পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ Logo হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে স্বামীর ছুরিকাঘাতে গৃহবধূ নিহত, আটক স্বামী

চট্টগ্রামে পুলিশ মোতায়েন, ভোরে বিজিবি মোতায়েন

বাংলার খবর২৪.কমpolice_3_243479260_51714(2) : একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর আপিল বিভাগের রায়কে ঘিরে নাশকতা মোকাবিলায় সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন।

এজন্য নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন উপজেলায় পাঠানো হচ্ছে অতিরিক্ত পুলিশ। সেই সঙ্গে বুধবার ভোর ৫টা থেকে নগরী এবং জেলায় বিজিবি মোতায়েনেরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, নগরীতে ৬ প্লাটুন অর্থাৎ ১৮০ জন বিজিবি সদস্য মোতায়েনের জন্য জেলা প্রশাসকের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে পুলিশ। আর জেলায় ১০ প্লাটুন অর্থাৎ তিনশ’ বিজিবি সদস্য মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুলিশ।

নগর পুলিশের উপ-কমিশনার (সদর) মাসুদ-উল-হাসান বলেন, ভোর ৫টা থেকে বিজিবি সদস্যদের মাঠে থাকার জন্য বলা হয়েছে। সাঈদীর রায়ের পর কেউ যাতে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতে না পারে সেজন্য আমরা সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় আছি।

জেলা পুলিশ সুপার একেএম হাফিজ আক্তার বলেন, অতীতে সাঈদীর রায়কে ঘিরে যেসব এলাকা আক্রান্ত হয়েছিল সেগুলোসহ সব উপদ্রুত এলাকার প্রতি আমরা নজর রাখছি। এছাড়া মহাসড়কগুলোকে বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় সব উপজেলায় যাতে দ্রুত বিজিবি সদস্যদের পাঠানো যায় সে ব্যাপারেও প্রস্তুত থাকার অনুরোধ করা হয়েছে।

এদিকে নাশকতা মোকাবিলায় নগরী এবং জেলায় পুলিশের পক্ষ থেকেও সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে শিবির ধরতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যাপক তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।

উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় গণহত্যা, হত্যা, ধর্ষণের মতো ৮টি অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয় সাঈদীর বিরুদ্ধে। গত বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি দেওয়া রায়ে দুটি অপরাধে সাঈদীর বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।

সাঈদীর বিরুদ্ধে গঠন অভিযোগে একাত্তরে মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তিন হাজারেরও বেশি নিরস্ত্র ব্যক্তিকে হত্যা বা হত্যায় সহযোগিতা, ৯জনেরও বেশি নারীকে ধর্ষণ, বিভিন্ন বাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে লুটপাট, ভাঙচুর এবং ১০০ থেকে ১৫০ জন হিন্দু ধর্মাবলম্বীকে জোরপূর্বক ধর্মান্তরে বাধ্য করার মতো ২০টি ঘটনার অভিযোগ আনা হয়েছিলো।

এগুলোর মধ্যে সন্দেহাতীতভাবে ৮টি অভিযোগ প্রমাণিত হয়। এর মধ্যে দুটি অভিযোগে (অর্থাৎ ৮ ও ১০ নম্বর) সাঈদীকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-১।

Tag :

কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত।

চট্টগ্রামে পুলিশ মোতায়েন, ভোরে বিজিবি মোতায়েন

আপডেট টাইম : ০৫:৫০:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৪

বাংলার খবর২৪.কমpolice_3_243479260_51714(2) : একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর আপিল বিভাগের রায়কে ঘিরে নাশকতা মোকাবিলায় সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন।

এজন্য নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন উপজেলায় পাঠানো হচ্ছে অতিরিক্ত পুলিশ। সেই সঙ্গে বুধবার ভোর ৫টা থেকে নগরী এবং জেলায় বিজিবি মোতায়েনেরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, নগরীতে ৬ প্লাটুন অর্থাৎ ১৮০ জন বিজিবি সদস্য মোতায়েনের জন্য জেলা প্রশাসকের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে পুলিশ। আর জেলায় ১০ প্লাটুন অর্থাৎ তিনশ’ বিজিবি সদস্য মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুলিশ।

নগর পুলিশের উপ-কমিশনার (সদর) মাসুদ-উল-হাসান বলেন, ভোর ৫টা থেকে বিজিবি সদস্যদের মাঠে থাকার জন্য বলা হয়েছে। সাঈদীর রায়ের পর কেউ যাতে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতে না পারে সেজন্য আমরা সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় আছি।

জেলা পুলিশ সুপার একেএম হাফিজ আক্তার বলেন, অতীতে সাঈদীর রায়কে ঘিরে যেসব এলাকা আক্রান্ত হয়েছিল সেগুলোসহ সব উপদ্রুত এলাকার প্রতি আমরা নজর রাখছি। এছাড়া মহাসড়কগুলোকে বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় সব উপজেলায় যাতে দ্রুত বিজিবি সদস্যদের পাঠানো যায় সে ব্যাপারেও প্রস্তুত থাকার অনুরোধ করা হয়েছে।

এদিকে নাশকতা মোকাবিলায় নগরী এবং জেলায় পুলিশের পক্ষ থেকেও সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে শিবির ধরতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যাপক তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।

উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় গণহত্যা, হত্যা, ধর্ষণের মতো ৮টি অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয় সাঈদীর বিরুদ্ধে। গত বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি দেওয়া রায়ে দুটি অপরাধে সাঈদীর বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।

সাঈদীর বিরুদ্ধে গঠন অভিযোগে একাত্তরে মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তিন হাজারেরও বেশি নিরস্ত্র ব্যক্তিকে হত্যা বা হত্যায় সহযোগিতা, ৯জনেরও বেশি নারীকে ধর্ষণ, বিভিন্ন বাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে লুটপাট, ভাঙচুর এবং ১০০ থেকে ১৫০ জন হিন্দু ধর্মাবলম্বীকে জোরপূর্বক ধর্মান্তরে বাধ্য করার মতো ২০টি ঘটনার অভিযোগ আনা হয়েছিলো।

এগুলোর মধ্যে সন্দেহাতীতভাবে ৮টি অভিযোগ প্রমাণিত হয়। এর মধ্যে দুটি অভিযোগে (অর্থাৎ ৮ ও ১০ নম্বর) সাঈদীকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-১।