অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

১০ খাবার স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক

ঢাকা, ৩০ ডিসেম্বর, : রোগ হওয়ার আগেই প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই সঠিক হাতিয়ার। আর প্রকৃতিতেই রয়েছে ক্যানসার প্রতিরোধের অস্ত্র। খাদ্য ও পুষ্টিবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদনে যেসব খাবার উল্লেখ করা তা হলো

ডালিম : ক্যানসার প্রতিরোধে ডালিম বিশেষভাবে সহায়তা করে। এতে আছে পলিফেনল নামক এলাজিক অ্যাসিড এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান, যা ক্যানসারের বৃদ্ধি প্রতিরোধে সাহায্য করে। এ মজার ফল প্রতিদিনের খাবার তালিকায় যোগ করে কার্যকর স্বাস্থ্য উপকারিতা লাভ করা সম্ভব।

তিসি : স্তন ক্যানসারের জন্য দায়ী ক্যানসারের কোষের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কার্যকার ভূমিকা পালন করে তিসিতে থাকা ওমেগা-থ্রি, লিগনান্স ও আঁশ। তিসির বীজ, আস্ত তিসি বা তিসির তেল খাবারে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। স্মুদিতে তিসি যোগ করে অথবা তিসির তেল সালাদে ড্রেসিং করার কাজেও ব্যবহার করা যেতে পারে।

ব্রাজিল নাটস : এ বাদামে রয়েছে উচ্চমাত্রায় সেলেনিয়াম, আঁশ এবং ফাইটোকেমিক্যাল। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে, প্রদাহ এবং টিউমারের বৃদ্ধি কমাতে সাহায্য করে।

রসুন : ক্যানসার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার উপাদান ‘অ্যালিয়াম’ উচ্চ মাত্রায় থাকে এ মসলায়। রসুন ছাড়াও এ ধরনের অন্যান্য মসলা যেমন- পেঁয়াজ, পেঁয়াজজাতীয় গাছেও এই উপাদান পাওয়া যায়।

গাঢ় সবুজ পাতাবহুল সবজি : পাতাকপি, পালংশাক ইত্যাদি স্তন ক্যানসার প্রতিরোধের ‘ওয়ান স্টপ শপ’ হিসেবে বিবেচিত। এ ছাড়া দেহের জন্য প্রয়োজনীয় আঁশ, ভিটামিন বি, ফাইটোকেমিকল, ক্লোরোফিল ইত্যাদি মিলবে গাঢ় সবুজ পাতাবহুল সবজিতে।

স্যামন মাছ : ওমেগা-থ্রি এবং ভিটামিন বি-টুয়েল্ভ, ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ, যা শরীরের পুষ্টি সরবারহ করে এবং কোষের বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে ক্যানসার প্রতিরোধে সাহায্য করে।

ব্রোকলি ও এর কচিপাতা : ব্রোকলিতে রয়েছে উচ্চ মাত্রায় সালফোরোফেন এবং ইন্ডোলেস উপাদান। স্তন, মূত্রাশয়, লিম্ফোমা, প্রোস্টেট এবং ফুসফুস ইত্যাদি বিভিন্ন ধরনের ক্যানসারের কোষের বৃদ্ধিতে বাঁধা দেয়।

গ্রিন টি : নিয়মিত গ্রিনটি খাওয়া হলে তা স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। গ্রিন টি’র ফাইটোকেমিকল নামক উপাদান শরীর সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। প্রতিদিন দুএক কাপ গ্রিন টি খাওয়া ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়।

মরিচ : যে কোনো ধরনের মরিচেই আছে ফাইটোকেমিক্যাল, যা ক্যানসারের বিরুদ্ধে কাজ করে। মরিচ বা হেলাপিনোতে আছে ক্যাপসাইসিন। এটি ক্যানসারের কোষ বৃদ্ধিতে বাঁধা দেয়। কাঁচামরিচ ক্লোরোফিলের ভালো উৎস, যা অন্ত্রের ক্যানসার প্রতিরোধ করে। আর লালমরিচে থাকে ক্যাপসাইসিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্যারোটেনোয়েডস।

হলুদ : আছে ক্যানসারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার উপাদান কারকিউমিন। এটি স্তন, গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল, ফুসফুস এবং ত্বকের ক্যানসার প্রতিরোধে সাহায্য করে। এক চিমটি হলুদ অনেক কঠিন ক্যানসারের কোষের বিরুদ্ধেও কাজ করে থাকে।

Tag :

বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ

১০ খাবার স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক

আপডেট টাইম : ০৬:২৭:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০১৭

ঢাকা, ৩০ ডিসেম্বর, : রোগ হওয়ার আগেই প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই সঠিক হাতিয়ার। আর প্রকৃতিতেই রয়েছে ক্যানসার প্রতিরোধের অস্ত্র। খাদ্য ও পুষ্টিবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদনে যেসব খাবার উল্লেখ করা তা হলো

ডালিম : ক্যানসার প্রতিরোধে ডালিম বিশেষভাবে সহায়তা করে। এতে আছে পলিফেনল নামক এলাজিক অ্যাসিড এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান, যা ক্যানসারের বৃদ্ধি প্রতিরোধে সাহায্য করে। এ মজার ফল প্রতিদিনের খাবার তালিকায় যোগ করে কার্যকর স্বাস্থ্য উপকারিতা লাভ করা সম্ভব।

তিসি : স্তন ক্যানসারের জন্য দায়ী ক্যানসারের কোষের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কার্যকার ভূমিকা পালন করে তিসিতে থাকা ওমেগা-থ্রি, লিগনান্স ও আঁশ। তিসির বীজ, আস্ত তিসি বা তিসির তেল খাবারে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। স্মুদিতে তিসি যোগ করে অথবা তিসির তেল সালাদে ড্রেসিং করার কাজেও ব্যবহার করা যেতে পারে।

ব্রাজিল নাটস : এ বাদামে রয়েছে উচ্চমাত্রায় সেলেনিয়াম, আঁশ এবং ফাইটোকেমিক্যাল। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে, প্রদাহ এবং টিউমারের বৃদ্ধি কমাতে সাহায্য করে।

রসুন : ক্যানসার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার উপাদান ‘অ্যালিয়াম’ উচ্চ মাত্রায় থাকে এ মসলায়। রসুন ছাড়াও এ ধরনের অন্যান্য মসলা যেমন- পেঁয়াজ, পেঁয়াজজাতীয় গাছেও এই উপাদান পাওয়া যায়।

গাঢ় সবুজ পাতাবহুল সবজি : পাতাকপি, পালংশাক ইত্যাদি স্তন ক্যানসার প্রতিরোধের ‘ওয়ান স্টপ শপ’ হিসেবে বিবেচিত। এ ছাড়া দেহের জন্য প্রয়োজনীয় আঁশ, ভিটামিন বি, ফাইটোকেমিকল, ক্লোরোফিল ইত্যাদি মিলবে গাঢ় সবুজ পাতাবহুল সবজিতে।

স্যামন মাছ : ওমেগা-থ্রি এবং ভিটামিন বি-টুয়েল্ভ, ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ, যা শরীরের পুষ্টি সরবারহ করে এবং কোষের বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে ক্যানসার প্রতিরোধে সাহায্য করে।

ব্রোকলি ও এর কচিপাতা : ব্রোকলিতে রয়েছে উচ্চ মাত্রায় সালফোরোফেন এবং ইন্ডোলেস উপাদান। স্তন, মূত্রাশয়, লিম্ফোমা, প্রোস্টেট এবং ফুসফুস ইত্যাদি বিভিন্ন ধরনের ক্যানসারের কোষের বৃদ্ধিতে বাঁধা দেয়।

গ্রিন টি : নিয়মিত গ্রিনটি খাওয়া হলে তা স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। গ্রিন টি’র ফাইটোকেমিকল নামক উপাদান শরীর সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। প্রতিদিন দুএক কাপ গ্রিন টি খাওয়া ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়।

মরিচ : যে কোনো ধরনের মরিচেই আছে ফাইটোকেমিক্যাল, যা ক্যানসারের বিরুদ্ধে কাজ করে। মরিচ বা হেলাপিনোতে আছে ক্যাপসাইসিন। এটি ক্যানসারের কোষ বৃদ্ধিতে বাঁধা দেয়। কাঁচামরিচ ক্লোরোফিলের ভালো উৎস, যা অন্ত্রের ক্যানসার প্রতিরোধ করে। আর লালমরিচে থাকে ক্যাপসাইসিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্যারোটেনোয়েডস।

হলুদ : আছে ক্যানসারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার উপাদান কারকিউমিন। এটি স্তন, গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল, ফুসফুস এবং ত্বকের ক্যানসার প্রতিরোধে সাহায্য করে। এক চিমটি হলুদ অনেক কঠিন ক্যানসারের কোষের বিরুদ্ধেও কাজ করে থাকে।