অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo পাটগ্রামে রংপুর ও পাটগ্রাম সোনালী অতীতের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ Logo নিরাপদ সড়ক সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ এই স্লোগানকে সামনে রেখে যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তায় বিআরটিএ’র রোড শো Logo ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে বাস খাদে পড়ে নিহত ৩, আহত ১৬ Logo মাদরাসাশিক্ষক গ্রেফতার: ছাত্রীকে অজ্ঞান করিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ, খাওয়াতো হতো জন্মনিয়ন্ত্রক Logo স্পষ্ট হচ্ছে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ের লক্ষণ, প্রভাব পড়বে বাংলাদেশেও Logo সংগীতশিল্পী আসিফ আকবরের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি Logo মোহাম্মদপুরে ছিনতাইয়ের প্রস্তুতিকালে সুইচ গিয়ারসহ যুবক গ্রেপ্তার Logo এনসিপির শীর্ষ পদ পেয়েছেন ছাগল চোর, নারী ও অর্থ কেলেঙ্কারির সাথে জড়িতরা: রাশেদ খান Logo বরিশালে দোয়ারিকা-সিকাপুর সেতুর টোল লোপাট কোটি টাকার রাজস্ব আত্মসাৎ ! Logo বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো-১,২,৩,৪ ও ঢাকা জেলা সার্কেলের আয়োজনে সড়ক নিরাপত্তায় সচেতনতামূলক রোড-শো অনুষ্ঠিত

হাতিয়ায় সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬, ‘কোপা’ সামছুর লাশ উদ্ধার

ডেস্ক : নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় চর দখল নিয়ে দুই পক্ষের গোলাগুলির ঘটনার দুই দিন পর শামছু বাহিনীর প্রধানের মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ নিয়ে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ছয়জনে।

বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বিকাল ৫টার দিকে উপজেলার জাগলার চরে বনের ভেতরে খাল থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয় বলে জানান হাতিয়া থানার ওসি সাইফুল আলম।

নিহত মো. শামছুদ্দিন ওরফে শামছু উপজেলার জাহাজমারা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ছায়দুল হকের ছেলে। তিনি ‘কোপা শামছু’ বাহিনীর প্রধান বলে দাবি পুলিশের।

এর আগে মঙ্গলবার জাগলার চরের দখল নিয়ে শামছু বাহিনী ও আলাউদ্দিন বাহিনীর মধ্যে গোলাগুলির ঘটনায় শামছুর কলেজ পড়ুয়া ছেলে মোবারক হোসেন শিহাব (২৩) সহ পাঁচজনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার দিন সন্ধ্যায় নিহতদের মধ্যে শামছুর নামও জানিয়েছিল পুলিশ।

তবে রাতেই শামছুর পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নিহতদের মধ্যে শামছু নেই। পরে শামছুর পরিবার জীবিত বা মৃত তার সন্ধান দাবি করেন প্রশাসনের কাছে।

এ ঘটনায় বুধবার রাতে শামছুর ভাই আবুল বাশার বাদী হয়ে হাতিয়া থানায় মামলা করেছেন। মামলায় ৩০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত পরিচয় আরও ১০ থেকে ১২ জনকে আসামি করা হয়।

পুলিশ জানায়, জাগলার চরের দখল নিয়ে ঘটনার দিন সকাল থেকে দিনভর শামছু বাহিনী ও আলাউদ্দিন বাহিনীর মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এ সময় শামছু ও আলাউদ্দিনসহ দুই বাহিনীর অন্তত ছয়জন নিহত এবং ১০ জনের অধিক আহত হন।

নিহতরা হলেন- হাতিয়ার সুখচর ইউনিয়নের চর আমানউল্যাহ গ্রামের মহিউদ্দিনের ছেলে আলাউদ্দিন বাহিনীর প্রধান মো. আলাউদ্দিন (৩৫), জাহাজমারা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ছায়দুল হকের ছেলে শামছু বাহিনীর প্রধান শামসুদ্দিন ওরফে কোপা শামছু (৬৫), শামছুর ছেলে মোবারক হোসেন সিহাব(২৩), চানন্দী ইউনিয়নের নলের চরের প্রয়াত সেকু মিয়ার ছেলে কামাল উদ্দিন (৪০), হাতিয়া পৌরসভার পশ্চিম লক্ষিদিয়া এলাকার প্রয়াত শাহ আলমের ছেলে হকসাব (৫৫) এবং সুবর্ণচর উপজেলার দক্ষিণ চর মজিদের প্রয়াত জয়নাল আবেদিনের ছেলে আবুল কাশেম (৬২)।

ঘটনার পরদিন বিকালে ময়নাতদন্ত শেষে পাঁচজনের মৃতদেহ তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে পুলিশ।

এ ছাড়া ঘটনাস্থল থেকে ওইদিন রাতে একজনকে উদ্ধার করে হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করায় পুলিশ। আহত সোহরাহ নিঝুম দ্বীপের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের খবির উদ্দিনের ছেলে।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

পাটগ্রামে রংপুর ও পাটগ্রাম সোনালী অতীতের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ

হাতিয়ায় সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬, ‘কোপা’ সামছুর লাশ উদ্ধার

আপডেট টাইম : ০৫:৩৯:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫

ডেস্ক : নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় চর দখল নিয়ে দুই পক্ষের গোলাগুলির ঘটনার দুই দিন পর শামছু বাহিনীর প্রধানের মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ নিয়ে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ছয়জনে।

বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বিকাল ৫টার দিকে উপজেলার জাগলার চরে বনের ভেতরে খাল থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয় বলে জানান হাতিয়া থানার ওসি সাইফুল আলম।

নিহত মো. শামছুদ্দিন ওরফে শামছু উপজেলার জাহাজমারা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ছায়দুল হকের ছেলে। তিনি ‘কোপা শামছু’ বাহিনীর প্রধান বলে দাবি পুলিশের।

এর আগে মঙ্গলবার জাগলার চরের দখল নিয়ে শামছু বাহিনী ও আলাউদ্দিন বাহিনীর মধ্যে গোলাগুলির ঘটনায় শামছুর কলেজ পড়ুয়া ছেলে মোবারক হোসেন শিহাব (২৩) সহ পাঁচজনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার দিন সন্ধ্যায় নিহতদের মধ্যে শামছুর নামও জানিয়েছিল পুলিশ।

তবে রাতেই শামছুর পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নিহতদের মধ্যে শামছু নেই। পরে শামছুর পরিবার জীবিত বা মৃত তার সন্ধান দাবি করেন প্রশাসনের কাছে।

এ ঘটনায় বুধবার রাতে শামছুর ভাই আবুল বাশার বাদী হয়ে হাতিয়া থানায় মামলা করেছেন। মামলায় ৩০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত পরিচয় আরও ১০ থেকে ১২ জনকে আসামি করা হয়।

পুলিশ জানায়, জাগলার চরের দখল নিয়ে ঘটনার দিন সকাল থেকে দিনভর শামছু বাহিনী ও আলাউদ্দিন বাহিনীর মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এ সময় শামছু ও আলাউদ্দিনসহ দুই বাহিনীর অন্তত ছয়জন নিহত এবং ১০ জনের অধিক আহত হন।

নিহতরা হলেন- হাতিয়ার সুখচর ইউনিয়নের চর আমানউল্যাহ গ্রামের মহিউদ্দিনের ছেলে আলাউদ্দিন বাহিনীর প্রধান মো. আলাউদ্দিন (৩৫), জাহাজমারা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ছায়দুল হকের ছেলে শামছু বাহিনীর প্রধান শামসুদ্দিন ওরফে কোপা শামছু (৬৫), শামছুর ছেলে মোবারক হোসেন সিহাব(২৩), চানন্দী ইউনিয়নের নলের চরের প্রয়াত সেকু মিয়ার ছেলে কামাল উদ্দিন (৪০), হাতিয়া পৌরসভার পশ্চিম লক্ষিদিয়া এলাকার প্রয়াত শাহ আলমের ছেলে হকসাব (৫৫) এবং সুবর্ণচর উপজেলার দক্ষিণ চর মজিদের প্রয়াত জয়নাল আবেদিনের ছেলে আবুল কাশেম (৬২)।

ঘটনার পরদিন বিকালে ময়নাতদন্ত শেষে পাঁচজনের মৃতদেহ তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে পুলিশ।

এ ছাড়া ঘটনাস্থল থেকে ওইদিন রাতে একজনকে উদ্ধার করে হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করায় পুলিশ। আহত সোহরাহ নিঝুম দ্বীপের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের খবির উদ্দিনের ছেলে।