অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo চট্টগ্রাম বিআরটিএ’তে দালালবিরোধী অভিযান, ২ জনের কারাদণ্ড Logo মিরপুর বিআরটিএতে ম্যাজিস্ট্রেট সাজিদ আনোয়ার এর অভিযানে দালাল চক্রের ৩ সদস্য আটক, বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড Logo দীর্ঘদিন কারাভোগের পর জামায়াত নেতা সোহেল রানা জামিনে মুক্ত, পাটগ্রামে গণসংবর্ধনা Logo বুড়িমারী স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে ভাটা, কমেছে রাজস্ব ও কর্মসংস্থান Logo বাড়ির উঠানে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর রক্তাক্ত মরদেহ, স্বামীর পরিবারের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ Logo মিরপুর বিআরটিএতে দালাল চক্রের ২ সদস্য আটক, ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৩০ দিনের কারাদণ্ড Logo পাটগ্রামে প্রিপেইড মিটার বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও স্মারকলিপি প্রদান Logo জুলাইয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪১৮ জন : বিআরটিএ Logo দায়িত্ব নিয়ে স্কুল পরিদর্শনে নবনির্বাচিত সভাপতি Logo লালমনিরহাট-বুড়িমারী মহাসড়কে ট্রাকের চাপায় ইজিবাইকের দুই যাত্রী নিহত

সিইসির সভা থেকে উঠে গেলেন ঐক্যফ্রন্ট নেতারা

ডেস্ক : প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদার সঙ্গে বৈঠক চলাকালীন সেখান থেকে উঠে এসেছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতারা। আজ মঙ্গলবার দুপুরে বিভিন্ন অভিযোগ জানাতে ঐক্যফ্রন্টের নেতারা নির্বাচন কমিশনে গিয়েছিলেন। ঐক্যফ্রন্ট নেতারা অভিযোগ করেছেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনারের ‘আচরণ’ দেখে এবং অভিযোগ শুনতে অনীহার কারণে তাঁরা সভা ত্যাগ করেন।

সভা থেকে বেরিয়ে এসে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অভিযোগ করেছেন, সারা দেশে বিরোধী দলের নেতা কর্মীদের হত্যা, আক্রমণ অগ্নিসংযোগ করা হচ্ছে। পুলিশ বিরোধী দলের ওপর চড়াও হচ্ছে। বিষয়গুলো প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে জানিয়েছি। কিন্তু তার আচরণ দেখে মনে হয়েছে তিনি এতে গুরুত্ব দেননি। এসব বিষয়ে তিনি গুরুত্ব দেখাননি। এমন আচরণ করেছেন যেন আমরা মিথ্যা অভিযোগ করেছি। এ অবস্থায় আমরা সভা বর্জন করে সেখান থেকে উঠে এসেছি।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ১০ জন নেতা আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে করতে যান। বৈঠকের একপর্যায়ে ঐক্যফ্রন্ট নেতারা সভা ত্যাগ করে উঠে আসনে।

মির্জা ফখরুল বলেন, আসলে সরকার ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার নির্বাচন বানচাল করার চেষ্টা করছে। নির্বাচন কতটা সুষ্ঠু হবে তার জবাব জাতির কাছে এসে গেছে। ঢাকা শহর দেখে মনে হচ্ছে না দেশে নির্বাচন হচ্ছে। এ নির্বাচন সাংবিধানিক ধারা রক্ষার নির্বাচন। নির্বাচন কমিশনের উদ্দ্যেশ কি?

নির্বাচন থেকে সরে আসবেন কি না এমন প্রশ্নে মির্জা ফখরুল বলেন, এ সিদ্ধান্ত জনগণ নেবে। তবে আমরা সরকারকে ফাঁকা মাঠে গোল দিতে দেব না।

জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, পুলিশ সর্বত্র লাঠিয়াল বাহিনীর কাজ করছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে বিষয়টি আমরা বলার পর তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেছেন। আমরা তাঁকে বলেছি সাংবাদিকেরা ভালোভাবে চলাফেরা করলে জনগণের লাভ হতো সেটা বন্ধ করে দিয়েছেন। মনে হচ্ছে উনি ওপরের কারও নির্দেশে চলছেন।

অভিযোগ জানানোর সময় আমরা ভেবেছিলাম সিইসি সহানুভূতি দেখাবেন। কিন্তু তিনি তার ধারের কাছেও গেলেন না। উল্টো পুলিশের পক্ষ নিলেন।

বিএনপি নেতা নজরুল ইসলাম খান বলেন, সেনা বাহিনী ইসির নিয়ন্ত্রণে। তাদের বের হতে দেওয়া হচ্ছে না। তাদের ক্যাম্পে রেখে পুলিশ তাণ্ডব চালাচ্ছে। এসব করে সেনাবাহিনীকে হেয় করা হচ্ছে।

সেখানে উপস্থিত ছিলেন ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ ড. কামাল হোসেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মঈন খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রাম বিআরটিএ’তে দালালবিরোধী অভিযান, ২ জনের কারাদণ্ড

সিইসির সভা থেকে উঠে গেলেন ঐক্যফ্রন্ট নেতারা

আপডেট টাইম : ০৬:৫৩:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০১৮

ডেস্ক : প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদার সঙ্গে বৈঠক চলাকালীন সেখান থেকে উঠে এসেছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতারা। আজ মঙ্গলবার দুপুরে বিভিন্ন অভিযোগ জানাতে ঐক্যফ্রন্টের নেতারা নির্বাচন কমিশনে গিয়েছিলেন। ঐক্যফ্রন্ট নেতারা অভিযোগ করেছেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনারের ‘আচরণ’ দেখে এবং অভিযোগ শুনতে অনীহার কারণে তাঁরা সভা ত্যাগ করেন।

সভা থেকে বেরিয়ে এসে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অভিযোগ করেছেন, সারা দেশে বিরোধী দলের নেতা কর্মীদের হত্যা, আক্রমণ অগ্নিসংযোগ করা হচ্ছে। পুলিশ বিরোধী দলের ওপর চড়াও হচ্ছে। বিষয়গুলো প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে জানিয়েছি। কিন্তু তার আচরণ দেখে মনে হয়েছে তিনি এতে গুরুত্ব দেননি। এসব বিষয়ে তিনি গুরুত্ব দেখাননি। এমন আচরণ করেছেন যেন আমরা মিথ্যা অভিযোগ করেছি। এ অবস্থায় আমরা সভা বর্জন করে সেখান থেকে উঠে এসেছি।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ১০ জন নেতা আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে করতে যান। বৈঠকের একপর্যায়ে ঐক্যফ্রন্ট নেতারা সভা ত্যাগ করে উঠে আসনে।

মির্জা ফখরুল বলেন, আসলে সরকার ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার নির্বাচন বানচাল করার চেষ্টা করছে। নির্বাচন কতটা সুষ্ঠু হবে তার জবাব জাতির কাছে এসে গেছে। ঢাকা শহর দেখে মনে হচ্ছে না দেশে নির্বাচন হচ্ছে। এ নির্বাচন সাংবিধানিক ধারা রক্ষার নির্বাচন। নির্বাচন কমিশনের উদ্দ্যেশ কি?

নির্বাচন থেকে সরে আসবেন কি না এমন প্রশ্নে মির্জা ফখরুল বলেন, এ সিদ্ধান্ত জনগণ নেবে। তবে আমরা সরকারকে ফাঁকা মাঠে গোল দিতে দেব না।

জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, পুলিশ সর্বত্র লাঠিয়াল বাহিনীর কাজ করছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে বিষয়টি আমরা বলার পর তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেছেন। আমরা তাঁকে বলেছি সাংবাদিকেরা ভালোভাবে চলাফেরা করলে জনগণের লাভ হতো সেটা বন্ধ করে দিয়েছেন। মনে হচ্ছে উনি ওপরের কারও নির্দেশে চলছেন।

অভিযোগ জানানোর সময় আমরা ভেবেছিলাম সিইসি সহানুভূতি দেখাবেন। কিন্তু তিনি তার ধারের কাছেও গেলেন না। উল্টো পুলিশের পক্ষ নিলেন।

বিএনপি নেতা নজরুল ইসলাম খান বলেন, সেনা বাহিনী ইসির নিয়ন্ত্রণে। তাদের বের হতে দেওয়া হচ্ছে না। তাদের ক্যাম্পে রেখে পুলিশ তাণ্ডব চালাচ্ছে। এসব করে সেনাবাহিনীকে হেয় করা হচ্ছে।

সেখানে উপস্থিত ছিলেন ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ ড. কামাল হোসেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মঈন খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।