অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo লালমনিরহাটে সার না পেয়ে মহাসড়ক অবরোধ, আমন চাষিদের বিক্ষোভ Logo বনশ্রীতে মেগা বুকশপ ‘তিলোত্তমা’গ্র্যান্ড ওপেনিং Logo “বাঙ্গরা বাজার থানা সমিতি-ঢাকা’র নির্বাচন সভাপতি মোমেন, সাধারণ সম্পাদক আবির Logo পাটগ্রামে দবির উদ্দিন চিকিৎসা সহায়তা ফাউন্ডেশনের নগদ সহায়তা প্রদান Logo পাটগ্রামে ইহসান ইয়ুথ সার্কেলের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি Logo কায়েতপাড়ায় বসতভিটা রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের মানুষের থানায় গণঅভিযোগ Logo পাটগ্রামে জমি নিয়ে বিরোধে প্রতিপক্ষের হামলা, নারীসহ আহত ৪ Logo পাটগ্রামে রাস্তা ভেঙে চলাচল বন্ধ প্রায় দুই হাজার পরিবারের চলাচলে দুর্ভোগ Logo কুষ্টিয়ায় শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেপ্তার Logo জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস আজ

এবারই প্রথম টিভি বিজ্ঞাপন ও ডিজিটাল প্রচারণার সুযোগ

ঢাকা: পৌরসভা নির্বাচনে প্রথমবারের মতো ডিজিটাল প্রচারণার সুযোগ পাবেন প্রার্থী ও রাজনৈতিক দলগুলো। ডিজিটাল ডিসপ্লেবোর্ড, ইন্টারনেটে ফেসবুক, টুইটারসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও প্রচারণা চালানো যাবে। প্রচারে ব্যানার ও বিলবোর্ডের ব্যবহার করা যাবে। টেলিভিশনসহ ইলেকট্রনিক মাধ্যমেও বিজ্ঞাপন দিতে পারবে প্রার্থী ও দলগুলো। পৌরসভা নির্বাচনে প্রথমবারের মতো এ সুযোগ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

দলীয়ভাবে অনুষ্ঠিত পৌর নির্বাচনের আচরণবিধিতে এসব নতুন বিষয় সংযোজন করা হয়েছে। তবে নির্বাচনী ব্যয়সীমার মধ্যে থেকে এসব প্রচার করতে হবে। নির্বাচন উৎসবমুখর করতে এবং ডিজিটাল যুগের সঙ্গে তাল মেলাতে প্রচারণার ক্ষেত্রে এসব সুযোগ দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইসির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

আজ ২৩৫ পৌরসভায় মনোনয়ন দেয়ার শেষ সময়। আগামী ৯ ডিসেম্বর থেকে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করতে পারবেন প্রার্থীরা। আগামী ৩০ ডিসেম্বর পৌরসভাগুলোতে ভোটগ্রহণ হবে। সর্বশেষ ২০১১ সালের জানুয়ারিতে সারাদেশের পৌরসভাগুলোতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

প্রচারণার নতুনত্বের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. জাবেদ আলী বলেন, যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে প্রচারণার অবাধ সুযোগ দেয়া হয়েছে। কোথাও সংকীর্ণতা রাখা হয়নি। তবে প্রার্থী ও রাজনৈতিক দলগুলোকে ব্যয় সীমার মধ্যে থেকে নির্ধারিত ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে প্রচারণা চালাতে হবে। ব্যয়ের হিসাব নির্বাচনের পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কমিশনে জমা দিতে হবে। নির্দিষ্ট ব্যয়সীমার অতিরিক্ত খরচ করলে দণ্ড আরোপের বিধান রেখেছি।

সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রচারণার ক্ষেত্রে প্রার্থীরা কোন খাতে কত টাকা ব্যয় করবেন তা মনোনয়নপত্রে উল্লেখ করতে হবে। এজন্য মনোনয়নপত্রের ‘ফরম-ঢ’তে ব্যয়ের খাতভিত্তিক আলাদা ছক করে দেয়া হয়েছে। এতে টেলিভিশন বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় প্রচারে সম্ভাব্য ব্যয় উল্লেখ করতে বলা হয়েছে। তারা আরো জানান, পৌরসভা (নির্বাচন আচরণ) বিধিমালা, ২০১৫-তে প্রচারের ক্ষেত্রে প্রচলিত পোস্টার ও লিফলেট ছাড়াও ডিজিটাল প্রচারণার সুযোগ দেয়া হয়েছে। এতে পোস্টারের সংজ্ঞায়- কাগজ, রেক্সিন, ডিজিটাল ডিসপ্লেবোর্ড বা ইলেকট্রনিকস মাধ্যমসহ অন্য যে কোনো মাধ্যমে প্রস্তুতকৃত কোনো প্রচারপত্র, প্রচারচিত্র, বিজ্ঞাপনচিত্র এবং যে কোনো ধরনের ব্যানার ও বিলবোর্ড উল্লেখ করা হয়েছে। অর্থাৎ এসব মাধ্যম ব্যবহার করে প্রার্থী ও রাজনৈতিক দলগুলো প্রচার চালাতে পারবে বলে জানান তারা।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

লালমনিরহাটে সার না পেয়ে মহাসড়ক অবরোধ, আমন চাষিদের বিক্ষোভ

এবারই প্রথম টিভি বিজ্ঞাপন ও ডিজিটাল প্রচারণার সুযোগ

আপডেট টাইম : ০৩:৩৭:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০১৫

ঢাকা: পৌরসভা নির্বাচনে প্রথমবারের মতো ডিজিটাল প্রচারণার সুযোগ পাবেন প্রার্থী ও রাজনৈতিক দলগুলো। ডিজিটাল ডিসপ্লেবোর্ড, ইন্টারনেটে ফেসবুক, টুইটারসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও প্রচারণা চালানো যাবে। প্রচারে ব্যানার ও বিলবোর্ডের ব্যবহার করা যাবে। টেলিভিশনসহ ইলেকট্রনিক মাধ্যমেও বিজ্ঞাপন দিতে পারবে প্রার্থী ও দলগুলো। পৌরসভা নির্বাচনে প্রথমবারের মতো এ সুযোগ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

দলীয়ভাবে অনুষ্ঠিত পৌর নির্বাচনের আচরণবিধিতে এসব নতুন বিষয় সংযোজন করা হয়েছে। তবে নির্বাচনী ব্যয়সীমার মধ্যে থেকে এসব প্রচার করতে হবে। নির্বাচন উৎসবমুখর করতে এবং ডিজিটাল যুগের সঙ্গে তাল মেলাতে প্রচারণার ক্ষেত্রে এসব সুযোগ দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইসির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

আজ ২৩৫ পৌরসভায় মনোনয়ন দেয়ার শেষ সময়। আগামী ৯ ডিসেম্বর থেকে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করতে পারবেন প্রার্থীরা। আগামী ৩০ ডিসেম্বর পৌরসভাগুলোতে ভোটগ্রহণ হবে। সর্বশেষ ২০১১ সালের জানুয়ারিতে সারাদেশের পৌরসভাগুলোতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

প্রচারণার নতুনত্বের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. জাবেদ আলী বলেন, যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে প্রচারণার অবাধ সুযোগ দেয়া হয়েছে। কোথাও সংকীর্ণতা রাখা হয়নি। তবে প্রার্থী ও রাজনৈতিক দলগুলোকে ব্যয় সীমার মধ্যে থেকে নির্ধারিত ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে প্রচারণা চালাতে হবে। ব্যয়ের হিসাব নির্বাচনের পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কমিশনে জমা দিতে হবে। নির্দিষ্ট ব্যয়সীমার অতিরিক্ত খরচ করলে দণ্ড আরোপের বিধান রেখেছি।

সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রচারণার ক্ষেত্রে প্রার্থীরা কোন খাতে কত টাকা ব্যয় করবেন তা মনোনয়নপত্রে উল্লেখ করতে হবে। এজন্য মনোনয়নপত্রের ‘ফরম-ঢ’তে ব্যয়ের খাতভিত্তিক আলাদা ছক করে দেয়া হয়েছে। এতে টেলিভিশন বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় প্রচারে সম্ভাব্য ব্যয় উল্লেখ করতে বলা হয়েছে। তারা আরো জানান, পৌরসভা (নির্বাচন আচরণ) বিধিমালা, ২০১৫-তে প্রচারের ক্ষেত্রে প্রচলিত পোস্টার ও লিফলেট ছাড়াও ডিজিটাল প্রচারণার সুযোগ দেয়া হয়েছে। এতে পোস্টারের সংজ্ঞায়- কাগজ, রেক্সিন, ডিজিটাল ডিসপ্লেবোর্ড বা ইলেকট্রনিকস মাধ্যমসহ অন্য যে কোনো মাধ্যমে প্রস্তুতকৃত কোনো প্রচারপত্র, প্রচারচিত্র, বিজ্ঞাপনচিত্র এবং যে কোনো ধরনের ব্যানার ও বিলবোর্ড উল্লেখ করা হয়েছে। অর্থাৎ এসব মাধ্যম ব্যবহার করে প্রার্থী ও রাজনৈতিক দলগুলো প্রচার চালাতে পারবে বলে জানান তারা।