অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ Logo হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে স্বামীর ছুরিকাঘাতে গৃহবধূ নিহত, আটক স্বামী

নওগাঁর কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে ওষুধ সরবরাহ বন্ধ

বাংলার খবর২৪.কম index_54850: নওগাঁর মান্দা উপজেলায় ৪৮টি কমিউনিটি ক্লিনিকে চার মাস ধরে ওষুধ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। ফলে মুখ থুবড়ে পড়েছে প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের চিকিৎসাসেবা। এতে প্রতিদিন সহস্রাধিক রোগী চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

সূত্র জানায়, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কমিউনিটি ক্লিনিক প্রকল্প কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা না থাকায় ক্লিনিকগুলোতে ওষুধ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। এতে কমিউনিটি ক্লিনিকের হেলথ কেয়ার প্রোভাইডাররা অলস সময় পার করছেন।

জানা গেছে, গত ২০ জুন এসব ক্লিনিকে সরবরাহকৃত মাত্র দুই কার্টন ওষুধ অল্পদিনের ব্যবধানে শেষ হয়ে গেছে। এরপর থেকে সরকারি কোনো ওষুধ সরবরাহ না করায় উপজেলার প্রায় চার লাখ মানুষ চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

সরেজমিনে উপজেলার মাগুরা, দেলুয়াবাড়ি ও গোবিন্দপুর কমিউনিটি ক্লিনিকে গিয়ে এসব চিত্র দেখা যায়, উপজেলার নলঘৈর গ্রামের মেহের আলী অ্যাজমা, উত্তর কোঁচড়া গ্রামের হামেদা বিবি মাজার ব্যাথা, জয়নুর বিবি ও নুর বানু চোখের সমস্যা ও শকিলা খাতুন জ্বরের চিকিৎসা নিতে মাগুরা কমিউনিটি ক্লিনিকে এসেছেন। কিন্তু তারা প্রয়োজনীয় ওষুধ না পেয়ে হতাশ।

আগত এসব রোগীরা জানান, বাড়ির কাছের ক্লিনিকে চিকিৎসা ও ওষুধ দুটোই পাওয়ায় তাদের আর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যেতে হতো না। তারা সহজেই চিকিৎসাসেবা নিতে পারতেন। বেশকিছু দিন ধরে ক্লিনিকে এসে ওষুধ না পেয়ে খালি হাতে বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন তারা। চিকিৎসা নিতে এলেই বলা হচ্ছে ওষুধ নেই। ক্লিনিকে চিকিৎসা নিতে আগত ছালেমা বিবি, হারেদ আলী ও টমি রানী একই ধরনের অভিযোগ করেন। তারা দাবি করেন, সামান্য অসুখ-বিসুখে তারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যেতে পারেন না। এসব রোগের চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে যেতে পরিবহন ভাড়া ও সময় দুটোই নষ্ট হয়ে থাকে। ক্লিনিকে এসে ওষুধ না পাওয়ায় হতাশা ব্যক্ত করেন তারা।

ক্লিনিকের প্রোভাইডার রাসেল রানা জানান, গত ২০ জুন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে দুই কার্টন ওষুধ পেয়েছেন তিনি। এ ক্লিনিকে প্রতিদিন ২৫ থেকে ৩০ জন রোগী চিকিৎসাসেবা নিয়ে থাকেন। জুন মাসের সরবরাহকৃত ওষুধ দিয়ে আগত রোগীদের মাত্র একমাস চিকিৎসা সেবা দেয়া সম্ভব হয়েছে। এখন বাকি সময় বসে বসে সময় পার হচ্ছে। ক্লিনিকে ওষুধ না থাকায় প্রতিদিন বিড়ম্বনায় পড়তে হয়।

নওগাঁর সিভিল সার্জন ডা. মো. আলাউদ্দিন জানান, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন মহলকে জানানো হয়েছে।

Tag :

কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত।

নওগাঁর কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে ওষুধ সরবরাহ বন্ধ

আপডেট টাইম : ০১:৩২:৫৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ অক্টোবর ২০১৪

বাংলার খবর২৪.কম index_54850: নওগাঁর মান্দা উপজেলায় ৪৮টি কমিউনিটি ক্লিনিকে চার মাস ধরে ওষুধ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। ফলে মুখ থুবড়ে পড়েছে প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের চিকিৎসাসেবা। এতে প্রতিদিন সহস্রাধিক রোগী চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

সূত্র জানায়, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কমিউনিটি ক্লিনিক প্রকল্প কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা না থাকায় ক্লিনিকগুলোতে ওষুধ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। এতে কমিউনিটি ক্লিনিকের হেলথ কেয়ার প্রোভাইডাররা অলস সময় পার করছেন।

জানা গেছে, গত ২০ জুন এসব ক্লিনিকে সরবরাহকৃত মাত্র দুই কার্টন ওষুধ অল্পদিনের ব্যবধানে শেষ হয়ে গেছে। এরপর থেকে সরকারি কোনো ওষুধ সরবরাহ না করায় উপজেলার প্রায় চার লাখ মানুষ চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

সরেজমিনে উপজেলার মাগুরা, দেলুয়াবাড়ি ও গোবিন্দপুর কমিউনিটি ক্লিনিকে গিয়ে এসব চিত্র দেখা যায়, উপজেলার নলঘৈর গ্রামের মেহের আলী অ্যাজমা, উত্তর কোঁচড়া গ্রামের হামেদা বিবি মাজার ব্যাথা, জয়নুর বিবি ও নুর বানু চোখের সমস্যা ও শকিলা খাতুন জ্বরের চিকিৎসা নিতে মাগুরা কমিউনিটি ক্লিনিকে এসেছেন। কিন্তু তারা প্রয়োজনীয় ওষুধ না পেয়ে হতাশ।

আগত এসব রোগীরা জানান, বাড়ির কাছের ক্লিনিকে চিকিৎসা ও ওষুধ দুটোই পাওয়ায় তাদের আর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যেতে হতো না। তারা সহজেই চিকিৎসাসেবা নিতে পারতেন। বেশকিছু দিন ধরে ক্লিনিকে এসে ওষুধ না পেয়ে খালি হাতে বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন তারা। চিকিৎসা নিতে এলেই বলা হচ্ছে ওষুধ নেই। ক্লিনিকে চিকিৎসা নিতে আগত ছালেমা বিবি, হারেদ আলী ও টমি রানী একই ধরনের অভিযোগ করেন। তারা দাবি করেন, সামান্য অসুখ-বিসুখে তারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যেতে পারেন না। এসব রোগের চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে যেতে পরিবহন ভাড়া ও সময় দুটোই নষ্ট হয়ে থাকে। ক্লিনিকে এসে ওষুধ না পাওয়ায় হতাশা ব্যক্ত করেন তারা।

ক্লিনিকের প্রোভাইডার রাসেল রানা জানান, গত ২০ জুন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে দুই কার্টন ওষুধ পেয়েছেন তিনি। এ ক্লিনিকে প্রতিদিন ২৫ থেকে ৩০ জন রোগী চিকিৎসাসেবা নিয়ে থাকেন। জুন মাসের সরবরাহকৃত ওষুধ দিয়ে আগত রোগীদের মাত্র একমাস চিকিৎসা সেবা দেয়া সম্ভব হয়েছে। এখন বাকি সময় বসে বসে সময় পার হচ্ছে। ক্লিনিকে ওষুধ না থাকায় প্রতিদিন বিড়ম্বনায় পড়তে হয়।

নওগাঁর সিভিল সার্জন ডা. মো. আলাউদ্দিন জানান, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন মহলকে জানানো হয়েছে।