পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ Logo নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে আহসানুজ্জামানের দুর্নীতির অভিযোগ Logo গণপূর্তে খালেকুজ্জামান সিন্ডিকেটের ‘রাজত্ব’ দেখার যেনো কেউ নেই Logo মিরপুর বিআরটিএ’তে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ০৫ দালালকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন

নির্বাচনে কারচুপির প্রতিবাদে পশ্চিমবঙ্গে হরতাল

ডেস্ক : পশ্চিমবঙ্গে পৌর নির্বাচনে ব্যাপক সন্ত্রাস আর কারচুপির অভিযোগে বামফ্রন্ট আর বিজেপি’র ডাকা ধর্মঘটে যথেষ্ট প্রভাব পড়েছিল।

রাস্তায় সরকারি বাস চললেও বেসরকারি বাস, গাড়ি খুবই কম দেখা গেছে।। কয়েকটি জায়গায় বনধ সমর্থক আর ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে।

এই বনধ ব্যর্থ করার জন্য কড়া নির্দেশ জারি করেছিল মমতা ব্যানার্জীর নেতৃত্বাধীন সরকার।

ভোর ৬টায় ধর্মঘট শুরু হতেই বিভিন্ন জায়গায় রেল অবরোধ শুরু করেছিলেন বামপন্থী কর্মীরা। এর ফলে কলকাতা আর শহরতলীতে সকালের দিকে রেল চলাচলে কিছুটা বিঘ্ন ঘটে।

ওই সব অবরোধ অবশ্য কিছুক্ষণ পরেই তুলে দেয় পুলিশ।

কলকাতার রাস্তায় যানবাহন চলাচল ছিল সীমিত।

ধর্মঘটী বামপন্থীরা গোটা রাজ্যেই মিছিল বের করেন। একই সঙ্গে ধর্মঘটকে উপেক্ষা করার আহ্বান জানিয়ে রাস্তায় নেমেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। কোথাও তারা যেমন মাইক নিয়ে প্রচার করেছে নির্ভয়ে দোকানপাট খুলতে, কোথাও তাদের সঙ্গে সংঘর্ষ বেঁধেছে বামপন্থী অথবা বিজেপি সমর্থকদের সঙ্গে। কলকাতার রাস্তায় সরকারি বাস প্রচুর সংখ্যায় নামিয়েছিল সরকারি পরিবহন সংস্থাগুলি, কিন্তু সেগুলিতে যাত্রী সংখ্যা ছিল হাতে গোনা। বেসরকারি বাস বা ট্যাক্সি রাস্তায় প্রায় দেখাই যায় নি।

দোকান-বাজার কিছু খুলেছিল, অনেক আবার বন্ধও ছিল। রাস্তাঘাট ছিল প্রায় ফাঁকা।

ধর্মঘটের বিরুদ্ধে ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেস দলের প্রচারণা প্রভাব ফেলেনি।

সরকার আগেই নির্দেশ জারি করে আজ কর্মচারীদের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক করেছিল। তাই সরকারি দপ্তরগুলিতে হাজিরা প্রায় স্বাভাবিকই ছিল।

তবে শিল্পাঞ্চল বা চা বাগানগুলিতে ধর্মঘটের খুব একটা প্রভাব পড়ে নি বলেই স্বীকার করেছে ধর্মঘটী বামপন্থী ট্রেড ইউনিয়নগুলো।

নির্বাচনী সন্ত্রাস আর কারচুপির অভিযোগ তুলে রাজনৈতিকভাবে দুই মেরুতে থাকা বামফ্রন্ট আর বিজেপি – দুই পক্ষ একই দিনে একই ইস্যুতে তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের বিরুদ্ধে ধর্মঘট ডাকছে – এটা খুবই তাৎপর্যপূর্ণ।

যদিও এটাকে দীর্ঘমেয়াদী কোনও বিরোধী ঐক্য বলে মনে করছেন না বিশ্লেষকেরা।

সূত্র : বিবিসি

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ

নির্বাচনে কারচুপির প্রতিবাদে পশ্চিমবঙ্গে হরতাল

আপডেট টাইম : ০৩:১৩:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০১৫

ডেস্ক : পশ্চিমবঙ্গে পৌর নির্বাচনে ব্যাপক সন্ত্রাস আর কারচুপির অভিযোগে বামফ্রন্ট আর বিজেপি’র ডাকা ধর্মঘটে যথেষ্ট প্রভাব পড়েছিল।

রাস্তায় সরকারি বাস চললেও বেসরকারি বাস, গাড়ি খুবই কম দেখা গেছে।। কয়েকটি জায়গায় বনধ সমর্থক আর ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে।

এই বনধ ব্যর্থ করার জন্য কড়া নির্দেশ জারি করেছিল মমতা ব্যানার্জীর নেতৃত্বাধীন সরকার।

ভোর ৬টায় ধর্মঘট শুরু হতেই বিভিন্ন জায়গায় রেল অবরোধ শুরু করেছিলেন বামপন্থী কর্মীরা। এর ফলে কলকাতা আর শহরতলীতে সকালের দিকে রেল চলাচলে কিছুটা বিঘ্ন ঘটে।

ওই সব অবরোধ অবশ্য কিছুক্ষণ পরেই তুলে দেয় পুলিশ।

কলকাতার রাস্তায় যানবাহন চলাচল ছিল সীমিত।

ধর্মঘটী বামপন্থীরা গোটা রাজ্যেই মিছিল বের করেন। একই সঙ্গে ধর্মঘটকে উপেক্ষা করার আহ্বান জানিয়ে রাস্তায় নেমেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। কোথাও তারা যেমন মাইক নিয়ে প্রচার করেছে নির্ভয়ে দোকানপাট খুলতে, কোথাও তাদের সঙ্গে সংঘর্ষ বেঁধেছে বামপন্থী অথবা বিজেপি সমর্থকদের সঙ্গে। কলকাতার রাস্তায় সরকারি বাস প্রচুর সংখ্যায় নামিয়েছিল সরকারি পরিবহন সংস্থাগুলি, কিন্তু সেগুলিতে যাত্রী সংখ্যা ছিল হাতে গোনা। বেসরকারি বাস বা ট্যাক্সি রাস্তায় প্রায় দেখাই যায় নি।

দোকান-বাজার কিছু খুলেছিল, অনেক আবার বন্ধও ছিল। রাস্তাঘাট ছিল প্রায় ফাঁকা।

ধর্মঘটের বিরুদ্ধে ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেস দলের প্রচারণা প্রভাব ফেলেনি।

সরকার আগেই নির্দেশ জারি করে আজ কর্মচারীদের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক করেছিল। তাই সরকারি দপ্তরগুলিতে হাজিরা প্রায় স্বাভাবিকই ছিল।

তবে শিল্পাঞ্চল বা চা বাগানগুলিতে ধর্মঘটের খুব একটা প্রভাব পড়ে নি বলেই স্বীকার করেছে ধর্মঘটী বামপন্থী ট্রেড ইউনিয়নগুলো।

নির্বাচনী সন্ত্রাস আর কারচুপির অভিযোগ তুলে রাজনৈতিকভাবে দুই মেরুতে থাকা বামফ্রন্ট আর বিজেপি – দুই পক্ষ একই দিনে একই ইস্যুতে তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের বিরুদ্ধে ধর্মঘট ডাকছে – এটা খুবই তাৎপর্যপূর্ণ।

যদিও এটাকে দীর্ঘমেয়াদী কোনও বিরোধী ঐক্য বলে মনে করছেন না বিশ্লেষকেরা।

সূত্র : বিবিসি