অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ Logo হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে স্বামীর ছুরিকাঘাতে গৃহবধূ নিহত, আটক স্বামী

সমাজকল্যাণমন্ত্রীকে অপসারণ ও গ্রেপ্তারের দাবি সাংবাদিকদের

বাংলার খবর২৪.কম: 500x350_0af9e0a71a4c3a24439a3693f4e8588f_BFUJ_bg_748860255সাংবাদিকদের সম্পর্কে অশ্লীল ও অরুচিকর বক্তব্য দেওয়ার প্রতিবাদে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সমাজকল্যাণমন্ত্রী সৈয়দ মহসিন আলীকে অপসারণ ও গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন সাংবাদিকরা।

একই সঙ্গে অশালীন বক্তব্য প্রত্যাহার করে ক্ষমা চাওয়ার জন্য মন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে। পাশপাশি মন্ত্রীর বিষয়ে কার্যকর দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপও চেয়েছেন সাংবাদিকরা।

রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) এবং ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) একাংশের নেতৃবৃন্দ মন্ত্রীকে অপসারণের দাবি জানান।

গত ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকারের মন্ত্রিসভায় সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়া এই আওয়ামী লীগ নেতা বিভিন্ন কারণে আলোচিত-সমালোচিত হয়ে উঠেছেন।

সর্বশেষ সিলেটের এক অনুষ্ঠানে তিনি সাংবাদিকদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন।

এরই জের ধরে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের একাংশের সভাপতি মনজুরুল আহসান বুলবুল ও মহাসচিব আবদুল জলিল ভূঁইয়া এবং ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের একাংশের সভাপতি আলতাফ মাহমুদ এবং কুদ্দুস আফ্রাদসহ চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী, বগুড়া, দিনাজপুর, যশোর, নারায়ণগঞ্জ, ময়মনসিংহ, নারায়নগঞ্জ এবং কক্সবাজার সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে ক্ষমা প্রার্থনা করে বক্তব্য প্রত্যাহারের জন্য সৈয়দ মহসিন আলী প্রতি আহ্বান জানান।

সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে সৈয়দ মহসিন আলী ধারাবাহিকভাবে সাংবাদিক সমাজ ও গণমাধ্যমের প্রতি উস্কানিমূলক বক্তব্য রেখেই চলেছেন। সৈয়দ মহসিন আলীর উচ্চারিত শব্দাবলী, বক্তব্য এবং তার দেহের ভাষায় যার প্রকাশ ঘটেছে তা তার নিজস্ব শিক্ষা, রুচি, রাজনীতি ও পারিবারিক সংস্কৃতিকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে।

সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ বলেন, একজন মন্ত্রীর নিচু স্তরের এই ধরনের মানসিকতা এবং তার প্রকাশ গোটা সরকার ও মন্ত্রিসভার মর্যাদাকেই হেয় করে। এই মানের কোন মন্ত্রী যে কোনভাবেই সরকারের বা মন্ত্রিসভার মর্যাদা বৃদ্ধি করে না তা নিশ্চয়ই সরকারের শীর্ষ মহলও অনুধাবন করবেন। সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ সরকারের মর্যাদা রক্ষার স্বার্থেই তার ব্যাপারে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান।

বিবৃতিতে সাংবাদিক এই নেতৃবৃন্দ বলেন, বিস্ময়ের বিষয় হচ্ছে সৈয়দ মহসিন আলী তার বক্তব্যের সময় ‘প্রধানমন্ত্রী তাকে এবং অপর একমন্ত্রীকে চালিয়ে যেতে বলেছেন’ এ কথা বলার মধ্য দিয়ে তার এ ধরনের অশালীন আচরণের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর নামটিও জড়িয়ে ফেলছেন।

এটি আমাদের সবার জন্যই বিব্রতকর। আমরা নিশ্চিত, প্রধানমন্ত্রী ও তার সরকার সাংবাদিকদের কল্যাণে যখন নানা উদ্যোগ নিচ্ছেন এবং তার বাস্তবায়ন করছেন, তখন মন্ত্রিসভার একজন সদস্যের অশালীন মন্তব্য ও অশোভন বক্তব্যের কারণে সেসব শুভ উদ্যোগকে তিনি প্রশ্নবিদ্ধ হতে দেবেন না।

সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ সৈয়দ মহসিন আলী যেন সাংবাদিকদের কাছে দ্রুত ক্ষমা প্রার্থনা করে তার বক্তব্য প্রত্যাহার করেন সে ব্যাপারে উদ্যোগ নিতে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানান।

সাংবাদিকদের সংগঠন দু’টির অপর অংশের নেতৃবৃন্দ প্রেসক্লাবের সামনে সমাবেশ করে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সমাজকল্যাণমন্ত্রী সৈয়দ মহসিন আলীকে অপসারণ ও গ্রেফতারের দাবি জানান।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) একাংশের নেতা রুহুল আমিন গাজী, এম আবদুল্লাহ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে)-এর একাংশের সভাপতি আবদুল হাই শিকদার, ধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম প্রধান, সহকারী মহাসচিব মোদাব্বের হোসেন প্রমুখ।

Tag :

কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত।

সমাজকল্যাণমন্ত্রীকে অপসারণ ও গ্রেপ্তারের দাবি সাংবাদিকদের

আপডেট টাইম : ০১:১২:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ অগাস্ট ২০১৪

বাংলার খবর২৪.কম: 500x350_0af9e0a71a4c3a24439a3693f4e8588f_BFUJ_bg_748860255সাংবাদিকদের সম্পর্কে অশ্লীল ও অরুচিকর বক্তব্য দেওয়ার প্রতিবাদে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সমাজকল্যাণমন্ত্রী সৈয়দ মহসিন আলীকে অপসারণ ও গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন সাংবাদিকরা।

একই সঙ্গে অশালীন বক্তব্য প্রত্যাহার করে ক্ষমা চাওয়ার জন্য মন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে। পাশপাশি মন্ত্রীর বিষয়ে কার্যকর দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপও চেয়েছেন সাংবাদিকরা।

রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) এবং ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) একাংশের নেতৃবৃন্দ মন্ত্রীকে অপসারণের দাবি জানান।

গত ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকারের মন্ত্রিসভায় সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়া এই আওয়ামী লীগ নেতা বিভিন্ন কারণে আলোচিত-সমালোচিত হয়ে উঠেছেন।

সর্বশেষ সিলেটের এক অনুষ্ঠানে তিনি সাংবাদিকদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন।

এরই জের ধরে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের একাংশের সভাপতি মনজুরুল আহসান বুলবুল ও মহাসচিব আবদুল জলিল ভূঁইয়া এবং ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের একাংশের সভাপতি আলতাফ মাহমুদ এবং কুদ্দুস আফ্রাদসহ চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী, বগুড়া, দিনাজপুর, যশোর, নারায়ণগঞ্জ, ময়মনসিংহ, নারায়নগঞ্জ এবং কক্সবাজার সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে ক্ষমা প্রার্থনা করে বক্তব্য প্রত্যাহারের জন্য সৈয়দ মহসিন আলী প্রতি আহ্বান জানান।

সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে সৈয়দ মহসিন আলী ধারাবাহিকভাবে সাংবাদিক সমাজ ও গণমাধ্যমের প্রতি উস্কানিমূলক বক্তব্য রেখেই চলেছেন। সৈয়দ মহসিন আলীর উচ্চারিত শব্দাবলী, বক্তব্য এবং তার দেহের ভাষায় যার প্রকাশ ঘটেছে তা তার নিজস্ব শিক্ষা, রুচি, রাজনীতি ও পারিবারিক সংস্কৃতিকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে।

সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ বলেন, একজন মন্ত্রীর নিচু স্তরের এই ধরনের মানসিকতা এবং তার প্রকাশ গোটা সরকার ও মন্ত্রিসভার মর্যাদাকেই হেয় করে। এই মানের কোন মন্ত্রী যে কোনভাবেই সরকারের বা মন্ত্রিসভার মর্যাদা বৃদ্ধি করে না তা নিশ্চয়ই সরকারের শীর্ষ মহলও অনুধাবন করবেন। সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ সরকারের মর্যাদা রক্ষার স্বার্থেই তার ব্যাপারে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান।

বিবৃতিতে সাংবাদিক এই নেতৃবৃন্দ বলেন, বিস্ময়ের বিষয় হচ্ছে সৈয়দ মহসিন আলী তার বক্তব্যের সময় ‘প্রধানমন্ত্রী তাকে এবং অপর একমন্ত্রীকে চালিয়ে যেতে বলেছেন’ এ কথা বলার মধ্য দিয়ে তার এ ধরনের অশালীন আচরণের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর নামটিও জড়িয়ে ফেলছেন।

এটি আমাদের সবার জন্যই বিব্রতকর। আমরা নিশ্চিত, প্রধানমন্ত্রী ও তার সরকার সাংবাদিকদের কল্যাণে যখন নানা উদ্যোগ নিচ্ছেন এবং তার বাস্তবায়ন করছেন, তখন মন্ত্রিসভার একজন সদস্যের অশালীন মন্তব্য ও অশোভন বক্তব্যের কারণে সেসব শুভ উদ্যোগকে তিনি প্রশ্নবিদ্ধ হতে দেবেন না।

সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ সৈয়দ মহসিন আলী যেন সাংবাদিকদের কাছে দ্রুত ক্ষমা প্রার্থনা করে তার বক্তব্য প্রত্যাহার করেন সে ব্যাপারে উদ্যোগ নিতে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানান।

সাংবাদিকদের সংগঠন দু’টির অপর অংশের নেতৃবৃন্দ প্রেসক্লাবের সামনে সমাবেশ করে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সমাজকল্যাণমন্ত্রী সৈয়দ মহসিন আলীকে অপসারণ ও গ্রেফতারের দাবি জানান।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) একাংশের নেতা রুহুল আমিন গাজী, এম আবদুল্লাহ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে)-এর একাংশের সভাপতি আবদুল হাই শিকদার, ধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম প্রধান, সহকারী মহাসচিব মোদাব্বের হোসেন প্রমুখ।