অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ Logo হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে স্বামীর ছুরিকাঘাতে গৃহবধূ নিহত, আটক স্বামী

থাপ্পড়ের প্রতিশোধ নিতেই ঘুমন্ত যুবককে কুপিয়ে হত্যা

নিজস্ব সংবাদদাতা
বুধবাব বিকালের দিকে লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার ভেলা বাড়ি ইউনিয়নের তালুক দুলালী গ্রামের
কামাল হোসেন নামের (৪০) বছর বয়সী এক যুবককে ঘুমন্ত অবস্থায় কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে জানা গেছে। অভিযুক্ত যুবক হাফিজুল ইসলাম একই এলাকার বাসিন্দা।

জানা গেছে,এক বছর আগের থাপ্পড়ের প্রতিশোধ নিতে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
মৃত কামাল হোসেন পেশায় একজন গরু ব্যবসায়ী ছিলেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে নিহত কামালের স্ত্রী শিউলি বেগম অভিযুক্ত হাফিজুলসহ পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে আদিতমারী থানায় হত্যা মামলা করেছেন।

এদিকে ঘটনার দিন রাতেই আসামিদের মধ্যে আয়শা খাতুন ও আবদুল কুদ্দুস নামে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার আবদুল কুদ্দুস ও আয়শা খাতুন প্রধান আসামি হাফিজুলের বাবা ও মা।

মামলা সূত্র থেকে জানা গেছে, এক বছর আগে অভিযুক্ত হাফিজুল ইসলাম উপজেলার ভেলাবাড়ী এলাকার ফারুক মিয়া নামে এক যুবককে মারধর করে। এ সময় কামাল হোসেন মারামারি থামিয়ে হাফিজুলকে থাপ্পড় মেরে বাড়ি পাঠিয়ে দেন। থাপ্পড় মারার পর থেকে আসামিরা কামাল হোসেনের ক্ষতি করার সুযোগ খুঁজতে থাকে। একপর্যায়ে বুধবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে প্রচণ্ড গরমের কারণে কামাল তার নিজ বাড়ি সংলগ্ন বাঁশঝাড়ের নিচে বেঞ্চের ওপর ঘুমিয়েছিলেন। এ সময় অন্য আসামিদের পরামর্শ ও সহযোগিতায় হাফিজুল কুড়াল নিয়ে কামালের মাথায় আঘাত করেন। পরে কামালের চিৎকারে লোকজন এগিয়ে এলে হাফিজুল ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। পরে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক কামালকে মৃত ঘোষণা করেন।

আদিতমারী থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) আলী আকবর জানান, দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বৃহস্পতিবার বিকালে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

Tag :

কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত।

থাপ্পড়ের প্রতিশোধ নিতেই ঘুমন্ত যুবককে কুপিয়ে হত্যা

আপডেট টাইম : ০৬:৩০:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ জুন ২০২৫

নিজস্ব সংবাদদাতা
বুধবাব বিকালের দিকে লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার ভেলা বাড়ি ইউনিয়নের তালুক দুলালী গ্রামের
কামাল হোসেন নামের (৪০) বছর বয়সী এক যুবককে ঘুমন্ত অবস্থায় কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে জানা গেছে। অভিযুক্ত যুবক হাফিজুল ইসলাম একই এলাকার বাসিন্দা।

জানা গেছে,এক বছর আগের থাপ্পড়ের প্রতিশোধ নিতে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
মৃত কামাল হোসেন পেশায় একজন গরু ব্যবসায়ী ছিলেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে নিহত কামালের স্ত্রী শিউলি বেগম অভিযুক্ত হাফিজুলসহ পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে আদিতমারী থানায় হত্যা মামলা করেছেন।

এদিকে ঘটনার দিন রাতেই আসামিদের মধ্যে আয়শা খাতুন ও আবদুল কুদ্দুস নামে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার আবদুল কুদ্দুস ও আয়শা খাতুন প্রধান আসামি হাফিজুলের বাবা ও মা।

মামলা সূত্র থেকে জানা গেছে, এক বছর আগে অভিযুক্ত হাফিজুল ইসলাম উপজেলার ভেলাবাড়ী এলাকার ফারুক মিয়া নামে এক যুবককে মারধর করে। এ সময় কামাল হোসেন মারামারি থামিয়ে হাফিজুলকে থাপ্পড় মেরে বাড়ি পাঠিয়ে দেন। থাপ্পড় মারার পর থেকে আসামিরা কামাল হোসেনের ক্ষতি করার সুযোগ খুঁজতে থাকে। একপর্যায়ে বুধবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে প্রচণ্ড গরমের কারণে কামাল তার নিজ বাড়ি সংলগ্ন বাঁশঝাড়ের নিচে বেঞ্চের ওপর ঘুমিয়েছিলেন। এ সময় অন্য আসামিদের পরামর্শ ও সহযোগিতায় হাফিজুল কুড়াল নিয়ে কামালের মাথায় আঘাত করেন। পরে কামালের চিৎকারে লোকজন এগিয়ে এলে হাফিজুল ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। পরে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক কামালকে মৃত ঘোষণা করেন।

আদিতমারী থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) আলী আকবর জানান, দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বৃহস্পতিবার বিকালে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।