অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বাড়ির উঠানে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর রক্তাক্ত মরদেহ, স্বামীর পরিবারের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ Logo মিরপুর বিআরটিএতে দালাল চক্রের ২ সদস্য আটক, ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৩০ দিনের কারাদণ্ড Logo পাটগ্রামে প্রিপেইড মিটার বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও স্মারকলিপি প্রদান Logo জুলাইয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪১৮ জন : বিআরটিএ Logo দায়িত্ব নিয়ে স্কুল পরিদর্শনে নবনির্বাচিত সভাপতি Logo লালমনিরহাট-বুড়িমারী মহাসড়কে ট্রাকের চাপায় ইজিবাইকের দুই যাত্রী নিহত Logo তিস্তায় নতুন ব্যারাজ নির্মাণের পরামর্শ কারিগরি কমিটির Logo এক দিন ছুটি নিলেই টানা ৪ দিনের ছুটি Logo স্বামী চলে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর মিলল গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ Logo খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন আজ

ভোলার বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্লাবিত, ৫০ হাজার মানুষ পানিবন্দী

বাংলার খবর২৪.কম: 500x350_f573c7942b4700c6b773b97bc14687df_Flood-Photoভোলার বিস্তীর্ণ এলাকার অন্তত ৫০ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। পূর্ণিমার প্রভাবে সৃষ্ট জোয়ারে এ অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। মঙ্গলবার বিকালে এসব এলাকা প্লাবিত হয়।

পানি উন্নয়ন র্বোড জানিয়েছে, দৌলতখান উপজেলার হাজিপুর, মেদুয়া, মদনপুর, ভবানীপুর ও সৈয়দপুর, তজুমদ্দিনের সোনাপুর, মনপুরার দক্ষিণ সাকুচিয়া, উত্তর সাকুচিয়া, মনপুরা ও চরফ্যাশনের মাদ্রাস, আসলামপুর, হাজারীগঞ্জ, কুকরী-মুকরী ও ঢালচর ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে।

ভোলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল হেকিম জানান, মেঘনার পানি বিপদসীমার ৩ দশমিক ৬৪ মিটার উপরে প্রবাহিত হওয়ায় তৃতীয় দফায় এসব এলাকা প্লাবিত হয়েছে। তবে জোয়ার চলে গলে পানি নেমে যাবে।

তিনি বলেন, প্রবল জোয়ারের কারণে ভোলা শহর রক্ষা বাঁধ চরম ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। বাঁধের বেশকিছু স্থান জরাজীর্ণ থাকায় যেকোনো সময় ধসে যাওয়ার আশংকা রয়েছে।

মেদুয়া ইউপি চেয়ারম্যান মঞ্জুর আলম জানান, ইউনিয়নের নেয়ামতপুরসহ বাঁধের বাইরের বেশিরভাগ এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাড়ির উঠানে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর রক্তাক্ত মরদেহ, স্বামীর পরিবারের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ

ভোলার বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্লাবিত, ৫০ হাজার মানুষ পানিবন্দী

আপডেট টাইম : ০৮:১৫:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ অগাস্ট ২০১৪

বাংলার খবর২৪.কম: 500x350_f573c7942b4700c6b773b97bc14687df_Flood-Photoভোলার বিস্তীর্ণ এলাকার অন্তত ৫০ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। পূর্ণিমার প্রভাবে সৃষ্ট জোয়ারে এ অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। মঙ্গলবার বিকালে এসব এলাকা প্লাবিত হয়।

পানি উন্নয়ন র্বোড জানিয়েছে, দৌলতখান উপজেলার হাজিপুর, মেদুয়া, মদনপুর, ভবানীপুর ও সৈয়দপুর, তজুমদ্দিনের সোনাপুর, মনপুরার দক্ষিণ সাকুচিয়া, উত্তর সাকুচিয়া, মনপুরা ও চরফ্যাশনের মাদ্রাস, আসলামপুর, হাজারীগঞ্জ, কুকরী-মুকরী ও ঢালচর ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে।

ভোলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল হেকিম জানান, মেঘনার পানি বিপদসীমার ৩ দশমিক ৬৪ মিটার উপরে প্রবাহিত হওয়ায় তৃতীয় দফায় এসব এলাকা প্লাবিত হয়েছে। তবে জোয়ার চলে গলে পানি নেমে যাবে।

তিনি বলেন, প্রবল জোয়ারের কারণে ভোলা শহর রক্ষা বাঁধ চরম ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। বাঁধের বেশকিছু স্থান জরাজীর্ণ থাকায় যেকোনো সময় ধসে যাওয়ার আশংকা রয়েছে।

মেদুয়া ইউপি চেয়ারম্যান মঞ্জুর আলম জানান, ইউনিয়নের নেয়ামতপুরসহ বাঁধের বাইরের বেশিরভাগ এলাকা প্লাবিত হয়েছে।