অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ Logo হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে স্বামীর ছুরিকাঘাতে গৃহবধূ নিহত, আটক স্বামী

কারাবন্দি ৪ নারীর বিষয়ে আদেশ ২৬ জানুয়ারি

হত্যা মামলায় দীর্ঘ দিন ‘বিনাবিচারে’ কারাবন্দি চার নারীর বিষয়ে আদেশের জন্য ২৬ জানুয়ারি দিন ধার্য করেছেন হাইকোর্ট।

সোমবার আসামিদের হাজির করা হলে বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও কৃষ্ণা দেবনাথের যুগ্ম বেঞ্চ এই দিন ধার্য করেন।

সকালেই চার নারীকে আদালতে নিয়ে আসে কাশিমপুর কারাগার কর্তৃপক্ষ। আইনজীবী আইনুন নাহার সিদ্দীকা চার নারীর মামলার নথি আদালতে উপস্থাপন করেন।

উন্মুক্ত আদালতে একেক করে চার নারীকে ডেকে কথা বলেন বিচারকরা। কে কত বছর ধরে কারাগারে, মামলা চলে কি না- তাদের কাছে এসব বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়।

এরপর ২৬ জানুয়ারি আদেশের দিন ধার্য করে আদালত চার মামলার নথি সারাংশ করে জমা দিতে লিগ্যাল এইডের আইনজীবীকে নির্দেশ দেন।

কারাবন্দি এই চার নারী হলেন- সুমি আক্তার রেশমা, শাহনাজ বেগম, রাজিয়া সুলতানা ও রাণী ওরফে নুপুর।

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা উপজেলার ধর্মগঞ্জের আশরাফ আলীর মেয়ে সুমি আক্তার রেশমা রাজধানীর শ্যামপুর থানার ২০০৮ সালের একটি হত্যা মামলায় ২০০৯ সালের ১৫ জানুয়ারি গ্রেফতার হন। তখন থেকেই তিনি কারাগারে।

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার ইলমদি গ্রামের আলম খালাসীর মেয়ে শাহনাজ বেগম কারাগারে আছেন ২০০৮ সাল থেকে। ঢাকার দোহার থানার একটি হত্যা মামলায় ওই বছর ১৬ সেপ্টেম্বর তাকে গ্রেফতার করা হয়।

গাজীপুরের টঙ্গী থানার বেদেবহর এলাকার উকুল উদ্দিনের মেয়ে রাজিয়া সুলতানা তুরাগ থানার এক হত্যা মামলায় ২০০৯ সালের ২১ মে গ্রেফতার হন।

রাণী ওরফে নুপুর ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলার বোরকা নতুন বাজার গ্রামের চান মিয়ার মেয়ে। ঢাকার রমনা থানায় ২০০৯ সালে দায়ের হওয়া একটি হত্যা মামলায় ওই বছর ২১ নভেম্বর তাকে গ্রেফতার করা হয়।

এ চারজনের মধ্যে রাজিয়া সুলতানা, সুমি আক্তার, শাহনাজ বেগমের মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানান আইনজীবী আইনুন নাহার সিদ্দিকা।

তিনি বলেন, রাজিয়া সুলতানার মামলায় ১১ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। শাহনাজ বেগমের মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন ১৩ জন। সুমি আক্তারের মামলার বিচারও চলছে। তাই আদালত একে বিনাবিচার বলছেন না।

Tag :

কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত।

কারাবন্দি ৪ নারীর বিষয়ে আদেশ ২৬ জানুয়ারি

আপডেট টাইম : ০৪:৫৫:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ জানুয়ারী ২০১৭

হত্যা মামলায় দীর্ঘ দিন ‘বিনাবিচারে’ কারাবন্দি চার নারীর বিষয়ে আদেশের জন্য ২৬ জানুয়ারি দিন ধার্য করেছেন হাইকোর্ট।

সোমবার আসামিদের হাজির করা হলে বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও কৃষ্ণা দেবনাথের যুগ্ম বেঞ্চ এই দিন ধার্য করেন।

সকালেই চার নারীকে আদালতে নিয়ে আসে কাশিমপুর কারাগার কর্তৃপক্ষ। আইনজীবী আইনুন নাহার সিদ্দীকা চার নারীর মামলার নথি আদালতে উপস্থাপন করেন।

উন্মুক্ত আদালতে একেক করে চার নারীকে ডেকে কথা বলেন বিচারকরা। কে কত বছর ধরে কারাগারে, মামলা চলে কি না- তাদের কাছে এসব বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়।

এরপর ২৬ জানুয়ারি আদেশের দিন ধার্য করে আদালত চার মামলার নথি সারাংশ করে জমা দিতে লিগ্যাল এইডের আইনজীবীকে নির্দেশ দেন।

কারাবন্দি এই চার নারী হলেন- সুমি আক্তার রেশমা, শাহনাজ বেগম, রাজিয়া সুলতানা ও রাণী ওরফে নুপুর।

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা উপজেলার ধর্মগঞ্জের আশরাফ আলীর মেয়ে সুমি আক্তার রেশমা রাজধানীর শ্যামপুর থানার ২০০৮ সালের একটি হত্যা মামলায় ২০০৯ সালের ১৫ জানুয়ারি গ্রেফতার হন। তখন থেকেই তিনি কারাগারে।

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার ইলমদি গ্রামের আলম খালাসীর মেয়ে শাহনাজ বেগম কারাগারে আছেন ২০০৮ সাল থেকে। ঢাকার দোহার থানার একটি হত্যা মামলায় ওই বছর ১৬ সেপ্টেম্বর তাকে গ্রেফতার করা হয়।

গাজীপুরের টঙ্গী থানার বেদেবহর এলাকার উকুল উদ্দিনের মেয়ে রাজিয়া সুলতানা তুরাগ থানার এক হত্যা মামলায় ২০০৯ সালের ২১ মে গ্রেফতার হন।

রাণী ওরফে নুপুর ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলার বোরকা নতুন বাজার গ্রামের চান মিয়ার মেয়ে। ঢাকার রমনা থানায় ২০০৯ সালে দায়ের হওয়া একটি হত্যা মামলায় ওই বছর ২১ নভেম্বর তাকে গ্রেফতার করা হয়।

এ চারজনের মধ্যে রাজিয়া সুলতানা, সুমি আক্তার, শাহনাজ বেগমের মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানান আইনজীবী আইনুন নাহার সিদ্দিকা।

তিনি বলেন, রাজিয়া সুলতানার মামলায় ১১ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। শাহনাজ বেগমের মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন ১৩ জন। সুমি আক্তারের মামলার বিচারও চলছে। তাই আদালত একে বিনাবিচার বলছেন না।