পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

স্বামী থাকা সত্ত্বেও অফিসের ট্যুরে আরেকজনের প্রেমে পড়ে গিয়েছি…

ডেস্ক : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মজীবী নারী পাঠিয়েছেন তাঁর সমস্যা- “আমার বিয়ের বয়স ৬ বছর। সংসারে তেমন কোন সমস্যা নেই। সাধারণ দম্পতিদের যেমন হয়, তেমনটাই আছে। হ্যাঁ, শ্বশুরবাড়ি নিয়ে খুব সমস্যা হয়। আমার হাজব্যান্ড নিজের বাবার বাড়ি সম্পর্কে ভালো-মন্দ কিছুই শুনতে চান না। তবে এটা নিয়ে আমাদের মাঝে তেমন কোন দূরত্ব নেই, ঝগড়া ঝাঁটি ও মনোমালিন্য আছে। এখনো কোন সন্তান নেই আমাদের।

সবকিছু ঠিক চলছিল, গত জানুয়ারি পর্যন্ত। গত জানুয়ারিতে আমি অফিসের ট্যুরে ঢাকার বাইরে যাই। ৩ দিনের ট্যুর ছিল, আমি ও আমার আরেক সহকর্মী (নারী) একসাথেই ভ্রমণ করি। সেখানেই আমার কর্মসূত্রে একজনের পরিচয় হয়। আশফাক ওর নাম। ভদ্রলোকের স্ত্রী আছে, সন্তানও আছে। আমরা একই শহরের বাসিন্দা।

সেখানেই ভীষণ ভালো লেগে যায় তাঁকে। ঢাকায় ফিরেও আমরা নিয়মিত যোগাযোগ রেখেছি। দেখা হয় না, কিন্তু টেলিফোনে কথা হয় ও ফেসবুকে চ্যাট হয়। আমরা দুজনেই বুঝতে পারছি যে পরস্পরের প্রতি ভীষণ দুর্বল হয়ে পড়েছি আমরা। তিনি প্রায়ই আমাকে দেখা করার জন্য ডাকেন।

আমি নিজেকে বহু কষ্টে সামলে রাখি, কিন্তু আসলে মনকে বোঝাতে পারি না। মনে হয় তাঁর কাছে ছুটে চলে যাই। তাঁকে ছাড়া নিজের জীবনটা অপূর্ণ মনে হয়। কিন্তু আমরা কেউই নিজেদের সংসার ভাঙতে চাই না। আমি বুঝতে পারছি না কী করবো… ”

পরামর্শ:

এটা সত্যি যে ভালোবাসা যখন-তখন হতে পারে, যে কারো সাথেই হতে পারে। কিন্তু যখন আপনি বিবাহিত, তখন কিছু দায়িত্বও যোগ হয় ভালোবাসার সাথে। বিয়ে মানে কেবল দুটি মানুষের সম্পর্ক নয়, দুটি পরিবারের মাঝেও সম্পর্ক। আপনার স্বামী তো খারাপ মানুষ নন, তিনি তো আপনার সাথে কোন অন্যায় করছেন না। তাহলে আপনি কেন পরকীয়ায় জড়িয়ে তাঁর সাথে অন্যায় করবেন?

আরও বড় ব্যাপার হচ্ছে, আপনি নিজেই লিখেছেন উক্ত ভদ্রলোক নিজের সংসার ছেড়ে আসতে চান না। তাহলে আপনি কীসের ভিত্তিতে বা কীসের আশায় তাঁর কাছে ছুটে যাবেন। এতে কেবল আপনার ও আপনার স্বামীর জীবন নষ্ট হবে, আপনার সংসার ভাঙবে, দুটি পরিবার কষ্ট হবে। এছাড়া কিন্তু আর কিছুই হবে না।

তাই সব দিক মিলিয়ে এই মরিচিকা সম্পর্কটি থেকে সরে আসাটাই আপনার জন্য মঙ্গলজনক মনে হচ্ছে। নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে তাঁর সাথে যোগাযোগের সমস্ত মাধ্যম ছিন্ন করুন। ফেসবুকে ব্লক করে দিন। ফোন নম্বর বদলে ফেলুন। তাঁর সাথে নিয়মিত সকল যোগাযোগ নষ্ট করে ফেলুন। “বন্ধু হয়ে থাকব”- এমন ভাবনা রাখবেন না। এতে কেবল সমস্যাই বাড়বে।

Tag :

বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ

স্বামী থাকা সত্ত্বেও অফিসের ট্যুরে আরেকজনের প্রেমে পড়ে গিয়েছি…

আপডেট টাইম : ০৪:০৮:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০১৫

ডেস্ক : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মজীবী নারী পাঠিয়েছেন তাঁর সমস্যা- “আমার বিয়ের বয়স ৬ বছর। সংসারে তেমন কোন সমস্যা নেই। সাধারণ দম্পতিদের যেমন হয়, তেমনটাই আছে। হ্যাঁ, শ্বশুরবাড়ি নিয়ে খুব সমস্যা হয়। আমার হাজব্যান্ড নিজের বাবার বাড়ি সম্পর্কে ভালো-মন্দ কিছুই শুনতে চান না। তবে এটা নিয়ে আমাদের মাঝে তেমন কোন দূরত্ব নেই, ঝগড়া ঝাঁটি ও মনোমালিন্য আছে। এখনো কোন সন্তান নেই আমাদের।

সবকিছু ঠিক চলছিল, গত জানুয়ারি পর্যন্ত। গত জানুয়ারিতে আমি অফিসের ট্যুরে ঢাকার বাইরে যাই। ৩ দিনের ট্যুর ছিল, আমি ও আমার আরেক সহকর্মী (নারী) একসাথেই ভ্রমণ করি। সেখানেই আমার কর্মসূত্রে একজনের পরিচয় হয়। আশফাক ওর নাম। ভদ্রলোকের স্ত্রী আছে, সন্তানও আছে। আমরা একই শহরের বাসিন্দা।

সেখানেই ভীষণ ভালো লেগে যায় তাঁকে। ঢাকায় ফিরেও আমরা নিয়মিত যোগাযোগ রেখেছি। দেখা হয় না, কিন্তু টেলিফোনে কথা হয় ও ফেসবুকে চ্যাট হয়। আমরা দুজনেই বুঝতে পারছি যে পরস্পরের প্রতি ভীষণ দুর্বল হয়ে পড়েছি আমরা। তিনি প্রায়ই আমাকে দেখা করার জন্য ডাকেন।

আমি নিজেকে বহু কষ্টে সামলে রাখি, কিন্তু আসলে মনকে বোঝাতে পারি না। মনে হয় তাঁর কাছে ছুটে চলে যাই। তাঁকে ছাড়া নিজের জীবনটা অপূর্ণ মনে হয়। কিন্তু আমরা কেউই নিজেদের সংসার ভাঙতে চাই না। আমি বুঝতে পারছি না কী করবো… ”

পরামর্শ:

এটা সত্যি যে ভালোবাসা যখন-তখন হতে পারে, যে কারো সাথেই হতে পারে। কিন্তু যখন আপনি বিবাহিত, তখন কিছু দায়িত্বও যোগ হয় ভালোবাসার সাথে। বিয়ে মানে কেবল দুটি মানুষের সম্পর্ক নয়, দুটি পরিবারের মাঝেও সম্পর্ক। আপনার স্বামী তো খারাপ মানুষ নন, তিনি তো আপনার সাথে কোন অন্যায় করছেন না। তাহলে আপনি কেন পরকীয়ায় জড়িয়ে তাঁর সাথে অন্যায় করবেন?

আরও বড় ব্যাপার হচ্ছে, আপনি নিজেই লিখেছেন উক্ত ভদ্রলোক নিজের সংসার ছেড়ে আসতে চান না। তাহলে আপনি কীসের ভিত্তিতে বা কীসের আশায় তাঁর কাছে ছুটে যাবেন। এতে কেবল আপনার ও আপনার স্বামীর জীবন নষ্ট হবে, আপনার সংসার ভাঙবে, দুটি পরিবার কষ্ট হবে। এছাড়া কিন্তু আর কিছুই হবে না।

তাই সব দিক মিলিয়ে এই মরিচিকা সম্পর্কটি থেকে সরে আসাটাই আপনার জন্য মঙ্গলজনক মনে হচ্ছে। নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে তাঁর সাথে যোগাযোগের সমস্ত মাধ্যম ছিন্ন করুন। ফেসবুকে ব্লক করে দিন। ফোন নম্বর বদলে ফেলুন। তাঁর সাথে নিয়মিত সকল যোগাযোগ নষ্ট করে ফেলুন। “বন্ধু হয়ে থাকব”- এমন ভাবনা রাখবেন না। এতে কেবল সমস্যাই বাড়বে।