পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo খিলগাঁওয়ের সাব রেজিস্টার মাইকেল মহিউদ্দিন আব্দুল্লাহর ২৯ টি ফ্ল্যাট! রাজধানীজুড়ে সম্পদের পাহাড় Logo গণপূর্তের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী বদরুলের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ Logo পাটগ্রাম সীমান্তে ৬১ বিজিবির অভিযান,৪ ভারতীয় গরু আটক Logo জ্বালানি সংকট নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ Logo রূপগঞ্জে ভূমিদস্যুতা বন্ধ ও খাল উদ্ধারে ১০ গ্রামের সভা ও ঝাড়ু মিছিল Logo পুলিশের ইউনিফর্ম পরে ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গিয়ে বিআরটিএ’তে যুবক আটক Logo পাটগ্রামে দবীর উদ্দিন চিকিৎসা সহায়তা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ১০ রোগীকে আর্থিক সহায়তা Logo চলন্ত ট্রেনে নারী ধর্ষণের ঘটনায় তোলপাড়, চার পুলিশ প্রত্যাহার Logo ৪ মন্ত্রণালয় ও বিভাগে নতুন সচিব নিয়োগ Logo লালমনিরহাটে শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

চবিতে ২ ব্যাগ হাতবোমা উদ্ধার

বাংলার খবর২৪.কমindex_51418, চবি : চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এফ রহমান হলের পেছনে পাহাড়ি জঙ্গলে অভিযান চালিয়ে দুই ব্যাগ হাতবোমা উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার দুপুরে এই অভিযান চালানো হয়। দুই ব্যাগে মোট ২১টি হাতবোমা ছিল।

হাটহাজারী থানার ওসি ইসমাইল হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “সকাল থেকে ক্যাম্পাসে অভিযান চলছিল। পাহাড়ে কাঠ কাটতে যাওয়া লোকজন আমাদের জানায় এফ রহমান হলের ক্যান্টিনের পেছনে জঙ্গলে তারা দুটি ব্যাগ দেখতে পেয়েছে। সেখানে গিয়ে দুটি ব্যাগে থাকা মোট ২১টি হাতবোমা উদ্ধার করা হয়।”

গত শনিবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সোহরাওয়ার্দী ছাত্রাবাসের কাছে ‘শিবির নিয়ন্ত্রিত’ কটেজ ‘দ্বীপ মঞ্জিল’ এ অভিযান চালায় পুলিশ। সেখান থেকে বোমা, চার বস্তা পাথর ও ২০টি লোহার রড উদ্ধার হয়।

ওই ঘটনায় শনিবার গভীর রাতে শিবিরের ৪২ নেতা-কর্মীকে আসামি করে বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলাও করেছে পুলিশ।

গত ১০ সেপ্টেম্বর সকালে চট্টগ্রাম-হাটহাজারী সড়কের ছড়ারকূল এলাকায় শিক্ষক বাসে হাতবোমা ও পাথর নিক্ষেপ করে শিবিরকর্মীরা। ওই ঘটনায় ১১ শিক্ষকসহ ১৪ জন আহত হন।

এরপর ঘটনাস্থল ও বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অভিযান শুরু করে পুলিশ। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ আলাদা দুটি মামলা করে, যাতে ৯৫ জনকে আসামি করা হয়।

শিক্ষক বাসে হামলার পর গত তিন দিনে ঘটনাস্থল ও ক্যাম্পাসে অভিযান চালিয়ে মোট ৩৩ জন শিবিরকর্মীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

গত ২৪ আগস্ট ক্যাম্পাসে ছাত্র শিবির ও ছাত্রলীগকর্মীদের মধ্যে গুলি বিনিময়ের পর ‘সোহরাওয়ার্দী’ ছাত্রাবাসে পুলিশ অভিযান চালায়। ওইদিন ছাত্রাবাসটি থেকে বেশকিছু পেট্রোল বোমা ও পাথর উদ্ধার করা হয়।

পরদিন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ছাত্র শিবিরকর্মীদের নিয়ন্ত্রণে থাকা হলটি বন্ধ করে দেয়।

গত জানুয়ারি থেকে বন্ধ থাকা শাহ আমানত ও আগস্টে বন্ধ হওয়া সোহরাওয়ার্দী ছাত্রাবাস খোলার দাবিতে গত ৩১ আগস্ট ‘হলের আবাসিক শিক্ষার্থী’ ব্যানারে ধর্মঘটের ডাক দেয় ছাত্রশিবির।

এই ধর্মঘটের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের শাটল ট্রেন ও শিক্ষক বাসে চার দফা হামলা চালানো হয়।

এদিকে শিক্ষক বাসে হামলার প্রতিবাদে শনিবার থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত প্রতিদিন এক ঘণ্টা করে কর্মবিরতি পালন করছে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

খিলগাঁওয়ের সাব রেজিস্টার মাইকেল মহিউদ্দিন আব্দুল্লাহর ২৯ টি ফ্ল্যাট! রাজধানীজুড়ে সম্পদের পাহাড়

চবিতে ২ ব্যাগ হাতবোমা উদ্ধার

আপডেট টাইম : ১১:২১:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৪

বাংলার খবর২৪.কমindex_51418, চবি : চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এফ রহমান হলের পেছনে পাহাড়ি জঙ্গলে অভিযান চালিয়ে দুই ব্যাগ হাতবোমা উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার দুপুরে এই অভিযান চালানো হয়। দুই ব্যাগে মোট ২১টি হাতবোমা ছিল।

হাটহাজারী থানার ওসি ইসমাইল হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “সকাল থেকে ক্যাম্পাসে অভিযান চলছিল। পাহাড়ে কাঠ কাটতে যাওয়া লোকজন আমাদের জানায় এফ রহমান হলের ক্যান্টিনের পেছনে জঙ্গলে তারা দুটি ব্যাগ দেখতে পেয়েছে। সেখানে গিয়ে দুটি ব্যাগে থাকা মোট ২১টি হাতবোমা উদ্ধার করা হয়।”

গত শনিবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সোহরাওয়ার্দী ছাত্রাবাসের কাছে ‘শিবির নিয়ন্ত্রিত’ কটেজ ‘দ্বীপ মঞ্জিল’ এ অভিযান চালায় পুলিশ। সেখান থেকে বোমা, চার বস্তা পাথর ও ২০টি লোহার রড উদ্ধার হয়।

ওই ঘটনায় শনিবার গভীর রাতে শিবিরের ৪২ নেতা-কর্মীকে আসামি করে বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলাও করেছে পুলিশ।

গত ১০ সেপ্টেম্বর সকালে চট্টগ্রাম-হাটহাজারী সড়কের ছড়ারকূল এলাকায় শিক্ষক বাসে হাতবোমা ও পাথর নিক্ষেপ করে শিবিরকর্মীরা। ওই ঘটনায় ১১ শিক্ষকসহ ১৪ জন আহত হন।

এরপর ঘটনাস্থল ও বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অভিযান শুরু করে পুলিশ। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ আলাদা দুটি মামলা করে, যাতে ৯৫ জনকে আসামি করা হয়।

শিক্ষক বাসে হামলার পর গত তিন দিনে ঘটনাস্থল ও ক্যাম্পাসে অভিযান চালিয়ে মোট ৩৩ জন শিবিরকর্মীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

গত ২৪ আগস্ট ক্যাম্পাসে ছাত্র শিবির ও ছাত্রলীগকর্মীদের মধ্যে গুলি বিনিময়ের পর ‘সোহরাওয়ার্দী’ ছাত্রাবাসে পুলিশ অভিযান চালায়। ওইদিন ছাত্রাবাসটি থেকে বেশকিছু পেট্রোল বোমা ও পাথর উদ্ধার করা হয়।

পরদিন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ছাত্র শিবিরকর্মীদের নিয়ন্ত্রণে থাকা হলটি বন্ধ করে দেয়।

গত জানুয়ারি থেকে বন্ধ থাকা শাহ আমানত ও আগস্টে বন্ধ হওয়া সোহরাওয়ার্দী ছাত্রাবাস খোলার দাবিতে গত ৩১ আগস্ট ‘হলের আবাসিক শিক্ষার্থী’ ব্যানারে ধর্মঘটের ডাক দেয় ছাত্রশিবির।

এই ধর্মঘটের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের শাটল ট্রেন ও শিক্ষক বাসে চার দফা হামলা চালানো হয়।

এদিকে শিক্ষক বাসে হামলার প্রতিবাদে শনিবার থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত প্রতিদিন এক ঘণ্টা করে কর্মবিরতি পালন করছে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি।