পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

‌‘আমাদের কয়েকবার শারীরিক সম্পর্কও হয়েছে এখন…!’

বিনোদন ডেস্ক :নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন জানিয়েছেন নিজের সমস্যার কথা।

” ২০১৪ সালের ১৬ই মে একটি ছেলেকে দেখে আমার ভালো লাগে। সাহস করে তার নাম জেনে নেই। পরদিন পার্কে গিয়ে আবার তাকে পাই। ছেলেটার ফেসবুক আইডি নিই। ধীরে ধীরে আমরা খুব ভালো বন্ধু হয়ে যাই। এক সময়, আমাদের খুব বেশি মোবাইলে কথা হত। আমি সারাদিন কি করি, না করি সবকিছু তাকে বলতাম। আমি তাকে সব কথা শেয়ার করতাম। ভার্সিটি জীবনের প্রথমদিকে আমার একটি ছেল বন্ধু ছিলো যার সাথে আমি ঘুরাঘুরি করতাম, তাকে সে কথাও বলি।

উল্লেখ্য, আমার ছেলে বন্ধু এবং আমার প্রেমিক দুজন একই বিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলো মানে দুজন দুজনকে চিনত। যাইহোক, আমি যে তাকে পছন্দ করি সে কথা তাকে বুঝাতে শুরু করি। পরে সে ও বলে আমাকে নাকি তার ভালো লাগে। ১৫দিন কথা বলার সময় সেও এটা বুঝায়। ২০ দিন পর বলে সে আমাকে মিথ্যা বলেছে।

আসলে সে তার মা বাবার স্বপ্ন সত্যি করতে চায়। তার ক্যারিয়ার ভালো করতে চায়। এমন আরো অনেক কিছু। ঐ রাতে আমি উলটা পালটা কিছু করতে চাইলে সে আমাকে বুঝায় আর পরদিন দেখা করতে বলে। যাইহোক আমার পাগলামীর জন্য সম্পর্কটা আগায়। কিন্তু সে আমাকে অবিশ্বাস করে। আমার সাথে রাগারাগি করে। ঐ ছেলে বন্ধুকে নিয়ে সন্দেহ করে। আমি বুঝাই আমার কোন সম্পর্ক ছিলো না। আমার ফেসবুক আইডি চাইলে সেটা আমি দিয়ে দেই। দুই একটা ছেলের সাথে চ্যাট করা নিয়ে রাগারাগি করে।

এক বছর যাবত সে এমন ই করছে। আগে আমি রাগ করতাম না। এখন আমাকে কিছু বললে আমিও রাগ করি। আমরা দুজন তিন মাসের ছোট বড়। ও আমার বাসায় আসে মাঝে মাঝে। আমার মা আমাদের প্রেম সম্পর্কে জানে। আমাদের কয়েকবার শারীরিক সম্পর্কও হয়েছে। ও আমাকে অনেক বেশি ভালোবাসে।

কিন্তু ওর রাগ অনেক বেশি। কথায় কথায় দোষ ধরে। আমি অনেক ভালোবাসি। এটা ও বুঝেনা। আমি অনেকবার সরে যেতে চেয়েছি কিন্তু ওর ভালোবাসার জন্য সরে যেতে পারিনি।

আমার মা বলে এই ছেলে কখনোও ঠিক হবেনা। কিছু দিন যাবত আমি ওর সাথে কথা বলিনা। আমি বলেছি আর সম্পর্ক রাখবনা। এত কথা শুনতে আর ভালো লাগেনা। ও আমাকে ওর জীবনে ফিরে যেতে বলেছে কিন্তু একবারও আমাকে ফোন দেয়নি। আমি এখন কি করবো? ওর সাথে থাকলে কি আমি ভালো থাকবো? আমার কে করা উচিত? একেবারে সরে আসবো নাকি আবার যোগাযোগ করবো?”

পরামর্শ:

দেখুন আপু, মা যেহেতু সম্পর্কের ব্যাপারে জানেন আর মা-ই বলছেন যে ছেলেটি কখনো শোধরাবে না, সেক্ষেত্রে সম্পর্ক সামনে নেয়ার কোন মানে নেই। বুঝতেই পারছি মায়ের সাথে আপনার সম্পর্ক খুবই বন্ধুত্বপূর্ণ। তাই মা যেহেতু ছেলেটিকে ভালো করে চেনেন, মায়ের মতামতকে মোটেও অগ্রাহ্য করা উচিত হবে না।

তাছাড়া আমি মনে করি, এভাবে দাম্পত্যে সুখী হওয়া যায় না। এভাবে হয়তো প্রেম চালিয়ে নেয়া সম্ভব, কিন্তু দাম্পত্য অনেক দীর্ঘ একটি ব্যাপার। আর সেই সম্পর্কে সবচাইতে জরুরী হচ্ছে বিশ্বাস। আস্থা ও বিশ্বাস না থাকলে দাম্পত্যে সুখী হওয়া খুব কঠিন। বিশেষ করে মনের মাঝে সন্দেহ নিয়ে। তাছাড়া ইগো সমস্যা আছে, এমন মানুষের সাথে সম্পর্ক রাখা খুবই শক্ত।

যেহেতু সরে যেতেই চাইছেন, সেভাবেই থাকন। জীবন আপনার, ভবিষ্যৎ আপনার। যদি মনে করেন যে এই ছেলেটির সাথে আপনি সুখী হতে পারবেন না, তাহলে জোর করে সম্পর্ক ধরে রাখা অর্থহীন।

Tag :

বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ

‌‘আমাদের কয়েকবার শারীরিক সম্পর্কও হয়েছে এখন…!’

আপডেট টাইম : ০১:৫৫:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৫

বিনোদন ডেস্ক :নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন জানিয়েছেন নিজের সমস্যার কথা।

” ২০১৪ সালের ১৬ই মে একটি ছেলেকে দেখে আমার ভালো লাগে। সাহস করে তার নাম জেনে নেই। পরদিন পার্কে গিয়ে আবার তাকে পাই। ছেলেটার ফেসবুক আইডি নিই। ধীরে ধীরে আমরা খুব ভালো বন্ধু হয়ে যাই। এক সময়, আমাদের খুব বেশি মোবাইলে কথা হত। আমি সারাদিন কি করি, না করি সবকিছু তাকে বলতাম। আমি তাকে সব কথা শেয়ার করতাম। ভার্সিটি জীবনের প্রথমদিকে আমার একটি ছেল বন্ধু ছিলো যার সাথে আমি ঘুরাঘুরি করতাম, তাকে সে কথাও বলি।

উল্লেখ্য, আমার ছেলে বন্ধু এবং আমার প্রেমিক দুজন একই বিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলো মানে দুজন দুজনকে চিনত। যাইহোক, আমি যে তাকে পছন্দ করি সে কথা তাকে বুঝাতে শুরু করি। পরে সে ও বলে আমাকে নাকি তার ভালো লাগে। ১৫দিন কথা বলার সময় সেও এটা বুঝায়। ২০ দিন পর বলে সে আমাকে মিথ্যা বলেছে।

আসলে সে তার মা বাবার স্বপ্ন সত্যি করতে চায়। তার ক্যারিয়ার ভালো করতে চায়। এমন আরো অনেক কিছু। ঐ রাতে আমি উলটা পালটা কিছু করতে চাইলে সে আমাকে বুঝায় আর পরদিন দেখা করতে বলে। যাইহোক আমার পাগলামীর জন্য সম্পর্কটা আগায়। কিন্তু সে আমাকে অবিশ্বাস করে। আমার সাথে রাগারাগি করে। ঐ ছেলে বন্ধুকে নিয়ে সন্দেহ করে। আমি বুঝাই আমার কোন সম্পর্ক ছিলো না। আমার ফেসবুক আইডি চাইলে সেটা আমি দিয়ে দেই। দুই একটা ছেলের সাথে চ্যাট করা নিয়ে রাগারাগি করে।

এক বছর যাবত সে এমন ই করছে। আগে আমি রাগ করতাম না। এখন আমাকে কিছু বললে আমিও রাগ করি। আমরা দুজন তিন মাসের ছোট বড়। ও আমার বাসায় আসে মাঝে মাঝে। আমার মা আমাদের প্রেম সম্পর্কে জানে। আমাদের কয়েকবার শারীরিক সম্পর্কও হয়েছে। ও আমাকে অনেক বেশি ভালোবাসে।

কিন্তু ওর রাগ অনেক বেশি। কথায় কথায় দোষ ধরে। আমি অনেক ভালোবাসি। এটা ও বুঝেনা। আমি অনেকবার সরে যেতে চেয়েছি কিন্তু ওর ভালোবাসার জন্য সরে যেতে পারিনি।

আমার মা বলে এই ছেলে কখনোও ঠিক হবেনা। কিছু দিন যাবত আমি ওর সাথে কথা বলিনা। আমি বলেছি আর সম্পর্ক রাখবনা। এত কথা শুনতে আর ভালো লাগেনা। ও আমাকে ওর জীবনে ফিরে যেতে বলেছে কিন্তু একবারও আমাকে ফোন দেয়নি। আমি এখন কি করবো? ওর সাথে থাকলে কি আমি ভালো থাকবো? আমার কে করা উচিত? একেবারে সরে আসবো নাকি আবার যোগাযোগ করবো?”

পরামর্শ:

দেখুন আপু, মা যেহেতু সম্পর্কের ব্যাপারে জানেন আর মা-ই বলছেন যে ছেলেটি কখনো শোধরাবে না, সেক্ষেত্রে সম্পর্ক সামনে নেয়ার কোন মানে নেই। বুঝতেই পারছি মায়ের সাথে আপনার সম্পর্ক খুবই বন্ধুত্বপূর্ণ। তাই মা যেহেতু ছেলেটিকে ভালো করে চেনেন, মায়ের মতামতকে মোটেও অগ্রাহ্য করা উচিত হবে না।

তাছাড়া আমি মনে করি, এভাবে দাম্পত্যে সুখী হওয়া যায় না। এভাবে হয়তো প্রেম চালিয়ে নেয়া সম্ভব, কিন্তু দাম্পত্য অনেক দীর্ঘ একটি ব্যাপার। আর সেই সম্পর্কে সবচাইতে জরুরী হচ্ছে বিশ্বাস। আস্থা ও বিশ্বাস না থাকলে দাম্পত্যে সুখী হওয়া খুব কঠিন। বিশেষ করে মনের মাঝে সন্দেহ নিয়ে। তাছাড়া ইগো সমস্যা আছে, এমন মানুষের সাথে সম্পর্ক রাখা খুবই শক্ত।

যেহেতু সরে যেতেই চাইছেন, সেভাবেই থাকন। জীবন আপনার, ভবিষ্যৎ আপনার। যদি মনে করেন যে এই ছেলেটির সাথে আপনি সুখী হতে পারবেন না, তাহলে জোর করে সম্পর্ক ধরে রাখা অর্থহীন।