পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক

সম্প্রচার নীতিমালা বাস্তবায়ন না করার দাবি সুজনের

বাংলার খবর২৪.কমsujon-logo_6544_47001: গণমাধ্যমের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ ‘জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালা-২০১৪’ বাস্তবায়ন না করার দাবি জানিয়েছে সুশাসনের জন্য নাগররিক-সুজন।

শনিবার সংগঠনের সভাপতি এম হাফিজউদ্দিন খান ও সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সুজন মনে করে এই নীতিমালা বাস্তবায়নের ফলে সম্প্রচার মাধ্যমগুলোর ওপর তথ্য মন্ত্রণালয় তথা সরকারের নিয়ন্ত্রণ আরো বাড়বে, এ মাধ্যমের স্বাধীনতা সঙ্কুচিত হবে। এছাড়াও নীতিমালাটির বেশকিছু ধারা অস্পষ্ট এবং স্পর্শকাতর রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়। অবমাননা, বন্ধু রাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক ও শত্রুতা এবং ইতিহাস বিকৃতি ইত্যাদি বিষয়সমূহ স্পষ্ট নয়। ফলে এ বিষয়গুলো অপব্যবহারেরও আশঙ্কা রয়ে যায় বলেও বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, গণমাধ্যম ও নাগরিক সমাজের দীর্ঘদিনের দাবি ছিলো সম্প্রচার কমিশন গঠনের। কিন্তু সরকার কমিশন গঠনের আগেই ‘জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালা’ অনুমোদন করেছে। এর ফলে শাস্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার এককভাবে তথ্য মন্ত্রণালয়কে দেওয়া হয়েছে, যা গণমাধ্যমের জন্য মঙ্গলজনক হবে না বলে আমরা মনে করি।

যোগ্য ব্যক্তিদের সমন্বয়ে একটি স্বাধীন সম্প্রচার কমিশন গঠনের আগে সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতার সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ ‘জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালা-২০১৪’ বাস্তবায়ন না করার জন্য সরকারের নিকট জোর দাবি জানায় সংগঠনটি।

প্রসঙ্গত, নানা আলোচনা ও সমালোচনার পর সরকার গত ৫ আগস্ট ‘জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালা-২০১৪’ অনুমোদন করেছে। যদিও গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিগণ এ নীতিমালা বাস্তবায়ন করা হলে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা খর্ব হবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

এ নীতিমালায় সংবাদ ও অনুষ্ঠান প্রচারে বেশ কিছু বিধি-নিষেধ আরোপ করা হয়েছে। যেমন, সশস্ত্র বাহিনী এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত কোনো বাহিনীর প্রতি কটাক্ষ বা অবমাননাকর দৃশ্য বা বক্তব্য প্রচার করা যাবে না; অপরাধীদের দণ্ড দিতে পারেন এমন সরকারি কর্মকর্তাদের ভাবমূর্তি বিনষ্ট করার মতো দৃশ্য বা বক্তব্যও প্রচার করা যাবে না; জনস্বার্থ বিঘ্নিত হতে পারে এমন কোনো বিদ্রোহ, নৈরাজ্য ও হিংসাত্মক ঘটনা প্রচার করা যাবে না ইত্যাদি। নীতিমালায় জাতীয় সম্প্রচার কমিশন গঠনের কথা বলা হলেও সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট সময় উল্লেখ করা হয়নি। বরং বলা হয়েছে- কমিশন গঠন না হওয়া পর্যন্ত তথ্য মন্ত্রণালয় সম্প্রচার সম্পর্কিত সব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। আবার কমিশন হলেও তার কাজ হবে তদন্ত করে সুপারিশ করা। শাস্তির ক্ষমতা সরকার তার নিজের কাছেই রেখেছে। ফলে তদারকি ও নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে শেষ কথা সরকারেরই।

Tag :

সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো

সম্প্রচার নীতিমালা বাস্তবায়ন না করার দাবি সুজনের

আপডেট টাইম : ০৭:৩০:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৯ অগাস্ট ২০১৪

বাংলার খবর২৪.কমsujon-logo_6544_47001: গণমাধ্যমের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ ‘জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালা-২০১৪’ বাস্তবায়ন না করার দাবি জানিয়েছে সুশাসনের জন্য নাগররিক-সুজন।

শনিবার সংগঠনের সভাপতি এম হাফিজউদ্দিন খান ও সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সুজন মনে করে এই নীতিমালা বাস্তবায়নের ফলে সম্প্রচার মাধ্যমগুলোর ওপর তথ্য মন্ত্রণালয় তথা সরকারের নিয়ন্ত্রণ আরো বাড়বে, এ মাধ্যমের স্বাধীনতা সঙ্কুচিত হবে। এছাড়াও নীতিমালাটির বেশকিছু ধারা অস্পষ্ট এবং স্পর্শকাতর রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়। অবমাননা, বন্ধু রাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক ও শত্রুতা এবং ইতিহাস বিকৃতি ইত্যাদি বিষয়সমূহ স্পষ্ট নয়। ফলে এ বিষয়গুলো অপব্যবহারেরও আশঙ্কা রয়ে যায় বলেও বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, গণমাধ্যম ও নাগরিক সমাজের দীর্ঘদিনের দাবি ছিলো সম্প্রচার কমিশন গঠনের। কিন্তু সরকার কমিশন গঠনের আগেই ‘জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালা’ অনুমোদন করেছে। এর ফলে শাস্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার এককভাবে তথ্য মন্ত্রণালয়কে দেওয়া হয়েছে, যা গণমাধ্যমের জন্য মঙ্গলজনক হবে না বলে আমরা মনে করি।

যোগ্য ব্যক্তিদের সমন্বয়ে একটি স্বাধীন সম্প্রচার কমিশন গঠনের আগে সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতার সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ ‘জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালা-২০১৪’ বাস্তবায়ন না করার জন্য সরকারের নিকট জোর দাবি জানায় সংগঠনটি।

প্রসঙ্গত, নানা আলোচনা ও সমালোচনার পর সরকার গত ৫ আগস্ট ‘জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালা-২০১৪’ অনুমোদন করেছে। যদিও গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিগণ এ নীতিমালা বাস্তবায়ন করা হলে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা খর্ব হবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

এ নীতিমালায় সংবাদ ও অনুষ্ঠান প্রচারে বেশ কিছু বিধি-নিষেধ আরোপ করা হয়েছে। যেমন, সশস্ত্র বাহিনী এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত কোনো বাহিনীর প্রতি কটাক্ষ বা অবমাননাকর দৃশ্য বা বক্তব্য প্রচার করা যাবে না; অপরাধীদের দণ্ড দিতে পারেন এমন সরকারি কর্মকর্তাদের ভাবমূর্তি বিনষ্ট করার মতো দৃশ্য বা বক্তব্যও প্রচার করা যাবে না; জনস্বার্থ বিঘ্নিত হতে পারে এমন কোনো বিদ্রোহ, নৈরাজ্য ও হিংসাত্মক ঘটনা প্রচার করা যাবে না ইত্যাদি। নীতিমালায় জাতীয় সম্প্রচার কমিশন গঠনের কথা বলা হলেও সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট সময় উল্লেখ করা হয়নি। বরং বলা হয়েছে- কমিশন গঠন না হওয়া পর্যন্ত তথ্য মন্ত্রণালয় সম্প্রচার সম্পর্কিত সব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। আবার কমিশন হলেও তার কাজ হবে তদন্ত করে সুপারিশ করা। শাস্তির ক্ষমতা সরকার তার নিজের কাছেই রেখেছে। ফলে তদারকি ও নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে শেষ কথা সরকারেরই।