পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

আইএস’র হামলার প্রতিশোধ নিতে ইরাকে চলছে সুন্নি নিধন

বাংলার খবর২৪.কম :500x350_e0e9cb742efebe59a2cd156a36486fe0_is20141015045242 সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ইরাকের শিয়া বাহিনী বেসামরিক সুন্নিদের অপহরণ ও হত্যা করছে বলে এক প্রতিবেদনে অভিযোগ করেছে লন্ডনভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।ইসলামিক স্টেটের (আইএস) হামলার সম্ভাব্য প্রতিশোধ হিসেবে এসব হত্যাকাণ্ড চালানো হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।এসব বেসামরিক বাহিনীকে ইরাকি সরকার সমর্থন ও অস্ত্রশস্ত্র দিচ্ছে এবং দায়মুক্তি দিয়ে অভিযানে নামিয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছে অ্যামনেস্টি।আগস্ট ও সেপ্টেম্বরে ইরাকের বিভিন্ন জনের সঙ্গে সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে সংস্থাটি।ইরাকের বাগদাদ, সামারা ও কিরকুকে এসব সাম্প্রদায়িক সহিংসতা বেশি ঘটছে বলে প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব জায়গায় হাতকড়া লাগানো মাথায় গুলিবিদ্ধ অনেক অজ্ঞাতনামা লাশ পাওয়া গেছে। তারা নির্বিচার হত্যার শিকার হয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।অন্য অনেকে যারা নিখোঁজ রয়েছেন, তাদের কোনো খবর পাওয়া যায়নি বলে জানানো হয়েছে।
বাগদাদের উত্তরে প্রধানত সুন্নি শহর সামারায় জুন থেকে এ পর্যন্ত ১৭০ জন সুন্নি পুরুষকে অপহরণের তথ্য পেয়েছে সংস্থাটি।৬ জুন ৩০ জনেরও বেশি লোককে তাদের বাড়ির কাছ থেকে ধরে নিয়ে গিয়ে গুলি করে মারা হয়েছে। পরে কাছেই তাদের লাশ ফেলে রাখা হয়। আগের দিন শহরটিতে আইএস-এর একটি আকস্মিক হামলার প্রতিশোধ নিতেই ওই হত্যাকাণ্ড চালানো হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।জুনে আইএস-এর অগ্রযাত্রার মুখে ইরাকি সেনাবাহিনীর প্রতিরোধ ভেঙে পড়লে পরিস্থিতি মোকাবিলায় লড়াইয়ে নামে শিয়া বেসামরিক বাহিনীগুলো।
এসব বাহিনীর মধ্যে আসাহিব আহল আল-হক, বদর ব্রিগেড, মাহদি আর্মি, কাতায়িব হিজবুল্লাহ বেশ প্রভাবশালী হয়ে উঠেছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।এসব বেসামরিক বাহিনী হাজার হাজার নতুন যোদ্ধা সংগ্রহ করতে সক্ষম হলেও ইরাকি সেনাবাহিনী তা করতে ব্যর্থ হচ্ছে। বাগদাদের দিকে আইএসর অগ্রযাত্রা এসব বেসামরিক শিয়া বাহিনীই মূলত ঠেকিয়ে রেখেছে বলে বিবিসির প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন।তথ্যসূত্র : বিবিসি।

Tag :

বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ

আইএস’র হামলার প্রতিশোধ নিতে ইরাকে চলছে সুন্নি নিধন

আপডেট টাইম : ০৩:০২:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ অক্টোবর ২০১৪

বাংলার খবর২৪.কম :500x350_e0e9cb742efebe59a2cd156a36486fe0_is20141015045242 সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ইরাকের শিয়া বাহিনী বেসামরিক সুন্নিদের অপহরণ ও হত্যা করছে বলে এক প্রতিবেদনে অভিযোগ করেছে লন্ডনভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।ইসলামিক স্টেটের (আইএস) হামলার সম্ভাব্য প্রতিশোধ হিসেবে এসব হত্যাকাণ্ড চালানো হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।এসব বেসামরিক বাহিনীকে ইরাকি সরকার সমর্থন ও অস্ত্রশস্ত্র দিচ্ছে এবং দায়মুক্তি দিয়ে অভিযানে নামিয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছে অ্যামনেস্টি।আগস্ট ও সেপ্টেম্বরে ইরাকের বিভিন্ন জনের সঙ্গে সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে সংস্থাটি।ইরাকের বাগদাদ, সামারা ও কিরকুকে এসব সাম্প্রদায়িক সহিংসতা বেশি ঘটছে বলে প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব জায়গায় হাতকড়া লাগানো মাথায় গুলিবিদ্ধ অনেক অজ্ঞাতনামা লাশ পাওয়া গেছে। তারা নির্বিচার হত্যার শিকার হয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।অন্য অনেকে যারা নিখোঁজ রয়েছেন, তাদের কোনো খবর পাওয়া যায়নি বলে জানানো হয়েছে।
বাগদাদের উত্তরে প্রধানত সুন্নি শহর সামারায় জুন থেকে এ পর্যন্ত ১৭০ জন সুন্নি পুরুষকে অপহরণের তথ্য পেয়েছে সংস্থাটি।৬ জুন ৩০ জনেরও বেশি লোককে তাদের বাড়ির কাছ থেকে ধরে নিয়ে গিয়ে গুলি করে মারা হয়েছে। পরে কাছেই তাদের লাশ ফেলে রাখা হয়। আগের দিন শহরটিতে আইএস-এর একটি আকস্মিক হামলার প্রতিশোধ নিতেই ওই হত্যাকাণ্ড চালানো হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।জুনে আইএস-এর অগ্রযাত্রার মুখে ইরাকি সেনাবাহিনীর প্রতিরোধ ভেঙে পড়লে পরিস্থিতি মোকাবিলায় লড়াইয়ে নামে শিয়া বেসামরিক বাহিনীগুলো।
এসব বাহিনীর মধ্যে আসাহিব আহল আল-হক, বদর ব্রিগেড, মাহদি আর্মি, কাতায়িব হিজবুল্লাহ বেশ প্রভাবশালী হয়ে উঠেছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।এসব বেসামরিক বাহিনী হাজার হাজার নতুন যোদ্ধা সংগ্রহ করতে সক্ষম হলেও ইরাকি সেনাবাহিনী তা করতে ব্যর্থ হচ্ছে। বাগদাদের দিকে আইএসর অগ্রযাত্রা এসব বেসামরিক শিয়া বাহিনীই মূলত ঠেকিয়ে রেখেছে বলে বিবিসির প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন।তথ্যসূত্র : বিবিসি।