পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo মিরপুর বিআরটিএ-তে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: ছয়জনকে কারাদণ্ড ও পাঁচজনকে অর্থদন্ড। Logo বিআরটিএ সহকারী পরিচালক থেকে উপপরিচালক পদে পদোন্নতি ৭ জনের Logo শামসুল হক খান স্কুল অ্যান্ড কলেজ মেধাবী শিক্ষার্থীদের ক্রেস্ট ও গাছের চারা দিয়ে সংবর্ধনা Logo পাটগ্রাম সীমান্তে ৬১ বিজিবির পৃথক অভিযানে ভারতীয় গরু ও আগরবাতি আটক Logo পাটগ্রামে উৎসবমুখর পরিবেশে যুগের আলো পত্রিকার ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত Logo জলসিড়ি আবাসনের সাথে রূপগঞ্জের জমি মালিকদের সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নিলেন এমপি দিপু ভুঁইয়া Logo হাতীবান্ধা-পাটগ্রাম সীমান্তে ৬১ বিজিবির অভিযানে মাদক ও মোটরসাইকেল পার্টস আটক Logo মিরপুর বিআরটিএতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ৯ জন দালাল আটক Logo লালমনিরহাটে শিবরাম স্কুলের শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ ও বৃক্ষরোপণ Logo মিরপুর বিআরটিএ-তে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: তিনজনকে কারাদণ্ড।

তৈরি পোশাকের অবাধ প্রবেশাধিকার চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

বাংলার খবর২৪.কম sheikh_hasina_un tony2014_52827নিউইয়র্ক: আমেরিকার বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের শুল্কমুক্ত অবাধ প্রবেশাধিকার চাইলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মার্কিন সময় বৃহষ্পতিবার দুপুরে ম্যানহাটনের গ্রান্ড হায়াত হোটেলের ইম্পেরিয়াল হলে আমেরিকার ব্যবসায়ীদের সঙ্গে এক মধ্যাহ্ন ভোজে অংশ নিয়ে এই আহ্বান জানান তিনি।

যুক্তরাষ্ট্রের বিসনেস কাউন্সিল ফর ইন্টারন্যাশনাল আন্ডারস্ট্যান্ডিং এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের রপ্তানি করা পোশাক থেকে শুল্ক বাবদ আমেরিকা বছরে ৮৩২ মিলিয়ন ডলার আয় করছে। শুল্ক ছাড়া এসব পণ্যের ছাড় দেয়া হলে একদিকে মার্কিন খুচরা বিক্রেতারা যেমন লাখ লাখ ডলার বাড়তি আয় করতে পারবে, তেমনি বাংলাদেশের উৎপাদকদেরও বেশি দাম দিতে পারবে। ফলে উৎপাদকরা কর্মীদের বেশি মজুরি দিতে পারবেন।

শেখ হাসিনা আরো বলেন, শুধু টাকার অংক নয় নজর দিতে হবে এই পরিবর্তনে মানবিক মূল্যের দিকেও। কেননা, এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে ৪০ লাখ মানুষের জীবিকা আর যার ৯০ ভাগই নারী। তৈরি পোশাক খাতের কাজের পরিবেশ মানসম্মত করতে তার সরকারের আন্তরিকতার কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে মধ্য আয়ের এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত করার যে স্বপ্ন তা যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ী নেতাদের সামনে তুলে ধরেন তিনি।

সাতটি বিশেষায়িত অর্থনৈতিক জোনের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এসব জোটে প্রাইভেট কোম্পানিগুলো জমি লিজ নিয়ে শ্রমঘন শিল্প স্থাপন করতে পাড়ছে।

এ সম্পর্কে তিনি বলেন, আমাদের ৮ কোটি যুব কর্মশক্তি রয়েছে। যাদের এইসব শিল্পে নিয়োগ দেওয়া যেতে পারে। আর উৎপাদিত যে কোনো পণ্যের জন্য রয়েছে ১৬ কোটি মানুষের বিশাল একটি বাজার।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ছাড়াও জাহাজ নির্মাণ, রিসাইক্লিং, রাসায়নিক সার, অটোমোবাইল, হালকা প্রকৌশল, কৃষি-প্রক্রিয়াকরণ, ঔষধশিল্প, সিরামিক, প্লাস্টিক, পাটজাত পণ্য, তথ্য প্রযুক্তি, সমুদ্র সম্পদ আহোরণ, পর্যটন, চিকিৎসা উপকরণ, টেলিযোগাযোগসহ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে বলে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের জানান প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উল্লেখ করেন, ২০১১ সালের মধ্যে বিনিয়োগ ১১৭.১৪ ডলারে উন্নীত করা হয়। আর ২০০৯ থেকে ২০১৩ পর্যন্ত বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্র মোট বিনিয়োগ করে ৩৩১.৩৫ মিলিয়ন ডলার।

২০১৪ সালের সর্বশেষ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশে সরাসরি বিনিয়োগে দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ। আগামী তিন বছরের মধ্যে এই বিনিয়োগের হিসাব বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে এটাই প্রত্যাশা প্রধানমন্ত্রীর

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

মিরপুর বিআরটিএ-তে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: ছয়জনকে কারাদণ্ড ও পাঁচজনকে অর্থদন্ড।

তৈরি পোশাকের অবাধ প্রবেশাধিকার চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট টাইম : ১১:১৬:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৪

বাংলার খবর২৪.কম sheikh_hasina_un tony2014_52827নিউইয়র্ক: আমেরিকার বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের শুল্কমুক্ত অবাধ প্রবেশাধিকার চাইলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মার্কিন সময় বৃহষ্পতিবার দুপুরে ম্যানহাটনের গ্রান্ড হায়াত হোটেলের ইম্পেরিয়াল হলে আমেরিকার ব্যবসায়ীদের সঙ্গে এক মধ্যাহ্ন ভোজে অংশ নিয়ে এই আহ্বান জানান তিনি।

যুক্তরাষ্ট্রের বিসনেস কাউন্সিল ফর ইন্টারন্যাশনাল আন্ডারস্ট্যান্ডিং এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের রপ্তানি করা পোশাক থেকে শুল্ক বাবদ আমেরিকা বছরে ৮৩২ মিলিয়ন ডলার আয় করছে। শুল্ক ছাড়া এসব পণ্যের ছাড় দেয়া হলে একদিকে মার্কিন খুচরা বিক্রেতারা যেমন লাখ লাখ ডলার বাড়তি আয় করতে পারবে, তেমনি বাংলাদেশের উৎপাদকদেরও বেশি দাম দিতে পারবে। ফলে উৎপাদকরা কর্মীদের বেশি মজুরি দিতে পারবেন।

শেখ হাসিনা আরো বলেন, শুধু টাকার অংক নয় নজর দিতে হবে এই পরিবর্তনে মানবিক মূল্যের দিকেও। কেননা, এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে ৪০ লাখ মানুষের জীবিকা আর যার ৯০ ভাগই নারী। তৈরি পোশাক খাতের কাজের পরিবেশ মানসম্মত করতে তার সরকারের আন্তরিকতার কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে মধ্য আয়ের এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত করার যে স্বপ্ন তা যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ী নেতাদের সামনে তুলে ধরেন তিনি।

সাতটি বিশেষায়িত অর্থনৈতিক জোনের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এসব জোটে প্রাইভেট কোম্পানিগুলো জমি লিজ নিয়ে শ্রমঘন শিল্প স্থাপন করতে পাড়ছে।

এ সম্পর্কে তিনি বলেন, আমাদের ৮ কোটি যুব কর্মশক্তি রয়েছে। যাদের এইসব শিল্পে নিয়োগ দেওয়া যেতে পারে। আর উৎপাদিত যে কোনো পণ্যের জন্য রয়েছে ১৬ কোটি মানুষের বিশাল একটি বাজার।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ছাড়াও জাহাজ নির্মাণ, রিসাইক্লিং, রাসায়নিক সার, অটোমোবাইল, হালকা প্রকৌশল, কৃষি-প্রক্রিয়াকরণ, ঔষধশিল্প, সিরামিক, প্লাস্টিক, পাটজাত পণ্য, তথ্য প্রযুক্তি, সমুদ্র সম্পদ আহোরণ, পর্যটন, চিকিৎসা উপকরণ, টেলিযোগাযোগসহ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে বলে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের জানান প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উল্লেখ করেন, ২০১১ সালের মধ্যে বিনিয়োগ ১১৭.১৪ ডলারে উন্নীত করা হয়। আর ২০০৯ থেকে ২০১৩ পর্যন্ত বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্র মোট বিনিয়োগ করে ৩৩১.৩৫ মিলিয়ন ডলার।

২০১৪ সালের সর্বশেষ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশে সরাসরি বিনিয়োগে দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ। আগামী তিন বছরের মধ্যে এই বিনিয়োগের হিসাব বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে এটাই প্রত্যাশা প্রধানমন্ত্রীর