহসান ভালো মানুষ হতে পারেননি। নিম্নমানের কাজ করে চুক্তিমূল্যেই বিলই বিল পেয়েছেন তারা। এই লুটেরা প্রকৌশলী একই অর্থবছরে প্রায় অর্ধশত কোটেশনের মাধ্যমেও প্রায় দেড় কোটি টাকা লোপাট করেছেন বলে সংশ্লিষ্ট নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়।

২০২৩-২৪ ও ২০২২-২৩ অর্থবছরের এলটিএম নিয়েও ব্যাপক জালিয়াতির আশ্রয় নিয়েছেন এই প্রকৌশলী। ডকুমেন্টসগুলো অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে দেওয়া হলেও রহস্যজনক কারণে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। এ নিয়ে একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন থাকছে পরবর্তী সংখ্যায়।
প্রকৌশলী রাশেদুল আহসান, উন্নয়ন প্রকল্প নিয়েও ব্যাপক জালিয়াতি দুর্নীতির আশ্রয় নিয়েছেন। পাইকপাড়ায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য আবাসিক ফ্ল্যাট নির্মাণ প্রকল্পে সাইট উন্নয়ন কাজ, ২১ ২২ ২৩ ২৪ ও ২৫ নং ভবনে গ্যাস সংযোগসহ বাকী প্রয়োজনীয় কাজ, ১২৩৪ ও ৫ নং ভবনে গ্যাস সংযোগ সহ সংশ্লিষ্ট রিমেইনিং কাজ, ৮০০ বর্গফুট কম্পাউন্ডে ৩তলা স্কুল ভবনের ৫তলা পর্যন্ত ভার্টিকেল এক্সটেনশন কাজ, ১০০০ বর্গফুট কম্পাউন্ডে পূর্বপার্শ্বে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ, ৫ ৬ ৭ ৮ ১০নং ভবন এবং ১১ ১২ ১৩ ১৪ ও ১৫নং ভবনে দুই গ্রুপে এলপিজি গ্যাস সংযোগসহ অবশিষ্ট কাজ, আরবরিকালচার ও খেলার মাঠ উন্নয়ন কাজ, ১৪ ১৭, ১৮ ১৯ ও ২০ নং ভবনে গ্যাস কানেকশনস অন্যান্য অবশিষ্ট কাজ, আরসিসি পাইপ স্যুয়ারেজ লাইন আরসিসি কম্পাউন্ড ড্রেন আরসিসি পিট ও পিট কভার নির্মাণ, আরসিসি রাস্তা নির্মাণ কাজগুলোতে ২গুণ ওভার ইস্টিমেট করা, পছন্দের ঠিকাদার ডেকে এনে কাজ পাইয়ে দেওয়া, নিম্নমানের কাজসহ ব্যাপক অনিয়ম দুর্নীতির আশ্রয় নেয়ার অভিযোগ করেছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কতিপয় ঠিকাদার।

এছাড়াও প্রকল্পের কতিপয় ঠিকাদারকে প্রয়োজনীয় কাজ শেষ করার আগেই দেড়গুণ/দ্বিগুণ অতিরিক্ত বিল দিয়েছেন ২% করে পার্সেন্টেজ নিয়ে। মোটা অঙ্কের পার্সেন্টেজ নিয়ে সাবেক এমপি নিখিলের নামে প্রকল্পে কাজ করা ঠিকাদারদের বিল দিয়ে তাদেরকে আর্থিকভাবে পুনঃ বাসন করেছেন প্রকৌশলী শেদ। এভাবে ২য় স্বাধীনতার সুবর্ণ প্রকল্প থেকে কমপক্ষে ২০ কোটি টাকা ইতিমধ্যে লোপাট করেছেন বলে সংশ্লিষ্ট নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়।

এ ব্যাপারে জানতে রাশেদ আহসানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোন কারণ ছাড়াই প্রতিবেদককে এড়িয়ে চলতে শুরু করেন।