অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ Logo হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে স্বামীর ছুরিকাঘাতে গৃহবধূ নিহত, আটক স্বামী

কাজ থেকে ফিরে সুখী দম্পতিরা কী করে?

ডেস্ক : সুন্দরভাবে বাঁচার জন্য মানুষ কাজ করে। কিন্তু কখনোই কাজের ভিড়ে নিজের পরিবারকে অবহেলা করা ঠিক নয়। বিশেষ করে জীবনসঙ্গীকে। কারণ একটা ভুল আচরণ অপনাদের সম্পর্কে ফাটল ধরাতে পারে। যতই ব্যস্ততা থাকুক, যতই কাজের চাপ থাকুক বাড়ি ফিরে কিছু বিষয় সবসময় খেয়াল রাখা উচিত। এতে দাম্পত্য জীবন সুখের হয়।

সুখী দম্পতিরা কাজ থেকে বাসায় ফিরে কী কী করে তার একটা তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে রিডার্স ডায়জেস্টে। আপনি চাইলে এই পরামর্শগুলো একবার দেখে নিতে পারেন।

১. কাজ থেকে ফেরার পরই দুজন মিলে চট করে পুরো ঘর চক্কর দেয়। যাতে সহজেই ছক আঁকতে পারে কী কী কাজ করতে হবে। চাকরিজীবী দম্পতিরা এই কাজটি করবেই। আর যাদের সঙ্গী গৃহিণী তারা বাসায় ফিরে সঙ্গীর সঙ্গে প্রথমেই কিছুক্ষণ কথা বলে বিশ্রাম নিতে যায়। এতে সারাদিন যে সঙ্গীর অপেক্ষায় থাকে সে কিছুটা হলেও মানসিক শান্তি পায়।

২. সারাদিন কাজের অনেক চাপ থেকে। এই চাপ থেকে মুক্তি পেতে বাসায় ফিরে দম্পতিরা হাসিখুশি থাকার চেষ্টা করে। যাতে অফিসের চাপের প্রভাব বাসায় না পড়ে।

৩. নিজে একা কিছুটা সময় কাটায়। সেটা সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে হোক কিংবা গান শুনে হোক কিংবা টিভি দেখে। এতে মানসিকভাবে সে প্রস্তুত হতে সময় পায়। নিজেকে সময় দিলে সম্পর্কে তিক্ততা আসে না।

৪. দুজনই খালি হাতে কিছু ব্যায়াম বা যোগ ব্যায়াম করে। শারীরিক সুস্থতা মানুষের মনকে চাঙ্গা রাখে। তাই সুখী দম্পতিরা নিজেদের ফিট রাখার চেষ্টা করে।

৫. দুজনে কফি খেতে খেতে কিছুটা সময় গল্প করে। ঘুমানোর আগেও তারা চিন্তা ভাগাভাগি করে। এতে সম্পর্কে বন্ধুত্বটা টিকে থাকে।

৬. টিভি দেখতে ভোলেন না সুখী দম্পতিরা। সিনেমা হোক, মজার কোনো অনুষ্ঠান হোক বা টিভি শো হোক দুজন মিলে খানিকটা সময় আনন্দে কাটায়।

৭. একসঙ্গে রাতের খাবার খাওয়ার চেষ্টা করে। কারণ সারাদিন দুজন দুজনকে সঙ্গ দিতে পারে না। আর পরিবার মানেই একসঙ্গে খাওয়া, আনন্দে থাকা, ঘুরতে যাওয়া। তাই রাতের খাবারটা কখনোই তারা একা একা খায় না।

৮. তারা একে অন্যকে ঘরের কাজে সাহায্য করে। যাতে তাড়াতাড়ি কাজ শেষ হয়ে যায় এবং একজনের ওপর চাপ বেশি না পড়ে।

৯. রাতে খাওয়ার পর বারান্দা বা ছাদে দুজন কিছুক্ষণ হাঁটে। এতে শরীরও ভালো থাকে এবং একজন আরেকজনের সঙ্গ পায়।

১০. ছুটির দিনগুলোতে ধারে কাছে কোথাও পিকনিক করে। এতে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো হয়। কেউ কেউ রাতে বাইরে খেতে যায়। এতেও সম্পর্কের একঘেয়েমি ভাব দূর হয়।

Tag :

কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত।

কাজ থেকে ফিরে সুখী দম্পতিরা কী করে?

আপডেট টাইম : ০২:০১:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ অগাস্ট ২০১৬

ডেস্ক : সুন্দরভাবে বাঁচার জন্য মানুষ কাজ করে। কিন্তু কখনোই কাজের ভিড়ে নিজের পরিবারকে অবহেলা করা ঠিক নয়। বিশেষ করে জীবনসঙ্গীকে। কারণ একটা ভুল আচরণ অপনাদের সম্পর্কে ফাটল ধরাতে পারে। যতই ব্যস্ততা থাকুক, যতই কাজের চাপ থাকুক বাড়ি ফিরে কিছু বিষয় সবসময় খেয়াল রাখা উচিত। এতে দাম্পত্য জীবন সুখের হয়।

সুখী দম্পতিরা কাজ থেকে বাসায় ফিরে কী কী করে তার একটা তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে রিডার্স ডায়জেস্টে। আপনি চাইলে এই পরামর্শগুলো একবার দেখে নিতে পারেন।

১. কাজ থেকে ফেরার পরই দুজন মিলে চট করে পুরো ঘর চক্কর দেয়। যাতে সহজেই ছক আঁকতে পারে কী কী কাজ করতে হবে। চাকরিজীবী দম্পতিরা এই কাজটি করবেই। আর যাদের সঙ্গী গৃহিণী তারা বাসায় ফিরে সঙ্গীর সঙ্গে প্রথমেই কিছুক্ষণ কথা বলে বিশ্রাম নিতে যায়। এতে সারাদিন যে সঙ্গীর অপেক্ষায় থাকে সে কিছুটা হলেও মানসিক শান্তি পায়।

২. সারাদিন কাজের অনেক চাপ থেকে। এই চাপ থেকে মুক্তি পেতে বাসায় ফিরে দম্পতিরা হাসিখুশি থাকার চেষ্টা করে। যাতে অফিসের চাপের প্রভাব বাসায় না পড়ে।

৩. নিজে একা কিছুটা সময় কাটায়। সেটা সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে হোক কিংবা গান শুনে হোক কিংবা টিভি দেখে। এতে মানসিকভাবে সে প্রস্তুত হতে সময় পায়। নিজেকে সময় দিলে সম্পর্কে তিক্ততা আসে না।

৪. দুজনই খালি হাতে কিছু ব্যায়াম বা যোগ ব্যায়াম করে। শারীরিক সুস্থতা মানুষের মনকে চাঙ্গা রাখে। তাই সুখী দম্পতিরা নিজেদের ফিট রাখার চেষ্টা করে।

৫. দুজনে কফি খেতে খেতে কিছুটা সময় গল্প করে। ঘুমানোর আগেও তারা চিন্তা ভাগাভাগি করে। এতে সম্পর্কে বন্ধুত্বটা টিকে থাকে।

৬. টিভি দেখতে ভোলেন না সুখী দম্পতিরা। সিনেমা হোক, মজার কোনো অনুষ্ঠান হোক বা টিভি শো হোক দুজন মিলে খানিকটা সময় আনন্দে কাটায়।

৭. একসঙ্গে রাতের খাবার খাওয়ার চেষ্টা করে। কারণ সারাদিন দুজন দুজনকে সঙ্গ দিতে পারে না। আর পরিবার মানেই একসঙ্গে খাওয়া, আনন্দে থাকা, ঘুরতে যাওয়া। তাই রাতের খাবারটা কখনোই তারা একা একা খায় না।

৮. তারা একে অন্যকে ঘরের কাজে সাহায্য করে। যাতে তাড়াতাড়ি কাজ শেষ হয়ে যায় এবং একজনের ওপর চাপ বেশি না পড়ে।

৯. রাতে খাওয়ার পর বারান্দা বা ছাদে দুজন কিছুক্ষণ হাঁটে। এতে শরীরও ভালো থাকে এবং একজন আরেকজনের সঙ্গ পায়।

১০. ছুটির দিনগুলোতে ধারে কাছে কোথাও পিকনিক করে। এতে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো হয়। কেউ কেউ রাতে বাইরে খেতে যায়। এতেও সম্পর্কের একঘেয়েমি ভাব দূর হয়।